সংবাদ শিরোনাম
সিলেট সিটির ৮৩৯ কোটি ২০ লাখ ৭৬ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা মেয়র আরিফের  » «   সোবহানীঘাট মা ও শিশু হাসপতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু  » «   জগন্নাথপুরে পৃথক দু’টি লাশ উদ্ধার  » «   সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসপিয়া আর নেই,বিভিন্নজনের শোক প্রকাশ  » «   ১১বছর পর জানাগেল অপহরণ নয়; আত্মগোপনে ছিলেন ওই নারী  » «   জামালগঞ্জে বীরমুক্তিযোদ্ধা আফতাব আর নেই, বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ  » «   গোলাপগঞ্জে গণপিটুনিতে এক ডাকাত নিহত,ডাকাতদের গুলিতে স্থানীয় ৫জন আহত  » «   কাকলির বিরুদ্ধে ৬২লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত, দাবী তদন্ত কমিটির  » «   স্কুল-কলেজ খুলেছে আজ: শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে প্রতিষ্ঠানগুলো  » «   দেড় বছর পর আগামীকাল সিলেটেও খুলছে স্কুল-কলেজ ও মাদরাসা  » «   করোনা আপডেট:গত সর্বশেষ চব্বিশ ঘন্টায় ২জনের মৃত্যু: শনাক্ত ৫৩  » «   কোম্পানীগঞ্জে ভাগ্নে বউকে ধর্ষণের অভিযোগে মামা শ্বশুর গ্রেফতার  » «   গরীব ও অসহাদের মাঝে চাউল বিতরন করল অনুসন্ধান কল্যান সোসাইটি সিলেট  » «   সিলেটে আসছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী  » «   আমার স্ত্রী-সন্তান হারিয়ে যায়নি নিয়েছে শাহাবউদ্দিন বাবুর্চি:দাবী আহত শফিকুলের  » «  

অন্যরকম এক ভালোবাসার গল্প

  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    3
    Shares

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::হুইলচেয়ারে বন্দি নেহাল থক্কর ও অনুপ চন্দ্রনের গল্পটা যেন রূপকথার মতো। মুম্বইয়ে চিকিৎসা করাতে এসে আলাপ তাঁদের। কিন্তু দু’জনেই হুইলচেয়ারে বন্দি হয়ে গেলেন কী ভাবে? শুধু হুইলচেয়ারই নয়, তাদের জীবনের মিলগুলো এতো কাকতালীয় যে অবাক না হয়ে পারবেন না।
মুম্বইয়ের রাস্তায় পথ দুর্ঘটনায় শিরদাঁড়ায় মারাত্মক চোট পান অনুপ। হাঁটাচলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন সারা জীবনের মতো। নেহালের ক্ষেত্রেও তাই। একই রাস্তায় একই তারিখে একই রকম দুর্ঘটনার মুখোমুখি হন নেহালও। নেহালও হারিয়ে ফেলেন হাঁটাচলা করার ক্ষমতা। দু’জনেই ছিলেন মারুতি জেন মডেলের গাড়িতে। শুধু দুটি দুর্ঘটনার মধ্যে ব্যবধান ছিলো দু’বছরের। অনুপের দুর্ঘটনা ঘটেছিল ২০০৩ সালের ২২ জুন, আর নেহালের ২০০৫ সালের ২২ জুন।

চিকিৎসা করাতে এসে আলাপ হয়েছিল দু’জনের। একই জায়গায় একই রকম আঘাত পাওয়া, একই রকম জীবন কাটানোর ধরনটাই তাদের বন্ধুত্ব হওয়ার প্রধান কারণ। এর পরেই সিনেমা দেখা, কফি খাওয়া, আর সারা জীবনের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া- একটি সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলেন অনুপ।
অনুপ একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত, নেহাল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা চালান হুইলচেয়ারে বসেই। তাদের শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কাছে হার মেনেছে ভালবাসা। ২০১৮ সালে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন তারা। সংসারও করছেন দিব্যি। বিয়ের পর গোয়াও বেড়াতে গিয়েছিলেন তারা।

প্রথম কবে বুঝলেন পরস্পরকে ভালবাসার কথা? অনুপ বলেন, নেহাল ২০ দিনের জন্য এক বার দেশের বাইরে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ে নেহালকে তিনি প্রচণ্ড মিস করেছিলেন। নেহালও জানিয়েছেন একই কথা।
ফেরার পর দু’জনেই বলেন কতটা মিস করেছেন পরস্পরকে। কারণ ভালবাসা। এর পর সাত বছর চুটিয়ে প্রেম। আর তারপরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা।
বাড়ির লোক প্রথমে মানতে পারেননি হুইলচেয়ারে থাকা দুটো মানুষ কী ভাবে পরস্পরের পাশে থাকবেন। বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সমাজও। অনুপ দক্ষিণ ভারতীয়। অন্য দিকে নেহাল গুজরাতি। কিন্তু তারা পেরেছেন। অন্য কারও সাহায্যে তাদের চলাফেরা করতে হলেও মনের জোর পেয়েছেন পরস্পরের। কোনও কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
মেহিদি থেকে সঙ্গীত, বিয়ের সবকটি রীতিনীতি মেনেই গাঁটছড়া বেঁধেছেন এই দম্পতি। এমনকী বরপক্ষ ও কনেপক্ষের সঙ্গে হুইলচেয়ারে বসে দিব্যি নাচের ছন্দে মেতেছেন দু’জনে। বাকি জীবনটাও এমন আনন্দেই কাটাতে চান তাঁরা।
সূত্র: আনন্দবাজার

  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    3
    Shares

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.