সংবাদ শিরোনাম
ভোলাগঞ্জের খাগাইল নামক স্থানে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২  » «   নিজের মামলায় ফেসে কারাগারে শামীমা স্বাদীন  » «   টাকার ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে রাব্বানীর ফোনালাপ ফাঁস  » «   পুলিশকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী  » «   দ্রুত উইকেট পতনে কঠিন চাপে বাংলাদেশ  » «   ছাত্রলীগকে কলঙ্কমুক্ত করতে কাজ করবে জয়-লেখক  » «   মন্ত্রিত্ব গেলে আবার সাংবাদিকতায় আসব: ওবায়দুল কাদের  » «   ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জয়-সা. সম্পাদক লেখক  » «   ছাত্রলীগ থেকে সরিয়ে দেয়া হলো শোভন-রাব্বানীকে  » «   ছাত্রদলের নেতারা নিজেরাই মামলা করে সম্মেলন বন্ধ করেছে  » «   শোভন-রাব্বানীর ভাগ্য নির্ধারণ আজ  » «   সংবাদপত্রকর্মীদের জন্য নবম ওয়েজবোর্ড ঘোষণা  » «   আদালতে ফয়সালা করেই ছাত্রদলের কাউন্সিল : দুদু  » «   জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ধরে রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর  » «   স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন  » «  

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::দক্ষিণ আফ্রিকায় অষ্টগ্রামের প্রদীপ চন্দ্র দাস (৪২) নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুতে শোকাহত তার পরিবার। প্রদীপ কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের আড়ারপার ঋষিপাড়ার মনোরঞ্জন দাসের ছেলে। জানা যায়, গত ২৭শে মে দক্ষিণ আফ্রিকায় রহস্যজনকভাবে প্রদীপের মৃত্যু হলে বাংলাদেশ হাই কমিশনার প্রিটোরিয়া দক্ষিণ আফ্রিকা কর্তৃক তার মরদেহ বাংলাদেশে হস্তান্তর করে। পরিবারের পক্ষে ভাতিজা বিশ্বজিৎ ঋষি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে মরদেহ গ্রহণ করে অষ্টগ্রামে পারিবারিক শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রদীপ দাস ১৮ বছর যাবৎ দক্ষিণ আফ্রিকায় কাননা ক্লিয়ারেন্স ফ্রি-স্টিটে নিজস্ব কসমেটিকস দোকানে ব্যবসা করে আসছিলেন। কিন্তু হঠাৎ প্রদীপ দাসের মৃত্যুর খবর শুনে তার পরিবারের লোকজন তা বিশ্বাস করতে পারেনি। পরে ভগ্নিপতি আফ্রিকা প্রবাসী সন্তোষ মোহন ঋষি প্রদীপ দাসের মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত করেন। এলাকার ব্রাহ্মণ পুরোহিত সুধীর চক্রবর্তী জানায়, নিহত প্রদীপ দাসের মাথায়, হাতে, পায়ের গিড়াসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য জখমের চিহ্ন দেখা গেছে।

প্রদীপ দাসের মৃত্যুর ঘটনা রহস্যজনক বলে পরিবারের ধারণা। কিন্তু বিষয়টিকে দুর্ঘটনা বলে চাপা দিলেও এটি পরিকল্পিত হত্যা বলে পরিবার পরিজন মনে করছেন। প্রদীপ দাস নিহত হওয়ার দিবাগত রাতে তার মা সুমিত্রা বালার সঙ্গে প্রয়োজনীয় টাকা দেয়ার ব্যাপারে কথা বলেছিল। আফ্রিকায় প্রদীপের ভালো ব্যবসা বাণিজ্য ছিল বলে তার মা সুমিত্রা বালা জানান। প্রদীপ দাস আফ্রিকায় অনেক পরিশ্রমে টাকা অর্জন করে সেখানে ব্যবসা দিয়েছিল। তার মা সুমিত্রাকে বলেছিল কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশে এসে সে বিয়ে করবে। কিন্তু মায়ের শেষ ইচ্ছেটুকু আর পূরণ হলো না। প্রদীপ নিজ দেশে ঠিক ফিরলো, তবে জীবিত নয় লাশ হয়ে। দেখা হলো না তার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের অষ্টগ্রামসহ পরিবার পরিজন ও আত্মীয়স্বজনদের। প্রদীপ দাসের মৃত্যুতে তার মা সুমিত্রা বালা বার বার মূর্চ্ছা যান। করছেন পুত্রশোকে বিলাপ। প্রদীপ ছিল মা বাবার ছোট ছেলে। প্রদীপের এই রহস্যজনক মৃত্যুতে তার মা সুমিত্রা বালা বাংলাদেশ সরকারের কাছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানান।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.