সংবাদ শিরোনাম
জীবন বাজি রেখে নগরবাসীকে দেওয়া ওয়াদা পূর্ণ করবো-উচ্ছেদ অভিযান শেষে মেয়র আরিফ  » «   জৈন্তাপুরে কলেজছাত্রীর উপর স্প্রে নিক্ষেপ, আটক ১  » «   ফাঁসির মঞ্চে জহ্লাদকে চমকে দিয়েছিল ক্ষুদিরামের কথা! কি এমন কথা বলেছিলেন ক্ষুদিরাম?  » «   ধর্ষণের শিকার বিদেশ ফেরত দুই সন্তানের জননীর করুণ কাহিনী  » «   লুকিয়ে বিয়ে করতে গিয়ে…  » «   তীব্র গরমে একদিনে ৪০ জনের মৃত্যু  » «   সংসদে যাওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন তারেক রহমান  » «   নুসরাতের কবরে গিয়ে শপথ নিয়েছিলাম ন্যায়বিচারে লড়বো: ব্যারিস্টার সুমন  » «   রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা!  » «   ডিআইজি মিজান কি দুদকের চেয়েও শক্তিশালী : আপিল বিভাগ  » «   ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেফতার  » «   সোহেল তাজের ভাগ্নেকে প্রেমের জেরে অপহরণের অভিযোগ  » «   ১৩ বছর বয়সে আটক মুর্তজার মৃত্যুদণ্ড বাতিল করছে সৌদি আরব!  » «   বাসায় আটকে দেহব্যবসা, কান্না শুনে ২ নারীকে উদ্ধার  » «   এখনও অনেক কিছু বাকি :মেসি  » «  

রোজাদার বাচ্চারা কী খাবে?

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::চলছে পবিত্র রমজান মাস। প্রতিটি মুসলমান এর জন্যই রোজা ফরজ। এ তালিকা থেকে কিন্তু বাদ দেয়া যায় না বালক-বালিকা, কিশোর-কিশোরীদেরও। অনেক শিশুই আছে যারা দশ বছরের পর থেকে রোজা করতে শুরু করে।
বাড়ন্ত বাচ্চাদের রোজায় খাবার তালিকা হতে হবে সুষম খাবার তালিকা। বাড়ন্ত বাচ্চাদের রোজায় কোন খাদ্য উপাদানের ঘাটতি যেন না হয় সে দিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে।
ইফতারিতে বাড়ন্ত বাচ্চাদের যা খাওয়া উচিৎ:
লেবুর শরবত, বাসায় তৈরি যেকোন পছন্দসই ফলের রস, ডিম বা ডিমের তৈরি খাবার যেমন পুডিং, কেক, প্যানকেক, ডিমের চপ ইত্যাদি। এর সাথে নিতে পারে বাসায় তৈরি হালিম, ছোলা-মুড়ি, ২/৩টা পেঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ ইত্যাদি।
রাতের খাবার:
অবশ্যই রাখতে হবে ভাত, মাছ, মাংস, সবজি, ডাল ইত্যাদি।
যদি ভাত খেতে ভাল না লাগে তাহলে মাঝে মাঝে বাসায় তৈরি তান্দুরি চিকেন বা নরমাল মুরগির মাংস, রুটি বা তান্দুরি রুটি, সালাদ ইত্যাদি রাতের খাবারে রাখা যায়।
রাতে শোবার আগে এক গ্লাস দুধ বা দই খেয়ে নিতে হবে।
সেহেরিতে বাচ্চাকে কী দেবেন:
ভাত, মাছ/মাংস, সবজি, ডাল ইত্যাদি নিতে হবে। নরমাল ভাত অনেক বাচ্চারা খেতে পছন্দ করে না সেক্ষেত্রে তাকে ভাত ডিম বা মাংস এবং সবজি দিয়ে ভাত ভাজি করে দেয়া যায়।
লক্ষ্য রাখুন:
ইফতারের পর থেকে রাতে শোবার আগ পর্যন্ত প্রতি ঘন্টায় এক গ্লাস পানি খেতে হবে।
খাবারে লবণ কম খেতে হবে এবং লবণাক্ত খাবারও কম খেতে হবে।
যেসব বাড়ন্ত বাচ্চাদের ওজন বেশি তাদের তেলে ভাজা খাবার এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
মাহফুজা নাসরীন (শম্পা)
ক্লিনিক্যাল ডায়টেশিয়ান
ইমপালস্ হসপিটাল, তেজগাঁও, ঢাকা

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.