সংবাদ শিরোনাম
পুত্রের হাতে পিতা খুন  » «   তাহিরপুর সীমান্তে ভারতীয় মালামাল আটক  » «   বড়লেখায় লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি  » «   রাজনগরে ১০ ভিক্ষুককে পুনর্বাসন  » «   হবিগঞ্জ পৌরসভার সোয়া ৮৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা  » «   মুরসির মৃত্যু স্বাভাবিক নয়: এরদোগান  » «   ফেসবুক ব্লকের শিকার হাঙ্গেরির বিশাল জনগোষ্ঠী  » «   আ.লীগের নাম ‘নিখিল বাংলাদেশ লুটপাট সমিতি’ রাখা উচিত: ফখরুল  » «   লুটপাট করে টাকার পাহাড় তৈরি করছে সরকারিদলের নেতারা: রুমিন  » «   দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি  » «   সাকিব-লিটনকে নিয়েই অস্ট্রেলিয়ার দুশ্চিন্তা  » «   ৪৫৫ উপজেলার ৩০২টিতে আ.লীগ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৯৬জন  » «   অপহরণের ১১ দিন পর আজ সোহেল তাজের ভাগ্নে সৌরভকে উদ্ধার  » «   অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫৯০ কোটি টাকা দান করলেন মার্কিন ধনকুবের  » «   দেশে ফিরছেন ভানুয়াতুতে পাচার হওয়া বাংলাদেশীরা  » «  

যে গ্রামে বর নয়, পাগড়ি পরে বিয়ে করতে যান তার বোন!

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::বিয়ের রীতি নানা দেশে বিভিন্ন রকম। জানা গেছে, ভারতের গুজরাটে এমন তিনটি গ্রাম রয়েছে, যেখানে বিয়ের আসরে উপস্থিতই থাকেন না পাত্র নিজে। পাত্রের বদলে বিয়ে করে বউ নিয়ে আসতে যান বরের বোন বা পরিবারের অবিবাহিতা কোনো নারী।

ভারতের গুজরাট প্রদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম সুরখেদা, সানাদা ও অম্বালায় এমন আজব রীতিই চলে আসছে। রীতি অনুযায়ী, উপজাতি অধ্যুষিত এই এলাকায় বিয়েতে অনুপস্থিত থাকেন পাত্র। বরের পক্ষে তার অবিবাহিতা বোন বা পরিবারের কোনো অবিবাহিত নারী বিয়ের সব অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন। আর বর শেরওয়ানি পরে, পাগড়ি মাথায়, কোমরে ঐতিহ্যবাহী তলোয়ার ঝুলিয়ে থেকে যান বাড়িতেই, তার মায়ের কাছে।
রীতি মেনে বিয়ের দিন সকাল থেকেই পাত্রের যা যা নিয়ম পালনের কথা, তার সবকিছুই পালন করেন তার বোন। এরপর সময় মতো বরযাত্রীর সঙ্গেই কনের বাড়িতে হাজির হন পাত্রের বোন। সমস্ত নিয়ম মেনে পাত্রের বোনের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধেন পাত্রী।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বাস, এই নিয়মই সংসার জীবনে খুশি নিয়ে আসে। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই প্রথার অন্যথায় পরিবারে নেমে আসবে কোনো বিপদ। অঘটন ঘটবে সদস্যদের জীবনে। নয়তো বা বিচ্ছেদ হয়ে যাবে দম্পতির।
আম্বালা গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান বেচান রাথওয়া বলেন, আমাদের পুরুষ দেবতা ব্রহ্মদেব অন্য দেবতাদের বিয়ে দেয়ার কাজে এত ব্যস্ত ছিলেন যে, নিজে বিয়েটা করে উঠতে পারেননি। তাকে সম্মান জানাতেই গ্রামের ছেলেরা নিজেদের বিয়েতে উপস্থিত থাকে না। বরের হয়ে তার বোন বা অবিবাহিতা আত্মীয়া বিয়ের সব নিয়ম-নীতি পালন করে। নতুন বউকেও সে-ই সঙ্গে করে নিয়ে আসে। লোকের বিশ্বাস- এই রীতিতে বিয়ে হলে দেবতা নবদম্পতিকে সুরক্ষিত রাখেন।
পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, যারাই অন্ধবিশ্বাস বলে এটাকে অস্বীকার করেন বিয়ের পর তাদেরই জীবনে অশান্তি ঘনিয়ে আসে। তাদেরই বিয়ে হয় ভেঙে যায়, না হলে পরিবারে অশান্তি বেড়ে যায়।
আর এসব সমস্যা এড়াতেই দীর্ঘদিন ধরে এই তিন গ্রামের ছেলেদের অবিবাহিত বোনেরাই তাদের ভাই বা দাদার জন্য বাড়িতে নতুন বউ নিয়ে আসেন। বউ শ্বশুর বাড়িতে পৌঁছনোর পর বরকে পাশে বসিয়ে ছোটখাটো ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বিয়ের আচার পালন হয়।
যদিও কবে থেকে এই রীতির প্রচলন হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.