সংবাদ শিরোনাম
শ্রীমঙ্গলে লাশবাহী গাড়িতে চাঁদা দাবি পুলিশের বিভাগীয় তদন্ত  » «   আশুলিয়ায় চাঁদাবাজির সময় ভুয়া পুলিশ আটক  » «   আদালতে মোয়াজ্জেমের ৩০ মিনিট…‘গণপিটুনির ভয়ে পলাতক ছিলেন’  » «   দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচিতে ছাত্রদল  » «   আওয়ামী লীগ জিতলেও পরাজিত হয়েছে গণতন্ত্র:ফখরুল  » «   দেশে ফিরতে রাজি হয়েছেন সাগরে আটকে পড়া ৬৪ বাংলাদেশি  » «   ব্যাংকে টাকা আছে, তবে লুটে খাওয়ার মতো টাকা নেই  » «   সিলেটে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার  » «   ফাজিল ও কামিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ  » «   ভারতে মস্তিষ্কের প্রদাহে ১০০ শিশুর মৃত্যু  » «   বিকিনি ছবিতে ডাক্তারি হারালেন সুন্দরী  » «   মুরসির মৃত্যু ভয়ানক, সঠিক চিকিৎসা হয়নি: এইচআরডব্লিউ  » «   মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মুরসি মারা গেছেন  » «   উইন্ডিজকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে বার্তা দিয়ে রাখল বাংলাদেশ  » «   কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে বিশ্বনাথে গুঞ্জন-হত্যা না আত্মহত্যা  » «  

ভারতে নিজের কিডনি বেচতে গিয়ে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি যুবক

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::ভারতে নিজের কিডনি বিক্রি করতে গিয়ে এক বাংলাদেশি যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার নাম মোহাম্মদ গণি মিয়া (৩৫)। অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছে ভারতের পুলিশ। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতীয় প্রশাসন।

ভারতের তারাগড় এলাকার খাদিম সাঈদ আনোয়ার নামের এক স্থানীয় ব্যক্তির বাড়িতে গত রবিবার তল্লাশি চালিয়ে গণিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, গনির কাছ থেকে পাসপোর্ট, মোবাইল ফোনের পাঁচটি সিম কার্ড জব্দ করা হয়। সিমকার্ডগুলোর মধ্যে চারটি বাংলাদেশি ও একটি পাকিস্তানি।

পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে গণি মিয়া জানান- নিজের কিডনি বিক্রি করতেই তিনি ভারতে যান।

এর আগেও কিডনি বিক্রি করতে আরো দুইবার ভারতের আজমিরে গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। তবে কোনোবারই সফল হননি গণি মিয়া।

ভারতীয় প্রশাসন জানায়, এ ঘটনায় স্পষ্ট প্রমাণিত, ভারতে অবৈধভাবে মানব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেনা-বেচার ব্যবসা বেড়েছে।

২০০৮ সালে গণি মিয়া প্রথম অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন বলে তথ্য দেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

সে সময় তিনি ৪ মাস চেন্নাইয়ে অবস্থানের পরও নিজের কিডনি বিক্রিতে সফল হতে পারেননি।

এ বিষয়ে চেন্নাই পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, তামিল ও ইংরেজি ভাষা বলতে না পারায় ঠিকমতো যোগাযোগ করতে পারেননি গণি মিয়া।

এরপর দেশে ফিরে আসেন গণি মিয়া। আবার ৪ বছর পর একই উদ্দেশ্যে ভিসা নিয়ে তিনি ভারতে যান বলে জানিয়েছেন চেন্নাই পুলিশ। তিনি সরাসরি চলে যান চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে।

কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসকরা সে সময় তার অস্ত্রোপচার করতে সম্মত হননি। কারণ হিসেবে তারা জানান, গণি মিয়া মাদকাসক্ত ও শারীরিকভাবে দুর্বল।

বুধবার তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গণি মিয়ার আশ্রয়দাতা ভারতীয় নাগরিক খাদিম সাঈদ আনোয়ারকে খুঁজছে পুলিশ।

গণি মিয়া আরও জানান, খাদিম সাঈদ আনোয়ারের বাসায় মাসিক ৩ হাজার টাকা বেতনে গৃহস্থালির কাজ করতেন।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.