সংবাদ শিরোনাম
মধু ও কালোজিরায় করোনা থেকে যেভাবে সুস্থ হলাম: গভর্নর  » «   বিশ্বনবীর মিম্বর থেকে করোনা নিয়ে যা বললেন শাইখ সুদাইস  » «   জাফলংয়ে সাড়ে ৮শ’ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ  » «   জাফলংয়ে অসহায় মানুষের পাশে ট্যুরিস্ট পুলিশ  » «   নিউইয়র্কে করোনায় বাংলাদেশ সোসাইটির নেতার মৃত্যু  » «   করোনা: আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ লাখ ও মৃত্যু ৭৪ হাজার ছাড়িয়েছে  » «   শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এক নারীর মৃত্যু  » «   করোনা ভাইরাস : ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের পাইলট এখন ডেলিভারি ভ্যানের চালক  » «   ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আইসিইউতে  » «   করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্স আজ  » «   এবার করোনায় আক্রান্ত বাঘ  » «   যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘন্টায় আরও ১২০০ জনের মৃত্যু  » «   ছোট অপরাধীদের মুক্তি দিতে চায় সরকার  » «   সিলেটে করোনা আক্রান্ত ডাক্তারের অবস্হা উন্নতির দিকে  » «   নাজির বাজারে স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে স্কুল শিক্ষিকার মৃত্যু  » «  

ক্যান্সারে কেমোথেরাপির চেয়ে শক্তিশালী এই ফল!

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::শুধু ফলই নয়, এই গাছের ছাল ও পাতায় লিভার সমস্যা, আর্থরাইটিস ও প্রস্টেটের সমস্যায়ও নিরাময় হয়ে যায়।

ক্যান্সারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি অন্যতম। এই চিকিৎসা চলাকালীন ক্যান্সার রোগীর গায়ের সব লোম উঠে যায়। একই সঙ্গে শরীরও দুর্বল হয়ে যায়। জানেন কি, এমন গাছ আছে, যার ফল কেমোথেরাপির চেয়ে ১০ হাজার গুণ শক্তিশালী? অথচ কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। ফলটির নাম করোসল।

করোসল অ্যানোনা মিউরিকাটা গোত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধক। বাংলাদেশের নীলফামারির খড়িবাড়ি গ্রামে ফলন শুরু হয়েছে এই গাছের। বিভিন্ন দেশ ঘুরে চারা সংগ্রহ করে নিয়ে এসে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা তাঁর বাগানে এই গাছ লাগান।

সেই গাছে ফলও ধরেছে। ক্যান্সার রোধে করোসলের উপকারিতা পৃথিবীর বহু দেশেই প্রমাণিত। এই ফলের অন্য নামগুলি হল, গ্র্যাভিওলা, সোরসপ, গুয়ানাভা ও ব্রাজিলিয়ান পাও পাও। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ফলের এতটাই গুণ, এই ফল খেলে ক্যান্সাররোগীর কেমোথেরাপির প্রয়োজন হয় না। শরীরও চাঙ্গা থাকে, দুর্বল ভাব আসে না।

মূলত, আমাজন নদীর উপত্যকা- দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলিতে করোসল প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। শুধু ফলই নয়, এই গাছের ছাল ও পাতায় লিভার সমস্যা, আর্থরাইটিস ও প্রস্টেটের সমস্যায়ও নিরাময় হয়ে যায়।

কিভাবে কাজ করে করোসল?

করোসল গাছে রয়েছে অ্যানোনাসিয়াস অ্যাস্টোজেনিন নামে এক ধরনের যৌগ। এই যৌগ ক্যান্সারের কোষের বৃদ্ধি রুখে দেয়, যা কেমোথেরাপি করে।ফলে ক্যান্সার কোষ আর বাড়তে পারে না। এছাড়া নিয়মিত এই ফল খেতে পারলে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা বেড়ে যায়। রক্তকে শোধিত করতেও এই ফলের গুণ অনস্বীকার্য।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.