সংবাদ শিরোনাম
নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে এবার পশ্চিমবঙ্গ আর মেঘালয়ে বিক্ষোভ  » «   যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে ৪ বাংলাদেশি নারীর নিরঙ্কুশ জয়  » «   বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে : প্রধানমন্ত্রী  » «   বঙ্গবন্ধু বিপিএলে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে সিলেট  » «   দৈনিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ॥ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী  » «   সিলেট-তামাবিল থেকে জালনোটসহ গ্রেপ্তার ২  » «   মহাজনপট্রি থেকে ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী গ্রেফতার  » «   সিলেটে বিএনপির ৫৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা  » «   ব্রিটেনে কনজারভেটিভ পার্টির বড় জয়  » «   কেরানীগঞ্জ ট্র্যাজেডি: এ নিয়ে ১৪ জনের মৃত্যু  » «   বিজয় দিবসে মহানগর যুবলীগের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা  » «   দক্ষিণ সুরমা থেকে ডাকাত রশিদ গ্রেফতার  » «   কেরানীগঞ্জে আগুন ॥ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯  » «   ফেক নিউজ ঠেকাতে লড়াইয়ের ঘোষণা দিল ফেসবুক  » «   চবির ৫ হল থেকে দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার  » «  

বাড়ল না বিড়ি-সিগারেটের দাম

29সিলেটপোস্ট রিপোর্ট ::বিড়ি সিগারেটের দাম বাড়ছে না এবারের বাজেটে। সিগারেটের উৎপাদন ২০৪০ সাল নাগাদ নি:শেষ করার সিদ্ধান্ত থাকলেও বাড়ানো হচ্ছে না বিড়ির মূল্য। তবে শুধুমাত্র বিড়ির ক্ষেত্রে ২০ শলাকার প্যাকেটের মূল্য ১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেয়া বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিড়ির ভয়াবহতা সিগারেটের চেয়ে বেশী। বর্তমান আর্থ সামাজিক উন্নয়নের ফলে বিড়ির ব্যবহারকারী কমে যাচ্ছে। বর্তমানে এ খাতে নিয়োজিত শ্রমিকের সংখ্যাও আগের তুলনায় কম। গত বছর আমরা ঠিক করেছিলাম যে, বিড়ি উৎপাদন ২/৩ বছরের মধ্যে নিঃশেষ করা হবে। আগেই বলেছি যে, এদেশ থেকে তামাক নিঃশেষ করার সীমানা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সাল নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সেই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিড়ির উৎপাদন ২০৩০ সালে এবং সিগারেটের উৎপাদন ২০৪০ সালে নি:শেষ করার সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। তাই এবার বিড়ির মূল্য বাড়ানো হবে না তবে ফিল্টারযুক্ত বিড়ির ক্ষেত্রে ২০ শলাকার প্যাকেটের মূল্য ১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা করা হবে।

মন্ত্রী তার বাজেট বক্তব্যে বলেন, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিড়ি-সিগারেটের মতো ভয়াবহ আরেকটি পণ্য হলো জর্দা ও গুল। এগুলোর ব্যবহার সরাসরি হওয়ায় শরীরের উপর এর বিরূপ প্রভাবও বেশী। তাই শুল্ক করের আপাতন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে জর্দা ও গুলের ওজনভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ করার সুপারিশ করছি। এক্ষেত্রে প্রতি দশ গ্রাম জর্দা ও গুলের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি ২৫ টাকা। যেখানে সম্পূরক শুল্ক হবে ৬৫ শতাংশ।

মন্ত্রী বলেন, সিগারেট শিল্প যেভাবেই হোক একটি উত্তম লাভের খাত হিসেবে শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এই শিল্পের মৃত্যুঘন্টা বেজে উঠেছে, কিন্তু তাও অন্তত আমাদের দেশে এর নিস্পত্তি হতে আরো ২০ বছরের বিষয়। তাই আমার মনে হয় তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনার উদ্যোগের সঙ্গে দেশীয় উচ্চমানের ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম একসঙ্গে চলতে পারে। সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য আমার কাজ ও কৌশল হচ্ছে, নিম্নমানের সিগারেট উৎপাদন দ্রুত বন্ধ করা, মূল্যসীমা নির্বিশেষে এক করহার নির্ধারণ, একটি উন্নত দেশীয় ব্র্যান্ড অন্তত বিশ বছরের জন্য প্রতিষ্ঠা করা।

মন্ত্রী বলেন, সেই লক্ষ্যে নিম্নতম স্তরের সিগারেট মূল্য আগামী বছরে হবে ৩২ টাকা বা তদূর্ধ্ব এবং সেখানে সম্পূরক শুল্ক হবে ৫৫ শতাংশ। মধ্যম স্তরে দশ শলাকার সিগারেটের মূল্য হবে ৪৮ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক হবে ৬৫ শতাংশ। উচ্চস্তরে দশ শলাকার সিগারেটের মূল্য হবে ৭৫ টাকা ও ১০১ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক হবে ৬৫ শতাংশ। একইসঙ্গে আগামী দিনের লক্ষ্যমাত্রা হবে নিম্নতম স্তর ৭৫ টাকায় উন্নীত করা যেখানে সম্পূরক শুল্ক হবে ৬৫ শতাংশ। তদুর্ধ্বে হয়তো তখন থাকবে একটি সুপিরিয়র স্তর যেখানে সম্পূরক শুল্ক হবে উচ্চতর।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.