সংবাদ শিরোনাম
নগরীর বেশ কিছু এলাকায় আগামীকাল বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে  » «   লাইবেরিয়ায় কোরআন শিক্ষার স্কুলে অগ্নিকাণ্ডে ২৬ শিক্ষার্থী ও ২ শিক্ষক নিহত  » «   বৈধ কর্মীদেরও ফেরত পাঠাচ্ছে সৌদি আরব: তিন দিনে ফিরেছেন ৩৮৯ জন  » «   জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে শুক্রবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   বাংলাদেশের ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই বাংলা পড়তে পারে না!  » «   ভয়ঙ্কররূপে ধেয়ে আসছে হামবার্তো  » «   আটকের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন রোহিঙ্গা যুবক নিহত  » «   ২৭ বছর পর ছাত্রদলের নয়া কমিটি:খোকন সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল  » «   কুলাউড়ায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় স্কুল ছাত্রীকে মারধর”অভিযুক্ত পলাতক  » «   ছাতকে কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগে আটক ১  » «   নগরীর গোয়াবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, অটোরিকশা জব্দ  » «   সিলেটের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২২ জুয়াড়িকে আটক করেছে র‌্যাব-৯  » «   নগরীর তালতলা থেকে ইয়াবাসহ যুবক আটক  » «   নিজেকে নির্দোষ দাবি করছেন মুমিন  » «   নগরীতে কাগজপত্রবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশের অভিযান  » «  

সমতার মানসিকতা পরিবার থেকে তৈরি করতে হবে

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::সফল রন্ধনশিল্পী আফরোজা নাজনীন সুমি মনে করেন নারী-পুরুষের সমতার যে মানসিকতা তার শুরুটা পরিবার থেকে করতে হবে। পরিবারে ছেলে এবং  মেয়ে সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা বুঝতে পারে নিজেদের মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। এবং তাদের বেড়ে উঠাটা যদি বৈষম্যহীন হয় তাহলে পরিণত বয়সে সমতার ধারণা অটুট থাকবে। তিনি বলেন, আমরা হয়তো উপস্থাপন করি সমান অধিকার দেয়া হচ্ছে। এটা আসলেই সত্য নয়।

হয়তো দু-একটি পরিবারে আছে। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সমতা নেই। আমরা যখন কোথাও কাজ করতে যাই তখন আমরা চাই যে সমানভাবে করতে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেখা যায় যে, একটি মেয়েকে বাড়ির সমস্ত কাজ করে তারপর অফিসে যেতে হচ্ছে।

স্বামী সরাসরি অফিসে চলে যাচ্ছে। তার নাস্তাটা পর্যন্ত স্ত্রী তৈরি করে দিচ্ছে। তার মানে দাঁড়ায় নারী নিজের কাজ, সন্তানের কাজ করে এরপরে যাচ্ছে। এমনকি অফিস থেকে ফিরেও কিন্তু রাতের খাবারটা  তৈরি করতে হচ্ছে। স্বামী অফিস থেকে ফিরলে তাকে চা দিতে হবে। সবকিছু কিন্তু তাকেই করতে হচ্ছে। দুজনেই কিন্তু চাকরি করছে। সমতা কিন্তু হচ্ছে না। তিনি বলেন, মনের দিক থেকে বলতে গেলে বলতে হয়, অনেক ছেলেমানুষ আছে যারা হয়তো বলছে যে, আমরা সমতা চাই। হয়তো তারা মুখে বলে কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে তারা সেটা করে না।

কাজেই আমি বলবো যে, আমরা প্রত্যেকটি মা যদি ছোটবেলা থেকে সন্তানকে বড় করার সময় এই শিক্ষাটা দিয়ে বড় করি। পরিবারে আমার ছেলে এবং মেয়েকে যদি সমানভাবে মানুষ করি। সমান অধিকার দেই। তারা যখন বড় হবে তখন দেখা যাবে একইভাবে বড় হচ্ছে। তখন কিন্তু ছেলেটির মধ্যে ওই মন-মানসিকতাটা তৈরি হবে না। মেয়েদের প্রতি সমতা এবং শ্রদ্ধার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে। এটা তখনই আসবে যখন আমরা একদম প্রথম থেকে শুরু করবো। নারী দিবসে নারীদের জন্য  মেসেজ থাকবে, নারীকে বাধা পেলে থেমে যাওয়া যাবে না। নতুন করে মনের শক্তি যুগিয়ে দ্বিগুণ উদ্যমে শুরু করতে হবে। এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.