সংবাদ শিরোনাম
হজ নিবন্ধন শেষ হলেও কোটা পূরণ হয়নি  » «   পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগ  » «   পুলিশের বাড়িতে বিষের শিশি নিয়ে তরুণীর অবস্থান  » «   অস্বাভাবিক কিছু দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান: প্রধানমন্ত্রী  » «   দক্ষিণ সুরমার বদিকোনা মাঠে ইজতেমা হচ্ছে না আজ  » «   সিলেট জেলা বিএনপির আলোচনা সভা সোমবার  » «   আসামে ৮ বাংলাদেশি তরুণ আটক  » «   দেশবাসীকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  » «   ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে খালেদার মুক্তির দাবী  » «   মানুষের সঙ্গে গরিলার সেলফি!  » «   দুর্ঘটনায় জ্ঞান হারানোর ২৭ বছর পর কোমা থেকে জেগে উঠলেন নারী!  » «   ১১ বছর ধরে সাঁতরে অফিসে যান তিনি!  » «   মোবাইল চুরির অভিযোগে সাংবাদিকদের আটকে রাখলেন শমী কায়সার  » «   বিয়ানীবাজারে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  » «   সিলেটে চাঁদাবাজ চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার  » «  

ফেনীর সোনাগাজীর নুসরাত হত্যায় ছাত্রলীগ নেতা শামীম গ্রেফতার

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার আসামি শাহাদাত হোসেন শামীমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন ফেনী পিবিআই’র অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতারের পর শামীমকে ফেনীতে আনা হচ্ছে।

শামীম সোনাগাজী ইসলামীয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্রলীগের সভাপতি। নুসরাত হত্যার প্রধান আসামি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার নিজস্ব বলয়ের অন্যতম সদস্য তিনি। হত্যাকাণ্ডে জড়িত এই যুবক ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন।

এর আগে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার আরেক ঘনিষ্ঠ নুর উদ্দিনকেও ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

আর রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে গ্রেফতার হন মামলার আরেক আসামি সোনাগাজী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুল আলম।

নুসরাতের ভাই নোমানের দায়ের করা মামলার নামীয় আসামিরা হলেন- অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ দৌলা, পৌর কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, প্রভাষক আবছার উদ্দিন, মাদ্রাসা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শামীম, সাবেক ছাত্র নুর উদ্দিন, জাবেদ হোসেন, জোবায়ের আহম্মদ ও হাফেজ আবদুল কাদের।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা, মাদ্রাসার ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক আবছার উদ্দিন, নুসরাতের সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, নুর হোসেন, কেফায়াত উল্যাহ জনি, নুসরাতের সহপাঠী ও অধ্যক্ষের ভাগ্নি উম্মে সুলতানা পপি এবং আরেক শিক্ষার্থী জোবায়ের আহমেদ গ্রেফতারের পর রিমান্ডে আছেন।

এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখন পলাতক রয়েছেন শুধু হাফেজ আবদুল কাদের।

প্রসঙ্গত, নুসরাত জাহান রাফি সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিমের পরীক্ষার্থী ছিলেন। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে এর আগেও ওই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে।

নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে ২৭ মার্চ সোনাগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে নুসরাতের পরিবারকে হুমকি দেয়া হচ্ছিল।

এরই মধ্যে গত ৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে আলিম পর্যায়ের আরবি প্রথমপত্রের পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে যান নুসরাত। এ সময় তাকে কৌশলে একটি বহুতল ভবনে ডেকে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সেখানে তার গায়ে দাহ্য পদার্থ দিয়ে আগুন দেয়া হয়।

গত ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টায় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন নুসরাত মারা যান। নুসরাতের গায়ে আগুন দেয়ার ঘটনার পর গত ৮ এপ্রিল তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে সোনাগাজী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর ১০)।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.