সংবাদ শিরোনাম
নগরীর বেশ কিছু এলাকায় আগামীকাল বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে  » «   লাইবেরিয়ায় কোরআন শিক্ষার স্কুলে অগ্নিকাণ্ডে ২৬ শিক্ষার্থী ও ২ শিক্ষক নিহত  » «   বৈধ কর্মীদেরও ফেরত পাঠাচ্ছে সৌদি আরব: তিন দিনে ফিরেছেন ৩৮৯ জন  » «   জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে শুক্রবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   বাংলাদেশের ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই বাংলা পড়তে পারে না!  » «   ভয়ঙ্কররূপে ধেয়ে আসছে হামবার্তো  » «   আটকের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন রোহিঙ্গা যুবক নিহত  » «   ২৭ বছর পর ছাত্রদলের নয়া কমিটি:খোকন সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল  » «   কুলাউড়ায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় স্কুল ছাত্রীকে মারধর”অভিযুক্ত পলাতক  » «   ছাতকে কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগে আটক ১  » «   নগরীর গোয়াবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, অটোরিকশা জব্দ  » «   সিলেটের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২২ জুয়াড়িকে আটক করেছে র‌্যাব-৯  » «   নগরীর তালতলা থেকে ইয়াবাসহ যুবক আটক  » «   নিজেকে নির্দোষ দাবি করছেন মুমিন  » «   নগরীতে কাগজপত্রবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশের অভিযান  » «  

সাগরে ভাসমান মসজিদ, প্রতি ৩ মিনিট পর পর খুলে ছাদ

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::মহাসাগরে পানির ওপর ভাসমান একটি মসজিদ। অদ্ভুত সুন্দর এই মসজিদটি মরক্কোয় অবস্থিত। দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটির নাম গ্র্যান্ড মস্ক হাসান–২ বা দ্বিতীয় হাসান মসজিদ। বাদশাহ দ্বিতীয় হাসান কাসাব্লাঙ্কা শহরে এ মসজিদটি তৈরি করেছেন। মসজিদটিতে প্রায় এক লাখ মানুষ একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন।

ভাসমান এই মসজিদটি দূরের কোনো জাহাজ থেকে দেখলে মনে হবে ঢেউয়ের বুকে যেন মসজিদটি দুলছে। আরো মনে হবে মুসল্লিরা নামাজ পড়ছেন পানির ওপর।
মসজিদটির নির্মাণ কাজ করেছেন ফরাসি কোম্পানি বয়গিসের প্রকৌশলীরা। এটির নকশা তৈরি করেছিলেন ফরাসি স্থপতি মিশেল পিনচিউ।

মসজিদটির মিনারের উচ্চতা ২০০ মিটার। আর মেঝে থেকে ছাদের উচ্চতা ৬৫ মিটার। মসজিদের ছাদটি প্রতি ৩ মিনিট পরপর যান্ত্রিকভাবে খুলে যায় বলে এর ভেতরে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে। তবে বৃষ্টির সময় ছাদটি খোলা হয় না।

২২.২৪ একর জায়গার ওপর অবস্থিত এ মসজিদের মূল ভবনের সঙ্গেই আছে লাইব্রেরি, কোরআন শিক্ষালয়, ওজুখানা এবং কনফারেন্স রুম।

২৫০০ পিলারের ওপর স্থাপিত এ মসজিদের ভেতরের পুরোটাই টাইলস বসানো। মসজিদ এলাকার আশপাশে সাজানো আছে ১২৪টি ঝরনা এবং ৫০টি ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি।

১৯৮৭ সালের আগস্ট মাসে মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিক ও কারুশিল্পীর পরিশ্রমে এটি প্রায় সাত বছরে নির্মিত হয়। মসজিদটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৮০ কোটি ডলার।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.