সংবাদ শিরোনাম
পুত্রের হাতে পিতা খুন  » «   তাহিরপুর সীমান্তে ভারতীয় মালামাল আটক  » «   বড়লেখায় লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি  » «   রাজনগরে ১০ ভিক্ষুককে পুনর্বাসন  » «   হবিগঞ্জ পৌরসভার সোয়া ৮৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা  » «   মুরসির মৃত্যু স্বাভাবিক নয়: এরদোগান  » «   ফেসবুক ব্লকের শিকার হাঙ্গেরির বিশাল জনগোষ্ঠী  » «   আ.লীগের নাম ‘নিখিল বাংলাদেশ লুটপাট সমিতি’ রাখা উচিত: ফখরুল  » «   লুটপাট করে টাকার পাহাড় তৈরি করছে সরকারিদলের নেতারা: রুমিন  » «   দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি  » «   সাকিব-লিটনকে নিয়েই অস্ট্রেলিয়ার দুশ্চিন্তা  » «   ৪৫৫ উপজেলার ৩০২টিতে আ.লীগ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৯৬জন  » «   অপহরণের ১১ দিন পর আজ সোহেল তাজের ভাগ্নে সৌরভকে উদ্ধার  » «   অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫৯০ কোটি টাকা দান করলেন মার্কিন ধনকুবের  » «   দেশে ফিরছেন ভানুয়াতুতে পাচার হওয়া বাংলাদেশীরা  » «  

মেয়েকে বাঁচাতে দিনমজুর বাবার আবেদন

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলের ডি-ব্লকের ৩০৭ নম্বর ইউনিটের ৯ নম্বর বেডে চিকিৎসা চলছে রাফিকা আক্তারের। ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত ৫ বছরের এই শিশুটি দীর্ঘ প্রায় ৯ মাস ধরে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।  
রাফিকার শরীরে এখন পর্যন্ত ছয়বার কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। সবশেষ কেমোথেরাপি দেওয়ার পর তাকে হাসপাতাল থেকে সাময়িক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার শরীরে সংক্রমণ হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখন প্রতিদিন রাফিকার ওষুধ কিনতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টাকা।
রাফিকার চিকিৎসা করাতে গিয়ে তার দিনমজুর বাবা রফিকুল ইসলাম এখন নিঃস্ব। অন্যদের সহায়তায় চলছিল রাফিকার চিকিৎসা। কিন্তু সেই সাহায্যের অর্থও শেষ। মেয়েকে নিয়ে এখন তিনি ‘অকুল দরিয়ায়’।
রফিকুল ইসলাম জানান, ছোট্ট মেয়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ধার-কর্জ আর বসতভিটা বিক্রি করেছেন। মানুষও সহায়তা করেছে। এখন পর্যন্তত অন্তত ১০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে রাফিকার পেছনে। কিন্তু চিকিৎসা ব্যয় থামছে না। মেয়ের সঙ্গে থাকার কারণে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারছেন না। এখন মেয়ের প্রতিদিনের চিকিৎসা খরচ প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে পড়েছেন বিপদে। ছোট্ট মেয়েকে বাঁচাতে তাই হৃদয়বানদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি এবং অনকোলজি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে শিশু রাফিকার।
রাফিকা আক্তারের বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার হুলাশুগঞ্জের করিমপুর গ্রামে। তার বাবা রফিকুল ইসলাম একজন দিনমজুর। ট্রাক্টর চালিয়ে জীবন নির্বাহ করা রফিকুল এখন সর্বস্বান্ত।
চিকিৎসায় রাফিকা কতটুকু সুস্থ হয়েছে, জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলের আবাসিক চিকিৎসক কানিজ ফাতেমা বলেন, ‘মোটামুটি রেসপন্ড ভালোই করছে। তবে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। রাফিকার যে ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে, এ ধরনের ক্যান্সারের রোগীরা ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ রিকভারি করে।’
রাফিকার বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, গত বছরের ১১ মে রাফিকার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এখনো সেই চিকিৎসা চলছে।
রাফিকার বাবা আরও জানান, মেয়ের চিকিৎসার জন্য আত্মীয়-স্বজন শুভাকাঙ্ক্ষিরা বিভিন্নভাবে সহায়তা করছেন। না হলে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যেত। তার চিকিৎসা চালাতে আরও অর্থের দরকার। তাই যদি কোনো হৃদয়বান রাফিকার চিকিৎসার এগিয়ে আসেন তাহলে হয়তো বাঁচতে পারে ফুটফুটে এই শিশুটি।
যোগাযোগ ও সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা
মুঠোফোন ও বিকাশ নম্বর : ০১৭৫১-৪৪৬০২৭ ও ০১৩০৬৪৩২০৫২
সঞ্চয়ী ব্যাংক হিসাব : ৭১০১১২১০০০০১৮৮১, হিসাবধারীর নাম মো. রফিকুল ইসলাম, শঠিবাড়ী শাখা, মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড, রংপুর।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.