সংবাদ শিরোনাম
জগন্নাথপুরে আরো ২জন করোনা আক্রান্ত: মোট আক্রান্ত ১৬৩  » «   জগন্নাথপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান:জরিমানা আদায়  » «   সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় গুমাই নদী থেকে শ্রমিকের লাশ উদ্ধার  » «   প্রেমিকের টানে ভারতীয় তরুণী সুনামগঞ্জে:তারপর..   » «   রশীদ পরিবারের পক্ষে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাসামগ্রী প্রদান  » «   সাংবাদিক ওলিউর রহমানের মাতার মৃত্যুতে সিলেট বিভাগীয় অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক  » «   সাংবাদিক ওলিউর রহমানের মাতার মৃত্যুতে জেলা প্রেসক্লাবের শোক  » «   সিলেটে কমিটি নিয়ে ‘হাওয়া গরম’ আওয়ামী লীগে  » «   ১৮নং ওয়ার্ডে পুলিশিং কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত  » «   নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আলমের মায়ের মৃত্যুতে শোক জ্ঞাপন করেছেন সিসিক মেয়র  » «   মাছিমপুরে জুয়াড়ি ধরিয়ে দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর, দোকান ভাংচুর, টাকা ছিনতাই  » «   নগরীর চালিবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ  » «   ওসমানীনগরে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে ১ জন গ্রেপ্তার  » «   ওসমানীনগরে ব্যবসার প্রতিষ্ঠান আগুন  » «   সুনামগঞ্জের চরনারচর ইউনিয়নে ২০৮টি অসহায়ও দরিদ্র পরিবারেরমধ্যে ভেড়া বিতরণ  » «  

ব্যাংকে টাকা আছে, তবে লুটে খাওয়ার মতো টাকা নেই

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::বাজেট নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দেশের সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে বলেই উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গে আমরা তাল মিলিয়ে চলতে পারছি। বিএনপিসহ বিরোধী দলের  সদস্যদের সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকে বলে ব্যাংকে টাকা নেই। ব্যাংকে টাকা থাকবে না কেন? অবশ্যই টাকা আছে। তবে লুটে খাওয়ার টাকা নাই। আর ব্যাংক থেকে যারা লুট করে নিয়ে গেছেন তাদের আমরা চিনি। অনেকেই তো প্রচুর টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে আর ফেরত দেননি। দুর্নীতির দায়ে মামলায় কারাগারে বন্দিসহ এরকম বহু ঘটনা আছে। সময় এলেই এ ব্যাপারে আলোচনা করতে পারবো।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে গতকাল সংসদ অধিবেশনে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, যদি বাজেট বাস্তবায়নই করতে না পারি তাহলে ২০০৮ সালের ৬১ হাজার কোটি টাকার বাজেট থেকে এখন কিভাবে ৫ লাখ কোটি টাকার উপরে বাজেট দিলাম? এই টাকা এলো কোথা থেকে? এর উন্নয়নটা তো সারা দেশের মানুষ পাচ্ছে।

কাজেই অযথা কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত না করাই ভালো। বিদায় নিতে যাওয়া অর্থবছর ২০১৮-১৯ সম্পূরক বাজেটের ওপর সাধারণত অর্থমন্ত্রী সমাপনী বক্তৃতা দিয়ে থাকেন। এবার বাজেট উত্থাপনের মতো ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে সংসদের ইতিহাসে। অর্থমন্ত্রীর অসুস্থতার কারণে সোমবার সম্পূরক বাজেট পাসের আগে সম্পূরক বাজেটের সমাপনী বক্তৃতাও করেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুরুতেই সম্পূরক বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তৃতা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান স্পিকার। শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুরোধে জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস হয়। যা সংসদের ইতিহাসে আগে কখনোই ঘটেনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ বলছেন বাজেট দিয়ে বাস্তবায়ন করতে পারে না। বাজেট বাস্তবায়নের একটা বিষয় আছে। আমরা আজ বাজেট উপস্থাপন করছি, বাজেট পাস হবে ৩০শে জুনে। আমরা এক বছর পর আবার বাজেট দেব। এই এক বছরের যেসব বাজেট বিশেষ করে উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়ন করি। আমরা কিন্তু বাজেট বাস্তবায়নের সময় মাঝামাঝি সময়ে এগুলোর একটা হিসাব নিই।

তিনি বলেন, রাজস্ব আহরণে উচ্চাবিলাষী হওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কোনো মানুষের যদি উচ্চাভিলাষ না থাকে, সে অর্জন করতে পারে না। এসব অর্জন করা কখনই সম্ভব হতো না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোথায় কোন খাতে কি বরাদ্দ দিয়েছিলাম, কতটা কার্যকর হলো, কতটা হলো না বা কোন কোন জায়গায় বরাদ্দকৃত টাকা যথাযথ বাস্তবায়ন করা সম্ভব, আর কোথায় কোথায় সম্ভব না। কোথায় বাস্তবায়নের জন্য বেশি টাকার প্রয়োজন হয় এরপর এটা ঢেলে সাজাই। বাজেটে সেই ক্ষেত্রে পরিমার্জন করি, সংশোধন করি- এটাই নিয়ম। যাতে অর্থটা যথাযথভাবে কাজে লাগে। তিনি বলেন, বাজেটে প্রয়োজন আছে কোনটায় প্রয়োজন নাই, সব প্রকল্প তো একইভাবে চলে না, চলতে পারে না, চলা সম্ভবও না। এটাই বাস্তবতা।

প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, বাজেট দিয়ে বাস্তবায়ন করতে পারি না, এ অভিযোগ যারা করেন তাদের কাছে আমার প্রশ্ন- ২০০৮ সালে ৬১ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছি, আজ সেখানে ৫ লাখ কোটি টাকার বাজেটে চলে গেছে। এত বড় বাজেট কিভাবে দিলাম, যদি বাস্তবায়নের দক্ষতাই না থাকবে? তিনি বলেন, সেই উন্নয়নের সুযোগটা সবাই নিচ্ছেন। বিদ্যুৎ নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ নিয়ে অনেকে কথা বলছেন। যে বিদ্যুতের এত উন্নয়ন হলো, তাহলে শতভাগ হয় না কেন? জবাবে তিনি বলেন, একটা কথা মনে রাখতে হবে বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো সবগুলো সবসময় চালু থাকে না। প্রত্যেকটা বিদ্যুৎ কেন্দ্র মাঝে মাঝে নতুনভাবে সংস্কার করতে হয়, যে কারণে বন্ধ থাকে। যেখানে যতটুকু চাহিদা সেই চাহিদা মোতাবেক বিদ্যুৎ  দেয়া হয়। আজকে দেশের ৯৩ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে। গ্রামে গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাচ্ছে।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.