সংবাদ শিরোনাম
বাঁচা মরা তো আল্লাহর হাতে:আমার স্ত্রীর অবস্থা খুবই খারাপ-মানবতার ফেরিওয়ালা মাকসুদুল  » «   এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আজ  » «   কোমা থেকে জাগলেন করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ পাইলট  » «   করোনা প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধিদের আরও সম্পৃক্তির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  » «   লিবিয়ায় নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে আনা যাবে না  » «   জগন্নাথপুরে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল  » «   সুনামগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলা আহত ২-থানায় অভিযোগ  » «   জগন্নাথপুরে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এক নারী চিকিৎসক  » «   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে করোনার নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপন  » «   সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে ট্রলি চাপায় এক শিশুর মৃত্যু  » «   এবার ছেলের বাবা হলেন আশরাফুল  » «   মেসিকে কাটিয়ে সবচেয়ে বেশি আয় ফেদেরারের  » «   কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার জেরে যুক্তরাষ্ট্রে তুলকালাম  » «   কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা: অভিযুক্ত সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে ডিভোর্স দিচ্ছেন স্ত্রী  » «   ছেলেকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা  » «  

মেয়েকে বাঁচাতে দিনমজুর বাবার আবেদন

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলের ডি-ব্লকের ৩০৭ নম্বর ইউনিটের ৯ নম্বর বেডে চিকিৎসা চলছে রাফিকা আক্তারের। ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত ৫ বছরের এই শিশুটি দীর্ঘ প্রায় ৯ মাস ধরে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।  
রাফিকার শরীরে এখন পর্যন্ত ছয়বার কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। সবশেষ কেমোথেরাপি দেওয়ার পর তাকে হাসপাতাল থেকে সাময়িক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার শরীরে সংক্রমণ হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখন প্রতিদিন রাফিকার ওষুধ কিনতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টাকা।
রাফিকার চিকিৎসা করাতে গিয়ে তার দিনমজুর বাবা রফিকুল ইসলাম এখন নিঃস্ব। অন্যদের সহায়তায় চলছিল রাফিকার চিকিৎসা। কিন্তু সেই সাহায্যের অর্থও শেষ। মেয়েকে নিয়ে এখন তিনি ‘অকুল দরিয়ায়’।
রফিকুল ইসলাম জানান, ছোট্ট মেয়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ধার-কর্জ আর বসতভিটা বিক্রি করেছেন। মানুষও সহায়তা করেছে। এখন পর্যন্তত অন্তত ১০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে রাফিকার পেছনে। কিন্তু চিকিৎসা ব্যয় থামছে না। মেয়ের সঙ্গে থাকার কারণে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারছেন না। এখন মেয়ের প্রতিদিনের চিকিৎসা খরচ প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে পড়েছেন বিপদে। ছোট্ট মেয়েকে বাঁচাতে তাই হৃদয়বানদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি এবং অনকোলজি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে শিশু রাফিকার।
রাফিকা আক্তারের বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার হুলাশুগঞ্জের করিমপুর গ্রামে। তার বাবা রফিকুল ইসলাম একজন দিনমজুর। ট্রাক্টর চালিয়ে জীবন নির্বাহ করা রফিকুল এখন সর্বস্বান্ত।
চিকিৎসায় রাফিকা কতটুকু সুস্থ হয়েছে, জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলের আবাসিক চিকিৎসক কানিজ ফাতেমা বলেন, ‘মোটামুটি রেসপন্ড ভালোই করছে। তবে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। রাফিকার যে ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে, এ ধরনের ক্যান্সারের রোগীরা ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ রিকভারি করে।’
রাফিকার বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, গত বছরের ১১ মে রাফিকার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এখনো সেই চিকিৎসা চলছে।
রাফিকার বাবা আরও জানান, মেয়ের চিকিৎসার জন্য আত্মীয়-স্বজন শুভাকাঙ্ক্ষিরা বিভিন্নভাবে সহায়তা করছেন। না হলে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যেত। তার চিকিৎসা চালাতে আরও অর্থের দরকার। তাই যদি কোনো হৃদয়বান রাফিকার চিকিৎসার এগিয়ে আসেন তাহলে হয়তো বাঁচতে পারে ফুটফুটে এই শিশুটি।
যোগাযোগ ও সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা
মুঠোফোন ও বিকাশ নম্বর : ০১৭৫১-৪৪৬০২৭ ও ০১৩০৬৪৩২০৫২
সঞ্চয়ী ব্যাংক হিসাব : ৭১০১১২১০০০০১৮৮১, হিসাবধারীর নাম মো. রফিকুল ইসলাম, শঠিবাড়ী শাখা, মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড, রংপুর।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.