সংবাদ শিরোনাম
জৈন্তাপুরে ইয়াবাসহ ১ নারী আটক তার সাথে থাকা আরো তিন ইয়াবা ব্যবসায়ী পলাতক  » «   সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার হাওর থেকে নিখোঁজ এক যুবকের লাশ উদ্ধার  » «   জগন্নাথপুরে হাওর থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার  » «   জগন্নাথপুরে আরো ১জন স্বাস্থ্যকর্মী সহ ২জন করোনায় আক্রান্ত: মোট আক্রান্ত ৯১  » «   সুনামগঞ্জে একদল তরুণদের উদ্যোগে মানসিক ও প্রতিবন্ধীদের মধ্যে খাবার বিতরণ জেলা প্রশাসকের    » «   কানাইঘাটে নিখোজের ১৪ দিন পর জামাল উদ্ধার  » «   এম. এ. হক যে কোন দুর্যোগ মুহুর্তে জাতির সেবায় নিয়োজিত ছিলেন: এড. আব্দুর রকিব  » «   এম এ হকের প্রথম জানাযা সম্পন্ন  » «   এম. এ. হকের মৃত্যুতে সিলেট মহানগর যুবলীগের শোক  » «   এম. এ. হকের মৃত্যুতে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের শোক  » «   এম. এ. হকের মৃত্যুতে সিলেট মহানগর বিএনপির শোক  » «   এম এ হকের মৃত্যুতে মিজান চৌধুরীর শোক  » «   মারা গেলেন সিলেট মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এম এ হক  » «   সমালোচনার মুখে ফেয়ার এন্ড লাভলীর নাম পরিবর্তন করা হলো  » «   ফিরলো কফি হাউসের সেই আড্ডা  » «  

রোজাদার বাচ্চারা কী খাবে?

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::চলছে পবিত্র রমজান মাস। প্রতিটি মুসলমান এর জন্যই রোজা ফরজ। এ তালিকা থেকে কিন্তু বাদ দেয়া যায় না বালক-বালিকা, কিশোর-কিশোরীদেরও। অনেক শিশুই আছে যারা দশ বছরের পর থেকে রোজা করতে শুরু করে।
বাড়ন্ত বাচ্চাদের রোজায় খাবার তালিকা হতে হবে সুষম খাবার তালিকা। বাড়ন্ত বাচ্চাদের রোজায় কোন খাদ্য উপাদানের ঘাটতি যেন না হয় সে দিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে।
ইফতারিতে বাড়ন্ত বাচ্চাদের যা খাওয়া উচিৎ:
লেবুর শরবত, বাসায় তৈরি যেকোন পছন্দসই ফলের রস, ডিম বা ডিমের তৈরি খাবার যেমন পুডিং, কেক, প্যানকেক, ডিমের চপ ইত্যাদি। এর সাথে নিতে পারে বাসায় তৈরি হালিম, ছোলা-মুড়ি, ২/৩টা পেঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ ইত্যাদি।
রাতের খাবার:
অবশ্যই রাখতে হবে ভাত, মাছ, মাংস, সবজি, ডাল ইত্যাদি।
যদি ভাত খেতে ভাল না লাগে তাহলে মাঝে মাঝে বাসায় তৈরি তান্দুরি চিকেন বা নরমাল মুরগির মাংস, রুটি বা তান্দুরি রুটি, সালাদ ইত্যাদি রাতের খাবারে রাখা যায়।
রাতে শোবার আগে এক গ্লাস দুধ বা দই খেয়ে নিতে হবে।
সেহেরিতে বাচ্চাকে কী দেবেন:
ভাত, মাছ/মাংস, সবজি, ডাল ইত্যাদি নিতে হবে। নরমাল ভাত অনেক বাচ্চারা খেতে পছন্দ করে না সেক্ষেত্রে তাকে ভাত ডিম বা মাংস এবং সবজি দিয়ে ভাত ভাজি করে দেয়া যায়।
লক্ষ্য রাখুন:
ইফতারের পর থেকে রাতে শোবার আগ পর্যন্ত প্রতি ঘন্টায় এক গ্লাস পানি খেতে হবে।
খাবারে লবণ কম খেতে হবে এবং লবণাক্ত খাবারও কম খেতে হবে।
যেসব বাড়ন্ত বাচ্চাদের ওজন বেশি তাদের তেলে ভাজা খাবার এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
মাহফুজা নাসরীন (শম্পা)
ক্লিনিক্যাল ডায়টেশিয়ান
ইমপালস্ হসপিটাল, তেজগাঁও, ঢাকা

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.