সংবাদ শিরোনাম
মাধবপুরে ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার ২  » «   জগন্নাথপুরে এক রিকশা চালককে চুরির অভিযোগে বেঁধে রেখে হত্যা  » «   মাধবপুরের ডাকাত এরশাদ সিলেট থেকে গ্রেপ্তার  » «   ছাতকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে যুবতীর আত্মহত্যা  » «   জৈন্তাপুর থেকে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   কানাইঘাটে শিশু ধর্ষণের চেষ্টায় ইমাম গ্রেপ্তার  » «   সুনামগঞ্জে নদী থেকে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার  » «   হুজুরের বেশ ধারণ করে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার করেছে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ  » «   বড়লেখায় ভারতীয় মদসহ একজন গ্রেপ্তার  » «   পিকনিক করতে এসে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ৩ শিক্ষার্থীসহ নিহত ৪  » «   নগরীর চারাদিঘীর পাড় ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে প্রাণ হারালেন পুলিশ কর্মকর্তা  » «   সিলেটে কখন কোথায় ঈদের জামাত-ঈদগাহ মাঠ থেকে দূরে পার্কিং করে রাখার নির্দেশ  » «   কুলাউড়ায় বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে ছোট ভাই রাজিব খুন  » «   অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফুর রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা  » «   এরশাদের কুলখানি সিলেটে ২৩ আগস্ট  » «  

জন্মবিরতিকরণ পিল খাওয়া কী ঠিক হচ্ছে

ডা. কাজী ফয়েজা আক্তার

জন্মনিয়ন্ত্রণের অন্যতম পদ্ধতি পিল খাওয়া। আমাদের মাঝে পিল খাওয়া নিয়ে অনেক কুসংস্কার আছে। কেউ কেউ বলেন, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অনুসরণ করলে পরবর্তীতে সন্তান ধারনে অনেক সমস্যা হয় আসলে তা না। কখনো কখনো হয়তো একটু দেরী হয়। কিন্তু পুরোপুরি সন্তান গর্ভধারণ বন্ধ করে দেয়, বা সন্তান ধারণ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয় এমনটা কিন্তু হয়না।

আমাদের দেশে ‘পিল’ নিয়ে একটা ভুল ধারণা আছে। বিয়ের পরে মা ও শ্বাশুড়ী বলেন, পিল খেওনা। পিল খেলে কখনো বাচ্চা হবে না। ফলে তারা (মেয়েরা) পিল খাওয়া বন্ধ করে দেয়। যার ফলে কনসিভ করে। কনসিভ করার পর তারা ভাবে আমরা এখনো পড়াশুনা করছি। সন্তান নেওয়ার জন্য প্রস্তুত না। ফলে বাচ্চাটা আমরা চাচ্ছি না। তখন তারা এম আর করায় বা অ্যাবরশন করায়। ফলে তার জরায়ুতে একটা চিরস্থায়ী ইনফেকশান হয়।

পরবর্তীতে তার প্র্যাগনেন্সির চান্স পুরোপুরি চলে যায়। কিন্তু ও যদি পিলটা খেত তাহলে মাসে মাসে তার পিরিয়ডের সাইকেল ঠিক থাকতো। জরায়ুতে ইনফেকশনের চান্স ছিলনা। একটা অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণ হতো না। ও যখন সন্তান চাইতো, পিল বন্ধ করে দেওয়ার তিন মাসের মধ্যে প্র্যাগনেন্সি হয়ে যেতো। জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মানলে সন্তান হবে না, এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। আমাদেরকে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যদি সে ডিটারমাইন্ড হয়, যে আমি দু`বছর সন্তান নেব না, তাহলে তাকে অবশ্যই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মানতে হবে। যদি নব দম্পতি হয়, তাহলে তাদেরকে আমরা ‘পিল’ খেতে বা ‘কনডম’ ব্যবহারে উৎসাহী করে থাকি।

লেখক: ডা. কাজী ফয়েজা আক্তার, এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমসিপিএস। কনসালটেন্ট, ইমপালস হাসপাতাল। ও সহকারী অধ্যাপক, গাইনী, প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.