সংবাদ শিরোনাম
রিফাত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়ায় মিন্নি গ্রেপ্তার  » «   ৯০ দিনের মধ্যে এরশাদের আসনে উপনির্বাচন  » «   ১৬ জুয়াড়িকে জেলহাজতে প্রেরণ  » «   শ্রীমঙ্গলে পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘট স্থগিত  » «   দক্ষতা উন্নয়নে প্রতি উপজেলায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হবে  » «   রংপুরেই সমাহিত করা হলো এরশাদকে  » «   জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ লাইনে মিন্নি  » «   ভারতে মন্দিরের ভেতরে পুরোহিতসহ তিন জনের গলা কাটা দেহ, নরবলির আশঙ্কা  » «   নেপালে বন্যা ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৫  » «   ঘুষ লেনদেন প্রমাণিত  » «   নেতাকর্মীদের চাপের মুখে এরশাদের লাশ দাফনের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন  » «   আততায়ীর গুলিতে ফুটবলারের মৃত্যু  » «   এইচএসসির ফল প্রকাশ আগামীকাল  » «   উল্লাপাড়ায় বাড়ি ফেরার পথে ট্রেনের ধাক্কায় বর-কনেসহ মাইক্রোবাসের ৯ যাত্রী নিহত  » «   সিলেটের গোয়াইনঘাটে ডাকাত গ্রেপ্তার  » «  

নভেম্বর মাস থেকে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা পাবে নগরবাসী

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ৬২টি এলাকায় ফ্রি ওয়াইফাই জোন তৈরি করা হচ্ছে। ‘ডিজিটাল সিলেট সিটি প্রকল্প’-এর আওতায় নগরের ১৬২টি ওয়াই-ফাই এক্সেস পয়েন্ট (এপি)-এ বিনামূল্যে ওয়াইফাই ব্যবহারের সুবিধা থাকবে।

ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের কার্যাদেশ হয়ে গেছে। জুলাই মাসেই কাজ শুরু হবে। নভেম্বর মাস থেকে নগরবাসী এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। নগরবাসী ছাড়াও সিলেটে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকরাও বিনামূল্যে এ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিস্টরা।

প্রাথমিক অবস্থায় পরীক্ষামূলকভাবে ৬২টি ওয়াফাই জোন করা হচ্ছে জানিয়ে প্রকল্প সংশ্লিস্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ সফল হলে পর্যায়ক্রমে পুরো নগরীকে ফ্রি ওয়াই-ফাইয়ের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

প্রকল্প সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে বিনামূল্যে ওয়াইফাই জোন স্থাপন কাজের টেন্ডার আহ্বানের পর কার্যাদেশ হয়ে গেছে। শীঘ্রই শুরু হবে কাজ।

ডিজিটাল সিলেট সিটি প্রকল্পের উপ পরিচালক মধুসুদন সাহা বলেন, সিলেট নগরীর ৬২টি এলাকা ও কক্সবাজারের ৩৫টি এলাকায় বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালুতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি টাকা। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর একবছর এসব ওয়াই-ফাই জোন দেখভাল করবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল। পরবর্তীতে এগুলো তদারকি করবে সিটি করপোরেশন।

জানা যায়, সিলেট নগরীর চৌকিদেখিতে ১টি, আম্বরখানা পয়েন্টে ৪টি, দরগা গেইটে ২টি, চৌহাট্টায় ৩টি, জিন্দাবাজারে ৪টি,বন্দরবাজার ফুটওভার ব্রিজ এলাকায় ৩টি, হাসান মার্কেট এলাকায় ৫টি, সুরমা ভ্যালি রেস্ট হাউস এলাকায় ২টি, সার্কিট-হাউস জালালাবাদ পার্ক এলাকায় ৩টি, ক্বিন ব্রিজের দুই প্রান্তে ৬টি, রেলওয়ে স্টেশনে ৪টি, বাস টার্মিনালে ৩টি, কদমতলী পয়েন্ট ও সংলগ্ন এলাকায় ৫টি, হুমায়ুন রশীদ চত্বরে ৩টি, আলমপুর পাসপোর্ট অফিস এলাকায় ২টি, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় এলাকায় ৩টি, সিলেট শিক্ষাবোর্ডে ২টি, উপশহর রোজভিউ পয়েন্টে ২টি, শহাজালাল উপশহর ই-ব্লক ও বি-ব্লকে ১টি করে ২টি, টিলাগড় পয়েন্টে ৩টি, এমসি কলেজ এলাকায় ২টি, দক্ষিণ বালুচরে ১টি, টিচার্স ট্রেনিং কলেজে ১টি, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে ১টি, শাহী ঈদগাহ এলাকায় ৩টি, কুমারপাড়া জামে মসজিদ এলাকায় ৩টি ও কুমার পাড়া সড়কে   ২টি এক্সেস পয়েন্ট থাকবে।

