সংবাদ শিরোনাম
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সরাসরি যান চলাচল বন্ধ  » «   জগন্নাথপুরের আশারকান্দি ইউনিয়নে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা-মামলা  » «   অর্থমন্ত্রী বাসায় ফিরেছেন  » «   শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার প্রথম চেয়ারম্যান হলেন রশিদ তালুকদার  » «   জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে ইউসুফ আল আজাদ বিজয়ী  » «   জুড়ীতে বাসের চাপায় ফল ব্যবসায়ী নিহত  » «   বিয়ানীবাজারে ইভটিজিংয়ের দায়ে তরুণের কারাদন্ড  » «   রাজনগরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি  » «   বিরোধীদলগুলোকে সংসদে সমান সুযোগের প্রতিশ্রুতি মোদির  » «   পানির নিচে খাঁচার ভিতর প্রাণ গেল জাদুকরের  » «   তীব্র দাবদাহে বিহারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮৪  » «   চীনে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২  » «   গোপনেই দাফন করা হল মুরসিকে  » «   ‘দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে’  » «   নওগাঁয় মাকে হত্যা করে মেয়েকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১  » «  

শ্রীমঙ্গলের বিখ্যাত সাত রঙের চা এখন গৌরীপুরে

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::চায়ের রাজধানী বলে পরিচিত সিলেটের শ্রীমঙ্গল। আর উন্নতমানের চা উৎপন্ন হয় এ শ্রীমঙ্গলেই। এখানে ঘুরতে আসা পর্যটকদের কাছে প্রিয় হচ্ছে সাত রঙের চা। এ সাত রঙের চায়ের হাতেখড়ি শ্রীমঙ্গলের নীলকণ্ঠ চা কেবিন।

সাত রঙের চা এমটি আশ্চর্যের বিষয় যে, এক গ্লাসে চায়ে সাতটি রঙের স্তরে আলাদা স্বাদ। সেই সাত রঙের চা পান করতে এখন আর শ্রীমঙ্গল যেতে হবে না। ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর শহরে প্রিয়া সিনেমা হল সংলগ্ন স্থানীয় মোহনা গৌড়ের চায়ের দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে এ চা।

নীলকণ্ঠ চা কেবিনের প্রতিষ্ঠাতা রমেশ রাম গৌড়ের ছেলে দীপ্ত রাম গৌড় গৌরীপুরে সাত রঙের চা তৈরির কারিগর। শ্বশুর মোহনা গৌড়ের দোকানে প্রায় একমাস ধরে তিনি চায়ের ব্যবসা শুরু করেছেন। এর আগে পিতার নীলকণ্ঠ চা কেবিনে তিনি ওই চা তৈরি করতেন।

চা পানের ফাঁকে কথা হয় দীপ্ত রাম গৌড়ের সাথে। এ সময় তিনি বলেন, তাদের পরিবারের সকলেই প্রায় বিশ বছর ধরে শ্রীমঙ্গলে এ ব্যবসার সাথে জড়িত। শ্রীমঙ্গলে তাদের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নীলকণ্ঠ চা কেবিনের দুটি শাখা রয়েছে। একটি হচ্ছে বিডিআর ক্যাম্প সংলগ্ন ও অন্যটি চা বাগানের ভেতরে।

গৌরীপুরে শ্বশুরের দোকানে তিনি প্রায় এক মাস ধরে সাত রঙের চায়ের ব্যবসা শুরু করেন। এখানে প্রতি কাপ সাত রঙের চা বিক্রি করছেন মাত্র ৫০ টাকায়। এছাড়া দুই থেকে ছয় রঙের চা ও মাল্টোবা চা, তেঁতুল চা, স্পেশাল দুধ চা, সাদা চা, গ্রিন চা, আদা চা, লেবু চা, পাতি চাসহ কপি সুলভ মূল্যে বিক্রি করছেন তিনি। প্রচারের অভাবে প্রথম অবস্থায় দোকানে কাস্টমারের উপস্থিতি কম হলেও আস্তে আস্তে তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাত রঙের চা তৈরির ফর্মূলা তাদের পরিবারের সদস্য ছাড়া অন্য কাউকে শেখানো হয় না। আলাদা কক্ষে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে তিনি এ চা তৈরি করেন থাকেন। চা তৈরির চাপাতিসহ সকল উপকরণ তিনি শ্রীমঙ্গল থেকে আনেন।

এ দোকানে চা পান করতে আসা স্থানীয় জাহাঙ্গীর আলম রিপন জানান, তিনি প্রতিদিন এখানে সাত রঙের চা পান করেন। শ্রীমঙ্গলের নীলকণ্ঠ চা কেবিনের সাত রঙের চায়ের মতই স্বাদ ও তৃপ্তি এ দোকানের চা-তেও। তার মত আরো অনেকেই প্রতিদিন ভীড় করেন গৌরীপুরে এই সাত রঙের চায়ের দোকানে চা পান করতে।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.