সংবাদ শিরোনাম
কুলাউড়ায় কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ-প্রেমিক জেলহাজতে  » «   কমলগঞ্জে পানিতে পড়ে প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু  » «   সিলেটে ডিবি পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ!  » «   কমলগঞ্জে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন আটক  » «   আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্মদিন সিলেটে আসছেন তিনি  » «   বিশ্বনাথে দেয়াল নির্মাণকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে প্রবাসীসহ আহত ১১  » «   নগরীর মহাজনপট্টিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ১  » «   মাছ ধরার জেরে মামা-ভাগ্নের ঝগড়ায় প্রাণ গেলো অনিকের  » «   হবিগঞ্জের বাহুবলে দুই অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী নিহত  » «   বিশ্ববাসীকে জেগে উঠার আহ্বান ইমরানের  » «   সৌদি আরবে চালু তাৎক্ষণিক লেবার ভিসা সার্ভিস  » «   যাত্রা শুরু হলো ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ গাঙচিলের  » «   মাধবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১  » «   ‘একজন রোহিঙ্গাও ফেরত যেতে রাজি হয়নি’  » «   মোদির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ করবে পিটিআই  » «  

যে গ্রামে বর নয়, পাগড়ি পরে বিয়ে করতে যান তার বোন!

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::বিয়ের রীতি নানা দেশে বিভিন্ন রকম। জানা গেছে, ভারতের গুজরাটে এমন তিনটি গ্রাম রয়েছে, যেখানে বিয়ের আসরে উপস্থিতই থাকেন না পাত্র নিজে। পাত্রের বদলে বিয়ে করে বউ নিয়ে আসতে যান বরের বোন বা পরিবারের অবিবাহিতা কোনো নারী।
ভারতের গুজরাট প্রদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম সুরখেদা, সানাদা ও অম্বালায় এমন আজব রীতিই চলে আসছে। রীতি অনুযায়ী, উপজাতি অধ্যুষিত এই এলাকায় বিয়েতে অনুপস্থিত থাকেন পাত্র। বরের পক্ষে তার অবিবাহিতা বোন বা পরিবারের কোনো অবিবাহিত নারী বিয়ের সব অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন। আর বর শেরওয়ানি পরে, পাগড়ি মাথায়, কোমরে ঐতিহ্যবাহী তলোয়ার ঝুলিয়ে থেকে যান বাড়িতেই, তার মায়ের কাছে।
রীতি মেনে বিয়ের দিন সকাল থেকেই পাত্রের যা যা নিয়ম পালনের কথা, তার সবকিছুই পালন করেন তার বোন। এরপর সময় মতো বরযাত্রীর সঙ্গেই কনের বাড়িতে হাজির হন পাত্রের বোন। সমস্ত নিয়ম মেনে পাত্রের বোনের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধেন পাত্রী।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বাস, এই নিয়মই সংসার জীবনে খুশি নিয়ে আসে। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই প্রথার অন্যথায় পরিবারে নেমে আসবে কোনো বিপদ। অঘটন ঘটবে সদস্যদের জীবনে। নয়তো বা বিচ্ছেদ হয়ে যাবে দম্পতির।
আম্বালা গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান বেচান রাথওয়া বলেন, আমাদের পুরুষ দেবতা ব্রহ্মদেব অন্য দেবতাদের বিয়ে দেয়ার কাজে এত ব্যস্ত ছিলেন যে, নিজে বিয়েটা করে উঠতে পারেননি। তাকে সম্মান জানাতেই গ্রামের ছেলেরা নিজেদের বিয়েতে উপস্থিত থাকে না। বরের হয়ে তার বোন বা অবিবাহিতা আত্মীয়া বিয়ের সব নিয়ম-নীতি পালন করে। নতুন বউকেও সে-ই সঙ্গে করে নিয়ে আসে। লোকের বিশ্বাস- এই রীতিতে বিয়ে হলে দেবতা নবদম্পতিকে সুরক্ষিত রাখেন।
পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, যারাই অন্ধবিশ্বাস বলে এটাকে অস্বীকার করেন বিয়ের পর তাদেরই জীবনে অশান্তি ঘনিয়ে আসে। তাদেরই বিয়ে হয় ভেঙে যায়, না হলে পরিবারে অশান্তি বেড়ে যায়।
আর এসব সমস্যা এড়াতেই দীর্ঘদিন ধরে এই তিন গ্রামের ছেলেদের অবিবাহিত বোনেরাই তাদের ভাই বা দাদার জন্য বাড়িতে নতুন বউ নিয়ে আসেন। বউ শ্বশুর বাড়িতে পৌঁছনোর পর বরকে পাশে বসিয়ে ছোটখাটো ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বিয়ের আচার পালন হয়।
যদিও কবে থেকে এই রীতির প্রচলন হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.