সংবাদ শিরোনাম
ভোলাগঞ্জের খাগাইল নামক স্থানে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২  » «   নিজের মামলায় ফেসে কারাগারে শামীমা স্বাদীন  » «   টাকার ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে রাব্বানীর ফোনালাপ ফাঁস  » «   পুলিশকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী  » «   দ্রুত উইকেট পতনে কঠিন চাপে বাংলাদেশ  » «   ছাত্রলীগকে কলঙ্কমুক্ত করতে কাজ করবে জয়-লেখক  » «   মন্ত্রিত্ব গেলে আবার সাংবাদিকতায় আসব: ওবায়দুল কাদের  » «   ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জয়-সা. সম্পাদক লেখক  » «   ছাত্রলীগ থেকে সরিয়ে দেয়া হলো শোভন-রাব্বানীকে  » «   ছাত্রদলের নেতারা নিজেরাই মামলা করে সম্মেলন বন্ধ করেছে  » «   শোভন-রাব্বানীর ভাগ্য নির্ধারণ আজ  » «   সংবাদপত্রকর্মীদের জন্য নবম ওয়েজবোর্ড ঘোষণা  » «   আদালতে ফয়সালা করেই ছাত্রদলের কাউন্সিল : দুদু  » «   জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ধরে রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর  » «   স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন  » «  

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে যারা

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলে বড় চমক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন আবু জায়েদ রাহী, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের বিশ্ব আসরে খেলতে যাচ্ছেন তারা। এদের মতো প্রথমবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ, লিটন কুমার দাস ও মোহাম্মদ মিঠুন।
লিটন কুমার দাস
উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর থেকে উঠে এসেছেন লিটন দাস। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পরপরই ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তারা। টেস্ট ও ওয়ানডেতে পথচলা শুরু হয় ভারতের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে ২৮টি ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। ২টি হাফসেঞ্চুরি ও এক সেঞ্চুরিতে সংগ্রহ করেছেন ৫৮৪ রান। ব্যাটিং পরিসংখ্যান অবশ্য মন ভরানোর মতো নয়। তবে গেল বছর এশিয়া কাপের ফাইনালে টিম ইন্ডিয়ার বিপক্ষে ১২১ রানের অনিন্দ্যসুন্দর ইনিংস খেলে সামর্থ্যের প্রমাণ দেন তিনি। দেখিয়ে দেন, নিজের দিনে কেড়ে নিতে পারেন সব আলো। তাই সুযোগ পেয়ে গেছেন ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ২৪ বছরের ক্রিকেটার।
মোহাম্মদ মিঠুন
সম্ভাবনাময়ী ক্রিকেটারদের মধ্যে অন্যতম তিনি। একরাশ স্বপ্ন নিয়ে ২০০৬ সালে ঘরোয়া ক্রিকেটে নাম লেখান মিঠুন। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন। ২০১৪ সালে ওয়ানডে অভিষেকের পরও জাতীয় দলে থিতু হতে লেগে চার বছর। গেল বছর এশিয়া কাপ ও নিউজিল্যান্ড সফরে নিজের জাত চেনান মিঠুন। অনবদ্য ব্যাটিং শৈলী প্রদর্শন করে জাতীয় দলের নিজের স্থান পাকাপোক্ত করেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ স্কোয়াডেও সুযোগ পেলেন ২৮ বছরের মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান। জাতীয় দলের হয়ে ১৮ ম্যাচে চার হাফসেঞ্চুরিতে ৪২০ রান সংগ্রহ করেছেন তিনি।
মেহেদি হাসান মিরাজ
