সংবাদ শিরোনাম
বাঁচা মরা তো আল্লাহর হাতে:আমার স্ত্রীর অবস্থা খুবই খারাপ-মানবতার ফেরিওয়ালা মাকসুদুল  » «   এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আজ  » «   কোমা থেকে জাগলেন করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ পাইলট  » «   করোনা প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধিদের আরও সম্পৃক্তির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  » «   লিবিয়ায় নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে আনা যাবে না  » «   জগন্নাথপুরে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল  » «   সুনামগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলা আহত ২-থানায় অভিযোগ  » «   জগন্নাথপুরে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এক নারী চিকিৎসক  » «   দক্ষিণ সুনামগঞ্জে করোনার নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপন  » «   সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে ট্রলি চাপায় এক শিশুর মৃত্যু  » «   এবার ছেলের বাবা হলেন আশরাফুল  » «   মেসিকে কাটিয়ে সবচেয়ে বেশি আয় ফেদেরারের  » «   কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার জেরে যুক্তরাষ্ট্রে তুলকালাম  » «   কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা: অভিযুক্ত সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে ডিভোর্স দিচ্ছেন স্ত্রী  » «   ছেলেকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা  » «  

যে গ্রামে বর নয়, পাগড়ি পরে বিয়ে করতে যান তার বোন!

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::বিয়ের রীতি নানা দেশে বিভিন্ন রকম। জানা গেছে, ভারতের গুজরাটে এমন তিনটি গ্রাম রয়েছে, যেখানে বিয়ের আসরে উপস্থিতই থাকেন না পাত্র নিজে। পাত্রের বদলে বিয়ে করে বউ নিয়ে আসতে যান বরের বোন বা পরিবারের অবিবাহিতা কোনো নারী।

ভারতের গুজরাট প্রদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম সুরখেদা, সানাদা ও অম্বালায় এমন আজব রীতিই চলে আসছে। রীতি অনুযায়ী, উপজাতি অধ্যুষিত এই এলাকায় বিয়েতে অনুপস্থিত থাকেন পাত্র। বরের পক্ষে তার অবিবাহিতা বোন বা পরিবারের কোনো অবিবাহিত নারী বিয়ের সব অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন। আর বর শেরওয়ানি পরে, পাগড়ি মাথায়, কোমরে ঐতিহ্যবাহী তলোয়ার ঝুলিয়ে থেকে যান বাড়িতেই, তার মায়ের কাছে।
রীতি মেনে বিয়ের দিন সকাল থেকেই পাত্রের যা যা নিয়ম পালনের কথা, তার সবকিছুই পালন করেন তার বোন। এরপর সময় মতো বরযাত্রীর সঙ্গেই কনের বাড়িতে হাজির হন পাত্রের বোন। সমস্ত নিয়ম মেনে পাত্রের বোনের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধেন পাত্রী।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বাস, এই নিয়মই সংসার জীবনে খুশি নিয়ে আসে। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই প্রথার অন্যথায় পরিবারে নেমে আসবে কোনো বিপদ। অঘটন ঘটবে সদস্যদের জীবনে। নয়তো বা বিচ্ছেদ হয়ে যাবে দম্পতির।
আম্বালা গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান বেচান রাথওয়া বলেন, আমাদের পুরুষ দেবতা ব্রহ্মদেব অন্য দেবতাদের বিয়ে দেয়ার কাজে এত ব্যস্ত ছিলেন যে, নিজে বিয়েটা করে উঠতে পারেননি। তাকে সম্মান জানাতেই গ্রামের ছেলেরা নিজেদের বিয়েতে উপস্থিত থাকে না। বরের হয়ে তার বোন বা অবিবাহিতা আত্মীয়া বিয়ের সব নিয়ম-নীতি পালন করে। নতুন বউকেও সে-ই সঙ্গে করে নিয়ে আসে। লোকের বিশ্বাস- এই রীতিতে বিয়ে হলে দেবতা নবদম্পতিকে সুরক্ষিত রাখেন।
পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, যারাই অন্ধবিশ্বাস বলে এটাকে অস্বীকার করেন বিয়ের পর তাদেরই জীবনে অশান্তি ঘনিয়ে আসে। তাদেরই বিয়ে হয় ভেঙে যায়, না হলে পরিবারে অশান্তি বেড়ে যায়।
আর এসব সমস্যা এড়াতেই দীর্ঘদিন ধরে এই তিন গ্রামের ছেলেদের অবিবাহিত বোনেরাই তাদের ভাই বা দাদার জন্য বাড়িতে নতুন বউ নিয়ে আসেন। বউ শ্বশুর বাড়িতে পৌঁছনোর পর বরকে পাশে বসিয়ে ছোটখাটো ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বিয়ের আচার পালন হয়।
যদিও কবে থেকে এই রীতির প্রচলন হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.