সংবাদ শিরোনাম
রবিবার থেকে ব্যাংক চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা  » «   অভ্যন্তরীণ তিন রুটে ১ জুন থেকে ফ্লাইট চালু  » «   সৌদি আরবে সিলেটর জকিগন্জের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু  » «   নিজ হাতে গড়া দল থেকে বহিষ্কার মাহাথির  » «   লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা  » «   শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এক বৃদ্ধের মৃত্যু  » «   কুলাউড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  » «   করোনা:বিশ্বনাথে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৪০  » «   বিশ্বনাথে নিজ কর্মস্থলে আসার সময় মাদ্রাসার শিক্ষকের মৃত্যু  » «   নগরীর পাঠানটুলা থেকে এক অজ্ঞাত মহিলার লাশ উদ্ধার  » «   সুনামগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় মহিলা সদস্যর শ্লীলতাহানির চেষ্টা, অভিযোগ দায়ের  » «   করোনা: দেশে একদিনে শনাক্ত ছাড়ালো ২ হাজার, মৃত্যু ১৫  » «   মায়ের দুধে করোনা সংক্রমণ হয় না  » «   ভক্তদের সারপ্রাইজ দিলেন মুশফিক  » «   করোনাকালে হাসপাতালেই হলো ডাক্তার আর নার্সের বিয়ে  » «  

ধর্ষণ মামলার বিচার ১৮০ দিনের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আইনে নির্ধারিত সময়সীমার (বিচারের জন্য মামলা পাওয়ার দিন থেকে ১৮০ দিন) মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট। শুনানি শুরু হলে প্রতি কার্যদিবসে টানা মামলা পরিচালনা করা, মামলায় সাক্ষীর উপস্থিতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে ছয় দফা নির্দেশনাও দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে এ আদেশ দেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা পৃথক তিনটি মামলায় আসামিদের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেয়া হয়। নির্দেশনা বাস্তবায়নে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আদালতের এই আদেশের অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর অবিলম্বে পাঠাতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনা ছয়টি হলো- ১. দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আইনে নির্ধারিত সময়সীমার (বিচারের জন্য মামলা পাওয়ার দিন থেকে ১৮০ দিন) মধ্যে যাতে দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে।

২. ট্রাইব্যুনালগুলোকে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০ ধারার বিধান অনুসারে মামলার শুনানি শুরু হলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি কর্মদিবসে একটানা মামলা পরিচালনা করতে হবে।
৩. ধার্য তারিখে সাক্ষীর উপস্থিতি ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রতি জেলায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন), সিভিল সার্জনের একজন প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটরের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করতে হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকবেন এবং কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতি মাসে সুপ্রিম কোর্ট স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাবেন। যে সব জেলায় একাধিক ট্রাইব্যুনাল রয়েছে সেসব জেলায় সব ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটররা মনিটরিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হবেন।

৪. ধার্য তারিখে রাষ্ট্রপক্ষ সংগত কারণ ছাড়া সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করতে ব্যর্থ হলে মনিটরিং কমিটিকে জবাবদিহি করতে হবে।

৫. মনিটরিং কমিটি সাক্ষীদের ওপর দ্রুত সময়ে যাতে সমন জারি করা যায় সে বিষয়টিও তদারকি করবেন।
৬. ধার্য তারিখে সমন পাওয়ার পর অফিশিয়াল সাক্ষী যেমন ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, ডাক্তার বা অন্যান্য বিশেষজ্ঞ সন্তোষজনক কারণ ছাড়া সাক্ষ্য প্রদানে উপস্থিত না হলে ট্রাইব্যুনাল ওই সাক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ এবং প্রয়োজনে বেতন বন্ধের আদেশ প্রদান বিবেচনা করবেন।

এ ছাড়া আদালতের অভিমত এই যে অবিলম্বে সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। আদালত এটিও প্রত্যাশা করেন যে সরকার অতি অল্প সময়ে ওই বিষয়ে আইন প্রণয়ন করবে।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.