সংবাদ শিরোনাম
জীবন বাজি রেখে নগরবাসীকে দেওয়া ওয়াদা পূর্ণ করবো-উচ্ছেদ অভিযান শেষে মেয়র আরিফ  » «   জৈন্তাপুরে কলেজছাত্রীর উপর স্প্রে নিক্ষেপ, আটক ১  » «   ফাঁসির মঞ্চে জহ্লাদকে চমকে দিয়েছিল ক্ষুদিরামের কথা! কি এমন কথা বলেছিলেন ক্ষুদিরাম?  » «   ধর্ষণের শিকার বিদেশ ফেরত দুই সন্তানের জননীর করুণ কাহিনী  » «   লুকিয়ে বিয়ে করতে গিয়ে…  » «   তীব্র গরমে একদিনে ৪০ জনের মৃত্যু  » «   সংসদে যাওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন তারেক রহমান  » «   নুসরাতের কবরে গিয়ে শপথ নিয়েছিলাম ন্যায়বিচারে লড়বো: ব্যারিস্টার সুমন  » «   রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা!  » «   ডিআইজি মিজান কি দুদকের চেয়েও শক্তিশালী : আপিল বিভাগ  » «   ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেফতার  » «   সোহেল তাজের ভাগ্নেকে প্রেমের জেরে অপহরণের অভিযোগ  » «   ১৩ বছর বয়সে আটক মুর্তজার মৃত্যুদণ্ড বাতিল করছে সৌদি আরব!  » «   বাসায় আটকে দেহব্যবসা, কান্না শুনে ২ নারীকে উদ্ধার  » «   এখনও অনেক কিছু বাকি :মেসি  » «  

২০৩৩ সালে মঙ্গল অভিযানে তৈরি হচ্ছে নাসা

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::সব ঠিক থাকলে ২০২৪ সালে আবার চাঁদে পাড়ি দেবেন মহাকাশচারীরা। আর ২০৩৩ সালে মঙ্গলে। সম্প্রতি এসব তথ্য জানিয়েছে নাসা।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০৩৩ সালের মধ্যে লালগ্রহ মঙ্গলে পা ফেলা খুবই কঠিন। এজন্য মোটামুটি অসাধ্য সাধন করতে হবে বিজ্ঞানীদের।
২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর একটি নির্দেশিকায় সই করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্দেশিকার বক্তব্য ছিল এ রকম, চাঁদে ফের মানুষ পাঠানো হোক। এবং তার পরের গন্তব্য হবে মঙ্গল। সে অনুযায়ীই তৈরি হচ্ছে নাসা।
সম্প্রতি একটি সম্মেলনে নাসার অন্যতম কর্তা জিম ব্রাইডেনস্টাইন বলেন, নতুন চন্দ্রাভিযানে আমাদের দক্ষতা, ক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে। সেখানে সফল হলে পরবর্তী লক্ষ্য মঙ্গল।
হিউস্টনের জনসন স্পেস সেন্টারের অন্যতম বিশেষজ্ঞ রবার্ট হাওয়ার্ডের মতে, বিষয়টি বিজ্ঞান কিংবা প্রযুক্তিগতভাবে যত না জটিল, তার থেকেও বেশি চিন্তার বিশাল অঙ্কের খরচ। তিনি বলেন, বহু মানুষ চান সেই ‘অ্যাপেলো মোমেন্ট’-এর স্বাদ নিতে। কিন্তু তার জন্য কেনেডির মতো প্রেসিডেন্ট-ও চাই। দেশের মানুষকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে।
বিশেষজ্ঞ রবার্ট হাওয়ার্ড আরো বলেন, তবে ২০২৪-এ হয়তো নয়, ২০২৭ সাল হয়তো হয়েই যাবে। কারণটাও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। মহাকাশযানের নকশা তৈরি, তারপর যান নির্মাণ, বিভিন্ন পরীক্ষা, এসব তো রয়েইছে। চাঁদে রওয়ানা হওয়ার পরে পৌঁছতে লাগবে তিন দিন। কিন্তু মঙ্গলে পৌঁছতে লাগবে কমপক্ষে ৬ মাস। পুরো অভিযান শেষ করতে লাগবে দু’বছরেরও বেশি। এরজন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ হবে।
বিজ্ঞানীদের একাংশ অবশ্য খরচের থেকে অন্য বিষয়ে বেশি চিন্তিত। নাসার বিজ্ঞানী জুলি রবিনসন বলেন, দ্বিতীয় চিন্তা হচ্ছে, খাবার। অত দিনের জন্য খাবার ব্যবস্থা রাখতে হবে। তাছাড়া কেউ অসুস্থ হলে নিজেদের দেখভাল, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রক্রিয়া জানতে হবে। মহাকাশচারীদের পোশাকও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তেজস্ক্রিয় বিকিরণ থেকে বাঁচার মতো পোশাক চাই। এবং সর্বোপরি, টানা দু’বছর জনমানব-বর্জিত হয়ে থাকা।
২৬ মাস পরপর মঙ্গল ও পৃথিবী সবচেয়ে কাছে আসে। মঙ্গলে যাওয়ার দেওয়ার জন্য ওই সময়টাই সেরা বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
সূত্র: আনন্দবাজার

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.