সংবাদ শিরোনাম
এবার দিল্লির ধরনা থেকে মহাজোটের বার্তা, মোদী হঠাও  » «   আমিরাতে সাধারণ ক্ষমায় বৈধ হলো ৫০ হাজার বাংলাদেশি  » «   মালয়েশিয়ায় পুলিশের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত  » «   অচল কানাডা: মাইনাস ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার সতর্কতা  » «   তবু শেষ রক্ষা হলো  » «   রাজধানীর গুলশানে গারো তরুণীকে ধর্ষণ  » «   বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতি ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ বিল পরিশোধ নয়  » «   স্বামীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় দুর্ঘটনায় স্ত্রীর মৃত্যু  » «   সিরিয়ায় মার্কিন হামলায় নারী ও শিশুসহ নিহত ৫০  » «   ইজতেমার বয়ানে উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়া যাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   জাবিতে ছাত্রলীগের দুপক্ষে সংঘর্ষ চলছে, প্রক্টরসহ আহত ৫  » «   সিলেট জেলা পুলিশের মাদক নির্মূলে অঙ্গীকার  » «   সিটি করপোরেশনের কাজ করে ১৩ বছরেও বিল পাননি ঠিকাদার  » «   যতনে বাঁধিও চুল, খোপায় বাঁধিও ফাল্গুনী ফুল  » «   সিলেটে দুই ড্রিংকিং ওয়াটারসহ তিন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা  » «  

সর্বোচ্চ দরে ৬৩% সাধারণ বিমা কোম্পানির শেয়ার

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::ইয়ার ইন্ড হওয়ায় ডিভিডেন্ড ঘোষণাকে পুঁজি করে টানা উত্থানে পুঁজিবাজারের ব্যাংক, বিমা, আর্থিক ও বহুজাতিক কোম্পানি শেয়ার। এরই ধারাবাহিকতায় পুঁজিবাজারের বিমা খাতের ৬২.৮৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বিগত ১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দরে স্থিতি পেয়েছে। কিছু কিছু কোম্পানির শেয়ার তালিকাভুক্তির পর সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। বৃহস্পতিবারের (৩১ জানুয়ারি) সর্বোচ্চ দরের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে পুঁজিবাজারের বিমা খাতে তালিকাভুক্ত রয়েছে ৪৭টি কোম্পানি। এর মধ্যে ৩৫টি সাধারণ বিমা কোম্পানি ও ১২টি জীবন বিমা কোম্পানি।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ডিসেম্বর ক্লোজিং হওয়া ৪৭টি বিমা কোম্পানির মধ্যে আগামী জুনের মধ্যেই ডিভিডেন্ড ঘোষণা করবে সাধারণ বিমার ৩৫টি প্রতিষ্ঠান। তাই অব্যাহত উত্থানে রয়েছে কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ দরে স্থিতিতে পেয়েছে সাধারণ বিমার ২২টি প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ সাধারণ বিমা কোম্পানির ৬২.৮৫ শতাংশের শেয়ার দর সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে।

সর্বোচ্চ দরে স্থিতি পাওয়া কোম্পানিগুলো হলো- অগ্রনী ইন্স্যুরেন্স, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, জনতা ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, নর্দান জেনালের ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স ও ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স।

অগ্রনী ইন্স্যুরেন্স: বৃহস্পতিবার দিনশেষে অগ্রনী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার বিগত ১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দরে স্থিতি পেয়েছে। এদিন কোম্পানিটির শেয়ার সর্বোচ্চ ৪৩.১০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। এর আগে গত ৫২ সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার সর্বনিম্ন ১৪.৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৩.১০ টাকায় লেনদেন হয়েছিল।

গত ৭ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১৮.৬ টাকা। ৩১ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ার সর্বোচ্চ ৪৩.১০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। অর্থাৎ ১৮ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১৩১.৭২ শতাংশ।

এশিয়া ইন্স্যুরেন্স: বৃহস্পতিবার দিনশেষে ৩৮.৫০ টাকায় স্থিতি পেয়েছে এশিয়া ইন্স্যুরেন্স। এর আগে গত ৫২ সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ১৫.১০ টাকা থেকে ৩৮.৫০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছিল ৮.৫৭ শতাংশ বা ৩ টাকা।

এদিকে, সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৪৬.৭৪ শতাংশ। গত সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারের দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: বৃহস্পতিবার দিনশেষে বিক্রয় চাপে ৩.৭২ শতাংশ বা ১ টাকা দর কমলেও রেকর্ড দর ছুয়েছে কোম্পানিটি। এদিন কোম্পানিটির শেয়ার সর্বোচ্চ ২৭.১ টাকায় লেনদেন হয়েছে।

এর আগে গত ৫২ সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ১৭.৮০ টাকা থেকে ২৭.৯০ টাকায় লেনদেন হতে দেখা গেছে।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স: বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের মত বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সেও শেয়ার দর কমেছে বৃহস্পতিবার। বৃহস্পতিবার দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ার দর কমেছে ৫.৭৯ শতাংশ। তবুও রেকর্ড দরে স্থিতি পেয়েছে কোম্পানিটির শেয়ার।

বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ার সর্বোচ্চ ২৬.৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছিল। এর আগে গত ৫২ সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার ১৩.৫০ টাকা থেকে ২৬.৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছিল।

এছাড়া সর্বোচ্চ দরে লেনদেন হওয়া সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ২৮.২ টাকা, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ২১.৭০ টাকা, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ৩০.৪০ টাকা, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ৪০.৯০ টাকা, এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ৩৩.৪০, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ১৬.৮০ টাকা, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ২২.৯০ টাকা, জনতা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ২৪.১০ টাকা, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ২৮.৫০ টাকা, নর্দান জেনালের ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ২৮.৫০, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ২৭.৮০ টাকা, প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ৩৫.৯০ টাকা, প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ২৭.৫০ টাকা, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ৩৯.৪০ টাকা, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ২২ টাকা, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ৪৬ টাকা, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ৩২ টাকা ও ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর ৭৮ টাকা।

অর্থনীতিবিদ ও পুঁজিবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, ২০১০ সালের পর থেকে বাজারের অবমূল্যায়িত্ব হচ্ছে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিমা কোম্পানিগুলোর শেয়ার। কিন্তু একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা না থাকায় বাজারমুখী হচ্ছে বিনিয়োগকারীরা।

তিনি বলেন, বিগত ১ মাসে বাজারে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার দরে ব্যাপক উত্থান হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের উচিত কোম্পানির ডিভিডেন্ড প্রদান রেশিও কেমন হবে তার উপর ভিত্তি করে বিনিয়োগ করা।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.