বাংলাদেশ ক্রিকেটে অমিত সম্ভাবনা নিয়ে আগমন ঘটে তার। ২০১৬ সালে ঘরের মাঠে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি টুর্নামেন্ট সেরা হয়ে বিসিবির নজরে পড়েন। ওই বছরই জাতীয় দলে ডাক পেয়ে যান অফস্পিনার। হোমগ্রাউন্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজে ১৯ উইকেট নিয়ে গড়েন বিশ্বরেকর্ড। এরপর পেছনে তাকাতে হয়নি মিরাজকে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালে ওয়ানডেতে অভিষেক হয়ে যায় তার। এখন পর্যন্ত ২৮টি ওয়ানডে খেলেছেন ২১ বছরের স্পিন অলরাউন্ডার। ১ ফিফটিতে করেছেন ২৯১ রান এবং ৪.৪০ ইকোনমি রেটে শিকার করেছেন ২৯ উইকেট। তাকে ভাবা হচ্ছে, আগামীর সাকিব আল হাসান এবং ভবিষ্যৎ অধিনায়ক।
মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত
আরেক সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। যথেষ্ট সামর্থ্য আছে তার। সেই সামর্থ্য তিনি প্রমাণ করেছেন সদ্য সমান্ত ত্রিদেশীয় সিরিজে। আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওই সিরিজেই তার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে বৈশ্বিক কোনো টুর্নামেন্টে প্রথম শিরোপার স্বাদ পায় বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে ওয়ানডে অভিষেক ঘটে মোসাদ্দেকের। এখন পর্যন্ত ২৬ ম্যাচ খেলে ২ ফিফটিতে ৪০৭ রান এবং ৫.০২ ইকোনমি রেটে ১১ উইকেট শিকার করেছেন তিনি।
মোস্তাফিজুর রহমান
বাংলাদেশ তথা বিশ্ব ক্রিকেটে বিস্ময় বালক হিসেবে আবির্ভূত হন মোস্তাফিজুর রহমান। ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকেই বাজিমাত করেন তিনি। তিন ম্যাচ সিরিজেই প্রথম দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে গড়েন বিশ্বরেকর্ড। আইপিএল-এ চোখ ধাঁধানো পারফরমেন্সে নামের পাশে জুড়ে যায় দ্য ফিজ। পরে ইংলিশ কাউন্টি খেলতে গিয়ে কাঁধের ইনজুরিতে পড়েন তিনি। এরপর গতি-সুইংয়ে ধার খানিকটা কমলেও এখনো প্রতিপক্ষের বুকে কাঁপন ধরাতে সিদ্ধহস্ত সাতক্ষীরার ২৩ বছর বয়সী পেসার। এখন পর্যন্ত ৪৬ ওয়ানডে খেলে ৩ বার পাঁচ উইকেটসহ মোট ৮৩ উইকেট শিকার করেছেন তিনি।
মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন
দীর্ঘদিন ধরে একজন জাত অলরাউন্ডার খুঁজছে বাংলাদেশ। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের মধ্যে সেই সম্ভাবনা দেখছেন দেশের ক্রিকেটবোদ্ধারা। ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এখন পর্যন্ত ১৩টি ওয়ানডে খেলেছেন সাইফ। ১ ফিফটিতে করেছেন ১৭৫ রান এবং শিকার করেছেন ১১ উইকেট।
আবু জায়েদ রাহী
বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সবচেয়ে বড় চমক আবু জায়েদ রাহী। ওয়ানডে অভিষেকের আগেই বিশ্বকাপ স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন তিনি। যদিও বিশ্বকাপে আগের আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজে অভিষেক হয়েছে তার। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচেই পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে তাকে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে রাখার যথার্থতা প্রমাণ করেছেন। ওয়ানডে অভিষেকের আগে গেল বছর টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি খেলেন তিনি। ৫ টেস্টে ঝুলিতে ভরেছেন ১১ উইকেট, ৩টি-টোয়েন্টিতে শিকার করেছেন ৪ উইকেট। সিলেটের ২৫ বছর বয়সী পেসারের সবচেয়ে বড় যোগ্যতা, কন্ডিশন ভেদে উইকেটের দুই দিকেই সুইং করতে পারেন তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.