সংবাদ শিরোনাম
সিলেট জেলা ও মহানগর আ.লীগের কমিটি গঠন: সভাপতি সম্পাদক হলেন যারা  » «   ভারতে পিয়াজের দামে রেকর্ড  » «   রোববার থেকে সারাদেশের বারে আইনজীবীদের অবস্থান  » «   আপিল বিভাগে নজিরবিহীন বিক্ষোভ (ভিডিও)  » «   প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কমলা হারিস  » «   গুগল থেকে পদত্যাগ করছেন লেরি পেজ ও সার্জেই ব্রিন  » «   তালা ভেঙে কক্ষে নুর  » «   প্রস্তুত হয়নি খালেদার মেডিকেল রিপোর্ট  » «   আমি জীবন ভিক্ষা চাই ,সৌদি থেকে লইয়া যাও-শ্রীমঙ্গলের মরিয়ম  » «   কিংবদন্তি ক্রিকেটার বব উইলিস আর নেই  » «   ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ৬ ও ৭ই ডিসেম্বর  » «   আজ খুলবে জাবি  » «   জলবায়ু পরিবর্তন: বাংলাদেশের নতুন কণ্ঠস্বর শবনম  » «   খালেদা কারাগারে আছেন রাজার হালে-প্রধানমন্ত্রী  » «   বাহুবলে ঘুষ গ্রহণের দায়ে ইউপি সদস্যসহ দুই নারীর কারাদণ্ড  » «  

নগরের রাস্তায় খোঁড়াখুড়িতে নগরবাসীর জীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি : আসাদ

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::সিলেট নগরীতে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ ও ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যার বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ ও মতামত উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছেন সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রশাসক আসাদ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, শুধু ভাঙা-গড়া নয়, নাগরিক সুবিধাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত।

সোমবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে প্রেরিত বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নামে অপরিকল্পিতভাবে নগরের প্রায় প্রতিটি রাস্তায় খোঁড়াখুড়িতে নগরবাসীর জীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। প্রায় ৪-৫ মাস আগে গুরুত্বপূর্ণ এসব সড়ক খোঁড়া হলেও এখন পর্যন্ত কাজ শেষ হওয়ার কোন লক্ষণ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এতে নগরবাসীর চলাচলে যেমন বিঘ্ন ঘটছে, তেমনি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরাও।

চেম্বার প্রশাসক বলেন, সিলেটের ছোট-বড় সকল ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার, আম্বরখানা, জেলরোডসহ আশপাশের এলাকা। দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকার রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি এবং নির্মাণসামগ্রী রাখায় অর্ধেকের বেশী রাস্তাই জনগণের ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। এতে একদিকে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট, আরেকদিকে ক্ষতির সম্মুখীন হন ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

তিনি বলেন, চলমান কাজগুলো ঠিকাদাররা নিজেদের খেয়াল খুশি মতো করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এসব বিষয়ে কোন দায়দায়িত্ব আছে বলে মনে হয় না। ফলে জনগণের ভোগান্তি অসহনীয় মাত্রায় গিয়ে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানটি যেন দিন দিন জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানের বদলে স্বেচ্ছাচারী ও একক আধিপত্যের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে। সৌন্দর্যবর্ধনের নামে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের অস্তিত্ব, ছলে-বলে কৌশলে হুমকির মুখে ফেলে দেয়া হচ্ছে।

তিনি আগামী একমাসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো চলাচলের উপযোগী এবং যে সমস্ত বাসা-বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গা হয়েছে সেগুলো পুনর্নির্মাণের অনুরোধ জানান। এছাড়া জনদুর্ভোগ এড়াতে জনবহুল এলাকাগুলোতে একই সাথে একাধিক উন্নয়নকাজ পরিচালনা না করার জন্য সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন- নগরীর উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নিয়ে বর্ষা মৌসুমে দরপত্র আহবান ও ঠিকাদার নির্বাচনসহ যাবতীয় কাজ গুছিয়ে নেয়া যেতে পারে। এতে পরবর্তী বর্ষার আগে সেসব কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। ফলে কাজের মানও ভালো হবে এবং অপচয়ও কম হবে।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.