এছাড়া নগরের নাইওরপুল পয়েন্টে ২টি, মিরাবাজার সড়কে ১টি, রায়নগর এলাকায় ১টি, সোবহানীঘাট পুলিশ স্টেশন এলাকায় ২টি, ধোপাদিঘীরপাড় বঙ্গবীর ওসমানী শিশু উদ্যানে ১টি, বন্দরবাজার জামে মসজিদ এলাকায় ২টি,  নয়াসড়ক পয়েন্ট ও সংলগ্ন এলাকায় ৪টি, কাজীটুলা এলাকায় ২টি, চৌহাট্টা সড়কে ৩টি, হাউজিং এস্টেট সড়কে ১টি, সুবিদবাজারে ১টি, মিরের ময়দানে ১টি, পুলিশ লাইন সড়কে ১টি, রিকাবীবাজার জেলা স্টেডিয়ামে ২টি, মদন মোহন কলেজ এলাকায় ১টি, মির্জাজাঙ্গাল সড়ক এলাকায় ২টি, পাঁচ ভাই রেস্টুরেন্ট এলাকায় ১টি, খুলিয়াপাড়া এলাকায় ১টি, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি এলাকায় ১টি, তালতলা হোটেল গুলশান এলাকায় ১টি, কাজিরবাজার সেতু এলাকায় ১টি, কাজিরবাজার সড়কে ২টি, খোজারখলা সিলেট ট্যাকনিক্যাল কলেজ এলাকায় ১টি, ওসমানী মেডিকেল কলেজ এলাকায় ১টি, বাগবাড়ি ওয়াপদা মহল্লা এলাকায় ১টি, পাঠানটুলা ১টি, মদিনামার্কেট পয়েন্টে ২টি এবং শহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গেইটি ২টি এক্সেস পয়েন্ট থাকবে।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, এসব এক্সেস পয়েন্টের একেকটিতে একসঙ্গে ৫শ’ জন যুক্ত থাকতে পারবেন। এরমধ্যে একসঙ্গে একশ’ জন উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। প্রতিটি এক্সেস পয়েন্টে ব্যান্ডউইথ থাকবে ১০ মেগাবাইট/সেকেন্ড। আর একেকটি এক্সেস পয়েন্টের চতুর্দিকে ১০০ মিটার আওতা থাকবে।

সংশ্লিস্টরা জানান, বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা ভোগ করতে হলে একজন ব্যক্তিকে নিরপত্তার জন্য মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে যুক্ত হতে হবে। যুক্ত হওয়ার প্রথম ধাপে মোবাইল বা ল্যাপটপে নিজের নাম, মোবাইল নম্বর দিতে হবে। ফিরতি এএএমএসে একটি কোড আসবে। এই কুড ইনপুট করলেই লগইন সম্পন্ন হবে। র্ফিটারিং করা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। আর ডাউনলোডে থাকবে সীমাবদ্ধতা। ব্যবহারকারীর সব তথ্য জমা থাকবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ডাটাবেসে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই জোন দেখভালের জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, শাবিপ্রবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ এবং সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। তিনি মাস পর পর এই কমিটি বৈঠক করে প্রকল্পের মূল্যায়ন করবে।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.