সংবাদ শিরোনাম
হজ নিবন্ধন শেষ হলেও কোটা পূরণ হয়নি  » «   পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগ  » «   পুলিশের বাড়িতে বিষের শিশি নিয়ে তরুণীর অবস্থান  » «   অস্বাভাবিক কিছু দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান: প্রধানমন্ত্রী  » «   দক্ষিণ সুরমার বদিকোনা মাঠে ইজতেমা হচ্ছে না আজ  » «   সিলেট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা সোমবার  » «   আসামে ৮ বাংলাদেশি তরুণ আটক  » «   দেশবাসীকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  » «   ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে খালেদার মুক্তির দাবী  » «   মানুষের সঙ্গে গরিলার সেলফি!  » «   দুর্ঘটনায় জ্ঞান হারানোর ২৭ বছর পর কোমা থেকে জেগে উঠলেন নারী!  » «   ১১ বছর ধরে সাঁতরে অফিসে যান তিনি!  » «   মোবাইল চুরির অভিযোগে সাংবাদিকদের আটকে রাখলেন শমী কায়সার  » «   বিয়ানীবাজারে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  » «   সিলেটে চাঁদাবাজ চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার  » «  

স্মার্টকার্ড বিতরণ নিয়ে অবৈধ ব্যবসা বন্ধে ইসির নির্দেশনা

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::স্মার্টকার্ড বিতরণকে কেন্দ্রে করে বহিরাগতরা অবৈধ ব্যবসা শুরু করেছে উল্লেখ করে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

 

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সব জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও র্যাকবের কোম্পানি কমান্ডের কাছে পাঠানো হয়।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মাঠ পর্যায়ে পেপার লেমিনেটেড ও স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম প্রসঙ্গে নির্দেশনায় বলা হয়, দেশব্যাপী স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভোটাররা তার আগের পেপার লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র ফেরত দিয়ে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন। যদি কোনো ভোটার পেপার লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে ফেলেন তবে তিনি ৩৪৫ টাকা ফি সোনালী ব্যাংকের চালান/মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমা দিয়ে স্মার্টকার্ড গ্রহণ করতে পারেন।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন প্রত্যেক ভোটারকে তার স্মার্টকার্ড দেওয়ার পাশাপাশি তা সংরক্ষণের জন্য বিনা মূল্যে একটি করে কাভারও প্রদান করে।

সেখানে আরো জানানো হয়, বর্তমানে স্মার্ট কার্ড বিতরণ কেন্দ্রের আশপাশে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় কিছু ব্যক্তি ভোটারদের বিভ্রান্ত করে স্মার্টকার্ডের কালার ফটোকপি, লেমিনেটিং এবং স্মার্টকার্ড সংরক্ষণের জন্য কাভার বিক্রির ব্যবসা শুরু করেছে।

নির্বাচন কমিশন হতে স্মার্টকার্ড সংরক্ষণের জন্য প্রত্যেক ভোটারকে একটি করে কাভার দেওয়া হলেও অসাধু চক্র ভোটারদের ভুল বুঝিয়ে তা তাদের কাছ থেকে নতুন একটি কিনতে করতে বাধ্য করছে। তা ছাড়া স্মার্ট কার্ড যেন হারিয়ে না যায় সে জন্য কালার ফটোকপি করে তা লেমিনেটিং করে ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে এবং করতে বাধ্য করছে।

এ ছাড়াও কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে আনুষঙ্গিক অন্যান্য ব্যবসা শুরু হয়েছে। বহিরাগতদের এহেন অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায় নির্বাচন কমিশনের ওপর বর্তাচ্ছে, ভোটারদের মাঝে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হচ্ছে এবং নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না ‍উল্লেখ করা হয় ওই নির্দেশনায়।

স্মার্টকার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে বহিরাগতদের এমন অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হয় ওই নির্দেশনায়।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.