সংবাদ শিরোনাম
পুত্রের হাতে পিতা খুন  » «   তাহিরপুর সীমান্তে ভারতীয় মালামাল আটক  » «   বড়লেখায় লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি  » «   রাজনগরে ১০ ভিক্ষুককে পুনর্বাসন  » «   হবিগঞ্জ পৌরসভার সোয়া ৮৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা  » «   মুরসির মৃত্যু স্বাভাবিক নয়: এরদোগান  » «   ফেসবুক ব্লকের শিকার হাঙ্গেরির বিশাল জনগোষ্ঠী  » «   আ.লীগের নাম ‘নিখিল বাংলাদেশ লুটপাট সমিতি’ রাখা উচিত: ফখরুল  » «   লুটপাট করে টাকার পাহাড় তৈরি করছে সরকারিদলের নেতারা: রুমিন  » «   দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি  » «   সাকিব-লিটনকে নিয়েই অস্ট্রেলিয়ার দুশ্চিন্তা  » «   ৪৫৫ উপজেলার ৩০২টিতে আ.লীগ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৯৬জন  » «   অপহরণের ১১ দিন পর আজ সোহেল তাজের ভাগ্নে সৌরভকে উদ্ধার  » «   অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫৯০ কোটি টাকা দান করলেন মার্কিন ধনকুবের  » «   দেশে ফিরছেন ভানুয়াতুতে পাচার হওয়া বাংলাদেশীরা  » «  

‘আমার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর গোপনাঙ্গে মরিচের গুঁড়া দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে’

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::শেরপুরের নকলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছের সাথে বেঁধে এক অন্তঃসত্ত্বাকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নির্যাতিতা থানায় মামলা করতে গেলেও অভিযোগ না নেয়ার দাবি ভুক্তভোগীর পরিবারের। ঘটনাটি এক মাস আগের হলেও নির্যাতনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। মামলা নেয়ার পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নকলা উপজেলার কায়দা গ্রামের বাসিন্দা শফিউল্লার সাথে বিরোধ চলে আসছিল তারই ভাই আবু সালেহ, নেছার উদ্দিন ও সলিম উল্লাহর সঙ্গে। ১০ মে ওই জমিতে ৩ ভাই ধান কাটতে গেলে বাধা দেয় শফিউল্লাহ ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ডলি খানম। একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হলে স্ত্রীকে রেখেই থানায় চলে যান শফিউল্লাহ। এসময় স্থানীয় মহিলা কাউন্সিলর রুপালি বেগমের নেতৃত্বে ডলিকে একা পেয়ে তার চোখে মুখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে গাছের সাথে বেধে নির্মমভাবে নির্যাতন চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। ধারণ করেন ওই ঘটনার ভিডিওচিত্র। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। পরে অসুস্থ ডলিকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গর্ভপাত হয় তার।
নির্যাতিতা বলেন, হাত-পা বেঁধে মরিচের গুড়া চোখে দিয়ে আমাকে প্রচুর মারধর করেছে। আমাকে প্রায় দেড় ঘণ্টা এভাবে নির্যাতন করেন তারা। আমার তল পেটে লাথি মারায় আমি বেহুশ হয়ে যাই।
নির্যাতিতার স্বামী বলেন, তারা অজ্ঞান অবস্থায় আমার স্ত্রীর হাত-পা বাঁধে। এমনকি আমার স্ত্রীর যৌনাঙ্গেও তারা মরিচের গুঁড়া দেয়।
এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে চাইলে অভিযোগ নেয়া হয়নি বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের। অবশেষে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। ১২ জুন নেয়া হয় মামলা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন বলেন, যে নারী ডলিকে বেঁধেছিলেন, তাকে আটক করা হয়েছে।
থানায় মামলা না নেয়ায় ৩ জুন আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করেন শফিউল্লাহ। এর প্রেক্ষিতে আদালত পিবিআইকে ১০ দিনে মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.