সংবাদ শিরোনাম
তাহিরপুর সীমান্তে ভারতীয় গোলকাঠ উদ্বার  » «   সিলেটে ৩ জন চিকিৎসকসহ নতুন করে ১৩ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত  » «   জেলা তথ্য অফিসের উপ পরিচালক মিলি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত  » «   খাদিমনগর ইউনিয়নে চুরি হওয়া গরুসহ দুই চোর আটক  » «   মেয়র আরিফের রোগমুক্তি কামনায় মহানগর  ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের দোয়া  » «   আল্লামা শফীর জানাজা সম্পন্ন, লাখো মানুষের ঢল  » «   মৃত ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষিকাকে বদলি  » «   সাবেক মেয়র কামরানের ছোট ভাই বখতিয়ার আহমদ কানিছ আর নেই  » «   যে কেউ পাবে না আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র  » «   ইউএনও ওয়াহিদা ও তার স্বামীকে বদলি  » «   দক্ষিণ সুরমায় নারীকে মারধরের অভিযোগে ট্রাভেলস ব্যবসায়ী গ্রেফতার  » «   দৌড়বিদ-সাইক্লিস্ট ও সাঁতারুদের পদচারণায় মুখরিত ওসমানীনগর  » «   মহানগর পুলিশের অভিযানে গণধর্ষণ মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার  » «   সিলেটে বঞ্চিত আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল  » «   সিলেট জেলা আ.লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইমরান আহমদকে দেখতে চায় এলাকাবাসী  » «  

সুনামগঞ্জের বিভিন্ন সীমান্তপথে ভারত থেকে আসা প্রায় ৩ কোটি টাকার কয়লা ও চুনাপাথর জব্দ

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::সুনামগঞ্জের তাহিরপুরসহ বিভিন্ন সীমান্তপথে বিনাশুল্কে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে নিয়ে আসা সোয়া ৩ লাখ কেজি ভারতীয় কয়লা ও সাড়ে ৩ হাজার ঘনফুট চুনাপাথর জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ (বিজিবি)।

জব্দকৃত কয়লা ও চুনাপাথরসহ চোরাই মালামালের মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল মাকসুদুল আলম জানান, জেলার তাহিরপুরসহ বিভিন্ন সীমান্ত পথে বিনাশুল্কে চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে নিয়ে আসা ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর থেকে চলতি বছর ২০১৯ সালের ১০ এপ্রিল বুধবার পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৯২০ কেজি কয়লা জব্দ করা হয়। একই সময়ে ৩ হাজার ৪০৯ ঘনফুট চুনাপাথর জব্দ করা হয়।

জেলার তাহিরপুর সীমান্তের লাউড়েরগড়, চাঁনপুর, টেকেরঘাট, বালিয়াঘাট, চারাগাও ও বীরেন্দ্রনগর বিওপির বিজিবির আওতাভুক্ত সীমান্ত পথ ব্যবহার করে চোরাচালানের মাধ্যমে একাধিক চোরাচালানী চক্র ওই সব কয়লা ও চুনাপাথর নিয়ে আসে।

জব্দকৃত এসব কয়লা চুনাপাথরসহ চোরাই মালামালের মূল্য প্রায় ২ কোটি ৯৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪২৩ টাকা।

তিনি আরও বলেন, চোরাচালানের মাধ্যমে নিয়ে আসা কয়লা-চুনাপাথরসহ জব্দকৃত চোরাই মালামালের বিপরীতে ওই সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে ৪৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

মামলাগুলোর মধ্যে চোরাই মালামালের মালিকসহ ২৪টি ও মালিকবিহীন অবস্থায় ৪১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এসব মামলায় তাৎক্ষণিক সময়ে ১৬ জন আসামিকে আটকের পর থানা পুলিশের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এছাড়াও ওই সব মামলায় এখনো পলাতক রয়েছে ১৫ জন আসামি।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.