সংবাদ শিরোনাম
১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ  » «   চার মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব রদবদল  » «   কৃষক বাঁচাতে চাল আমদানি বন্ধ হচ্ছে  » «   জঙ্গী-সন্ত্রাস ও মাদকের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে দেশবাসীর দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   আগামী ২৮ মে সরকারি চাকুরেদের বেতন-ভাতা  » «   যৌনহয়রানি রোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘অভিযোগ বক্স’ বসানোর নির্দেশ  » «   চুরি করে অন্য দেশের অধিবাসী,দায় পরে বাংলাদেশি প্রবাসীদের ঘাড়ে  » «   মেয়েকে বাঁচাতে দিনমজুর বাবার আবেদন  » «   প্রথম সন্তানের জন্ম দিলেই মায়েরা পাবেন নগদ টাকা  » «   মানুষের চোখে ৫৭৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা শক্তি!  » «   মৃত্যুর কথা আগাম টের পান যে তরুণী!  » «   আবারও প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন মোদি, বুথফেরত জরিপ  » «   পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারে পাড়ি দিলেন অভিনেত্রী মায়া ঘোষ  » «   কুলাউড়ায় প্রতিপক্ষের ওপর হামলা,দুই নারীসহ আহত ৩  » «   সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বর থেকে ভূয়া আইনজীবী আটক  » «  

সমতার মানসিকতা পরিবার থেকে তৈরি করতে হবে

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::সফল রন্ধনশিল্পী আফরোজা নাজনীন সুমি মনে করেন নারী-পুরুষের সমতার যে মানসিকতা তার শুরুটা পরিবার থেকে করতে হবে। পরিবারে ছেলে এবং  মেয়ে সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা বুঝতে পারে নিজেদের মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। এবং তাদের বেড়ে উঠাটা যদি বৈষম্যহীন হয় তাহলে পরিণত বয়সে সমতার ধারণা অটুট থাকবে। তিনি বলেন, আমরা হয়তো উপস্থাপন করি সমান অধিকার দেয়া হচ্ছে। এটা আসলেই সত্য নয়।

হয়তো দু-একটি পরিবারে আছে। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সমতা নেই। আমরা যখন কোথাও কাজ করতে যাই তখন আমরা চাই যে সমানভাবে করতে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেখা যায় যে, একটি মেয়েকে বাড়ির সমস্ত কাজ করে তারপর অফিসে যেতে হচ্ছে।

স্বামী সরাসরি অফিসে চলে যাচ্ছে। তার নাস্তাটা পর্যন্ত স্ত্রী তৈরি করে দিচ্ছে। তার মানে দাঁড়ায় নারী নিজের কাজ, সন্তানের কাজ করে এরপরে যাচ্ছে। এমনকি অফিস থেকে ফিরেও কিন্তু রাতের খাবারটা  তৈরি করতে হচ্ছে। স্বামী অফিস থেকে ফিরলে তাকে চা দিতে হবে। সবকিছু কিন্তু তাকেই করতে হচ্ছে। দুজনেই কিন্তু চাকরি করছে। সমতা কিন্তু হচ্ছে না। তিনি বলেন, মনের দিক থেকে বলতে গেলে বলতে হয়, অনেক ছেলেমানুষ আছে যারা হয়তো বলছে যে, আমরা সমতা চাই। হয়তো তারা মুখে বলে কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে তারা সেটা করে না।

কাজেই আমি বলবো যে, আমরা প্রত্যেকটি মা যদি ছোটবেলা থেকে সন্তানকে বড় করার সময় এই শিক্ষাটা দিয়ে বড় করি। পরিবারে আমার ছেলে এবং মেয়েকে যদি সমানভাবে মানুষ করি। সমান অধিকার দেই। তারা যখন বড় হবে তখন দেখা যাবে একইভাবে বড় হচ্ছে। তখন কিন্তু ছেলেটির মধ্যে ওই মন-মানসিকতাটা তৈরি হবে না। মেয়েদের প্রতি সমতা এবং শ্রদ্ধার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে। এটা তখনই আসবে যখন আমরা একদম প্রথম থেকে শুরু করবো। নারী দিবসে নারীদের জন্য  মেসেজ থাকবে, নারীকে বাধা পেলে থেমে যাওয়া যাবে না। নতুন করে মনের শক্তি যুগিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে শুরু করতে হবে। এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.