সংবাদ শিরোনাম
বড় বোনকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ছোট বোনকে ধর্ষণ, জেলহাজতে যুবলীগ নেতা  » «   ছাতকে নিখোঁজ হওয়ার ২২ঘন্টা পর ব্রিজের নিচ থেকে যুবলীগ নেতার লাশ উদ্ধার, আটক ১  » «   মাধবপুরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন  » «   সিলেটে নিরাপত্তা চেয়ে ৫৬ সাংবা‌দিকের জি‌ডি  » «   কমলগঞ্জে-সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত ৫  » «   জগন্নাথপুরের ঘোষগাঁও গ্রামের ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন  » «   ফখরুলদের দেড় ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখলেন ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক  » «   পাকিস্তানে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, নিহত ২৬  » «   সৌদি যুবরাজের বিশেষ বিমানে যুক্তরাষ্ট্র গেলেন ইমরান খান  » «   মায়ের নিকট দাবিকৃত ১০ হাজার টাকা না পেয়ে মুখ থেঁতলে দিয়েছে পাষণ্ড ছেলে…  » «   মতিঝিলে আরও ৪ ক্লাবে অভিযান চলছে  » «   বিচারকদের ফেসবুক ব্যবহারে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা  » «   সিরিজ বোমা হামলা: ৫ জেএমবি সদস্যের কারাদণ্ড  » «   ইয়াংগুনে ৬ বছর ধরে বন্ধ করে রাখা হয়েছে ৮ মসজিদ  » «   ১৮ মিনিটে ৫ গোল দিয়ে ম্যান সিটির রেকর্ড  » «  

‘আমার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর গোপনাঙ্গে মরিচের গুঁড়া দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে’

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::শেরপুরের নকলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছের সাথে বেঁধে এক অন্তঃসত্ত্বাকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নির্যাতিতা থানায় মামলা করতে গেলেও অভিযোগ না নেয়ার দাবি ভুক্তভোগীর পরিবারের। ঘটনাটি এক মাস আগের হলেও নির্যাতনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। মামলা নেয়ার পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নকলা উপজেলার কায়দা গ্রামের বাসিন্দা শফিউল্লার সাথে বিরোধ চলে আসছিল তারই ভাই আবু সালেহ, নেছার উদ্দিন ও সলিম উল্লাহর সঙ্গে। ১০ মে ওই জমিতে ৩ ভাই ধান কাটতে গেলে বাধা দেয় শফিউল্লাহ ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ডলি খানম। একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হলে স্ত্রীকে রেখেই থানায় চলে যান শফিউল্লাহ। এসময় স্থানীয় মহিলা কাউন্সিলর রুপালি বেগমের নেতৃত্বে ডলিকে একা পেয়ে তার চোখে মুখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে গাছের সাথে বেধে নির্মমভাবে নির্যাতন চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। ধারণ করেন ওই ঘটনার ভিডিওচিত্র। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। পরে অসুস্থ ডলিকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গর্ভপাত হয় তার।
নির্যাতিতা বলেন, হাত-পা বেঁধে মরিচের গুড়া চোখে দিয়ে আমাকে প্রচুর মারধর করেছে। আমাকে প্রায় দেড় ঘণ্টা এভাবে নির্যাতন করেন তারা। আমার তল পেটে লাথি মারায় আমি বেহুশ হয়ে যাই।
নির্যাতিতার স্বামী বলেন, তারা অজ্ঞান অবস্থায় আমার স্ত্রীর হাত-পা বাঁধে। এমনকি আমার স্ত্রীর যৌনাঙ্গেও তারা মরিচের গুঁড়া দেয়।
এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে চাইলে অভিযোগ নেয়া হয়নি বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের। অবশেষে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। ১২ জুন নেয়া হয় মামলা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন বলেন, যে নারী ডলিকে বেঁধেছিলেন, তাকে আটক করা হয়েছে।
থানায় মামলা না নেয়ায় ৩ জুন আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করেন শফিউল্লাহ। এর প্রেক্ষিতে আদালত পিবিআইকে ১০ দিনে মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.