সংবাদ শিরোনাম
দরগাহ গেইটে ডিভাইডারের ওপর উঠে গেল মাইক্রোবাস!  » «   সিলেটে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব  » «   ২৫ বছরের মধ্যে বিয়ে না করলেই শাস্তি!  » «   কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে হামলা, সিসিটিভি দেখে ব্যবস্থার আশ্বাস  » «   ১৭ ঘণ্টা পর খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ চালু  » «   বেনাপোলে ৪০৫ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ  » «   জিয়ার জন্মদিনে ফখরুলদের তিন শপথ  » «   নির্বাচনে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে চিরদিনের জন্য তাদের হৃদয় থেকে দূরে ঠেলে দিয়েছে: ফখরুল  » «   ডাক্তার দেখাতে রোববার সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন এরশাদ  » «   মুহিতের সঙ্গে মেয়র আরিফসহ সর্বস্তরের মানুষের সাক্ষাৎ  » «   সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে বাসের-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ২  » «   বিল গেটসের এই কাণ্ডে লজ্জা পাবেন আপনিও!  » «   অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেল কুমারগাও বিদ্যুৎকেন্দ্র  » «   ফেব্রুয়ারির শেষে দ্বিতীয়বার বসবেন ট্রাম্প-কিম  » «   মেক্সিকোয় পাইপলাইনে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২০  » «  

‘ভয়’ দেখাতে গিয়ে বাবাকে মেরে ফেলল ছেলে

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::ফেনীর ছাগলনাইয়ায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আবুল কালাম (৫২) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, নিহতের ছেলে আবুল হাসান ও তার বন্ধুরা মিলেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতে পুলিশের কাছে এই হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন ছেলে হাসান।

নিহত আবুল কালামের বাড়ি পশ্চিম মধুগ্রামে।

হাসান জানান, তার বাবা আবুল কালাম পরিবারের সদস্যদের প্রায় নির্যাতন করতেন। এই জন্য ভয় দেখাতে লাঠি দিয়ে হাল্কা আঘাত করেন। এতে তার বাবার মৃত্যু হয়।

তিনি জানান, এত হাল্কা আঘাতে তার বাবার মৃত্যু হবে সেটা ভাবতে পারেননি।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে সেপটিক ট্যাংক থেকে আবুল কালামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওইদিনই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী রেখা আক্তার ও ছেলে হাসানকে আটক করে পুলিশ। পরে হাসানের আরেক বন্ধু রহিম উদ্দিনকে আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাতেই নিহত কালামের ছোট বোন জরিনা আখতার বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই মামলায় পুলিশ হাসান ও তার বন্ধুকে গ্রেফতার দেখিয়েছে।

মামলার বাদী জরিনা আখতার জানান, ৪ জানুয়ারি রাতে নিখোঁজ হন তার ভাই। গত বৃহস্পতিবার ঘরের পাশে দুর্গন্ধ পান তিনি। পুলিশ সেপটিক ট্যাংক থেকে তার ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করে।

তিনি জানান, তার ভাই আবুল কালাম অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য (কুক) ছিলেন। তিনি তিনটি বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক বিচ্ছেদ হওয়ায় রেখা আক্তারকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এছাড়া ঢাকায় এক গার্মেন্টকর্মীকে বিয়ে করেন।

বাদী জানান, বর্তমানে দ্বিতীয় স্ত্রী রেখার সাথে বাড়িতে বসবাস করতেন তার ভাই। গত দু’বছর আগে তার ভাই স্ট্রোক করার পর থেকে স্বাভাবিক আচরণ করতেন না। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেন না।

তিনি জানান, গত শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর থেকে তার ভাই নিখোঁজ হন। নিখোঁজের দিন দুপুরে তার ভাবী তিনি ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।

ছাগলনাইয়া থানার ওসি এমএম মোরশেদ জানান, নিহতের ছোট বোন জরিনা আক্তার বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে একটি হত্যা মামলা করেছেন। এই মামলায় নিহতের ছেলে আবুল হাসান ও তার বন্ধু রহিম উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.