সংবাদ শিরোনাম
মাহমুদুলের সহকারী থেকে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি   » «   তামাবিল স্থলবন্দরে কাষ্টমস এসির সাথে ব্যবসায়ী নেতাদের সভা  » «   জগন্নাথপুরে নতুন করে এক পরিবারের ৪ জন সহ ৫ জন  করোনা আক্রান্ত: মোট আক্রান্ত ১৭  » «   চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছেন বন্দরবাজারের এক ব্যবসায়ী  » «   মাধবপুরে বিজিবির অভিযানে গাঁজাসহ আটক ৩  » «   শ্রীমঙ্গলে মা-মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যু  » «   সিলেটে করোনার ভয়ঙ্কর থাবা : একদিনে আক্রান্ত ৮৬, মৃত্যু ৩  » «   ছাতকে করোনা আক্রান্ত হয়ে এক মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু,এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ২  » «   বীর মুক্তিযোদ্ধা কবির আহমদ মোশনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ  » «   গোয়াইনঘাটে এক শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত: মোট আক্রান্ত ৯  » «   বিক্ষোভ অব্যাহত রাখতে ও পুলিশে সংস্কারের আহ্বান ওবামার  » «   কিছু মানুষ আছে যারা কখনোই করোনায় আক্রান্ত হবেন না!  » «   করোনা পরিস্থিতিতে মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়েছে গর্ভবতীদের: এখন গর্ভধারণ না করার পরামর্শ  » «   উষ্ণতায় বেড়েছে বজ্রপাত সিলেট সহ সারাদেশে এক দিনেই নিহত ১২  » «   ব্যাংকে টাকা জমার খরচ বাড়ছে  » «  

চাষ করা মাছে বাড়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::প্রক্রিয়াজাত মাংস এবং চাষ করা মাছের মতো এমন অনেক খাবার আছে যা সহজলভ্য হলেও আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এখন আমরা যে মাছ খাই তার অর্ধেকেরও বেশি চাষ করা। আসুন জেনে নেই যে ৮ খাবারে বাড়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি।
১. প্রক্রিয়াজাত মাংস
আমেরিকার ‘ইউনিভার্সিটি অফ হাওয়াই’য়ের তত্ত্বাবধানে হওয়া এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রক্রিয়াজাত মাংস অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ৬৭ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। আসলে এমন ধরনের খাবারে এমন কিছু রাসায়নিক পদার্থ থাকে যেগুলি ‘কারসিনোজেন’। অর্থাৎ এক প্রকার বিষ, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
২. চাষ করা মাছ
বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা মাছ অত্যন্ত অবৈজ্ঞানিকভাবে বড় করা হয়। সেই সঙ্গে চাষের সময় মাছের নানাবিধ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও পরজীবিদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে নানা ধরনের জীবণুরোধকারী ওষুধ, কীটনাশক ও অন্যান্য ‘কারসিনোজেনিক’ রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়। ফলে এই ধরনের মাছ খেলে শরীরে ওইসব কার্সিনোজেনিক উপাদানের মাত্রাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
৩. লবন বেশি রয়েছে এমন খাবার এবং স্মোক ফুড
এই ধরনের খাবারে প্রচুর মাত্রায় প্রিজারভেটিভ, যেমন, ‘নাইট্রেইট’ থাকে। দীর্ঘদিন এসব খাবার খেলে শরীরে প্রিজারভেটিভের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে একসময় গিয়ে এই বিষাক্ত উপাদানগুলো কোষের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং ক্রমেই ক্যান্সার রোগের প্রথকে প্রশস্থ করে।
৪. ক্যানড ফুড
টিনজাত খাবারকে দীর্ঘদিন তাজা রাখতে এমন কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়।
৫. আলুর চিপস
‌হাইড্রোজেনেইটেড ভেজিটেবল অয়েল এ ভাজা এই সব চিপসে প্রচুর মাত্রায় লবণ থাকে, যা ওজন বৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করে। সেই সঙ্গে আরও সব মরণ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।
৬. মাইক্রোওয়েভ তৈরি পপকর্ন
খাবারটি বানানোর পদ্ধতি, সব কিছুই এতো অবৈজ্ঞানিক যে এমন খাবার খেলে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
৭. পরিশোধিত সাদা আটা
আটাকে যখন পরিশোধিত করা হয় তখন প্রায় তার সব পুষ্টিগুণই নষ্ট হয়ে যায়। পরে একে ক্লোরিন গ্যাসের সাহায্যে ব্লিচ করা হয়, যাতে ক্রেতার চোখে আকর্ষণীয় লাগে।
৮. সোডা বা কোল্ড ড্রিঙ্ক
গত দশক ধরে একাদিক গবেষণা হয়েছে এর উপর। সবকটিতেই দেখা গেছে এমন পানীয়তে হাই ফ্রকটোস কর্ন সিরাপ, নানাবিধ কেমিক্যাল এবং ডাই থাকে, যা শরীররে অন্দরে মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি করে। তাই একথা বলা যেতে পারেই যে, এমন ঠান্ডা পানীয় খাওয়া প্রায় বিষ খাওয়ারই সমান।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.