সংবাদ শিরোনাম
জগন্নাথপুরে ৫০০ মসজিদে প্রধানমন্ত্রী সহায়তার চেক বিতরণ  » «   সুনামগঞ্জে র‍্যাবের ১৪ সদস্যসহ একদিনে ৩৯ জন করোনায় আক্রান্ত রেকর্ড,এ নিয়ে মোট ২১৩  » «   জগন্নাথপুরে হাওর থেকে এক অঞ্জাতনামা ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার  » «   জগন্নাথপুরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১ ব্যক্তি: মোট ১০, সুস্থ ৬, আইসোলেশনে ৪  » «   দোয়ারাবাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১০  » «   সিলেটে দক্ষিণ সুরমায় দু’দল বাস শ্রমিকের মধ্যে দেড় ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ  » «   করোন:এক দিনে ৯৩ জন আক্রান্ত সিলেট বিভাগে:মোট ১০৪০ জন  » «   ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবিতে নিহত ৩৬: এ মামলার প্রধান আসামি রফিকুল গ্রেফতার  » «   সিলেট থেকে বাস চলাচল শুরু  » «   ছাতকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক ঔষধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু  » «   সুনামগঞ্জে চেয়ারম্যানের অপসারনের দাবীতে অভিযোগ দায়ের  » «   সুনামগঞ্জে র‍্যাব ক্যাম্পের ১৬ জন সদস্যসহ মোট ২১ জন করোনায় আক্রান্ত  » «   জগন্নাথপুরে মানসিক রোগী দীর্ঘ এক বছর পর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ফিরে পেল পরিবার  » «   রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ১৯-২০ বছরের উন্মুক্ত বাজেট পেশ  » «   জগন্নাথপুরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে আরেক জন  » «  

সমতার মানসিকতা পরিবার থেকে তৈরি করতে হবে

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::সফল রন্ধনশিল্পী আফরোজা নাজনীন সুমি মনে করেন নারী-পুরুষের সমতার যে মানসিকতা তার শুরুটা পরিবার থেকে করতে হবে। পরিবারে ছেলে এবং  মেয়ে সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা বুঝতে পারে নিজেদের মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। এবং তাদের বেড়ে উঠাটা যদি বৈষম্যহীন হয় তাহলে পরিণত বয়সে সমতার ধারণা অটুট থাকবে। তিনি বলেন, আমরা হয়তো উপস্থাপন করি সমান অধিকার দেয়া হচ্ছে। এটা আসলেই সত্য নয়।

হয়তো দু-একটি পরিবারে আছে। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সমতা নেই। আমরা যখন কোথাও কাজ করতে যাই তখন আমরা চাই যে সমানভাবে করতে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেখা যায় যে, একটি মেয়েকে বাড়ির সমস্ত কাজ করে তারপর অফিসে যেতে হচ্ছে।

স্বামী সরাসরি অফিসে চলে যাচ্ছে। তার নাস্তাটা পর্যন্ত স্ত্রী তৈরি করে দিচ্ছে। তার মানে দাঁড়ায় নারী নিজের কাজ, সন্তানের কাজ করে এরপরে যাচ্ছে। এমনকি অফিস থেকে ফিরেও কিন্তু রাতের খাবারটা  তৈরি করতে হচ্ছে। স্বামী অফিস থেকে ফিরলে তাকে চা দিতে হবে। সবকিছু কিন্তু তাকেই করতে হচ্ছে। দুজনেই কিন্তু চাকরি করছে। সমতা কিন্তু হচ্ছে না। তিনি বলেন, মনের দিক থেকে বলতে গেলে বলতে হয়, অনেক ছেলেমানুষ আছে যারা হয়তো বলছে যে, আমরা সমতা চাই। হয়তো তারা মুখে বলে কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে তারা সেটা করে না।

কাজেই আমি বলবো যে, আমরা প্রত্যেকটি মা যদি ছোটবেলা থেকে সন্তানকে বড় করার সময় এই শিক্ষাটা দিয়ে বড় করি। পরিবারে আমার ছেলে এবং মেয়েকে যদি সমানভাবে মানুষ করি। সমান অধিকার দেই। তারা যখন বড় হবে তখন দেখা যাবে একইভাবে বড় হচ্ছে। তখন কিন্তু ছেলেটির মধ্যে ওই মন-মানসিকতাটা তৈরি হবে না। মেয়েদের প্রতি সমতা এবং শ্রদ্ধার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে। এটা তখনই আসবে যখন আমরা একদম প্রথম থেকে শুরু করবো। নারী দিবসে নারীদের জন্য  মেসেজ থাকবে, নারীকে বাধা পেলে থেমে যাওয়া যাবে না। নতুন করে মনের শক্তি যুগিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে শুরু করতে হবে। এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.