সংবাদ শিরোনাম
‘২১শে আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড তারেক রহমান’  » «   ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন  » «   প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে ঢাকা ছাড়লেন জয়শঙ্কর  » «   ট্রেনের বগিতে ছাত্রীর লাশ ! ধর্ষণের পর হত্যা  » «   লালাখাল সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে ২ জন গুলিবিদ্ধ, নৌকা আটক  » «   প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে ভাত, ডিম, কলা ও বিস্কু  » «   মাশরাফি-সাকিব দুজনই খেলবেন রংপুরে’  » «   কাশ্মীর নিয়ে এবার আন্তর্জাতিক আদালতে যাচ্ছে পাকিস্তান  » «   ‘বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাশ্মীরি যুবকদের তুলে নেয়া হচ্ছে’  » «   জকিগঞ্জে ৫৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ২  » «   এই লাশের সন্ধান চায় ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশ  » «   মাধবপুরে ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার ২  » «   জগন্নাথপুরে এক রিকশা চালককে চুরির অভিযোগে বেঁধে রেখে হত্যা  » «   মাধবপুরের ডাকাত এরশাদ সিলেট থেকে গ্রেপ্তার  » «   ছাতকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে যুবতীর আত্মহত্যা  » «  

পরিমাণ বাড়ানো নয়, কৃষক চায় কম সুদে ঝামেলামুক্ত ঋণ

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর চেয়ে কৃষকের হাতে কম সুদে ঝামেলামুক্ত ঋণ বিতরণই চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। এ লক্ষ্যে নতুন কৃষিঋণ নীতিমালায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তারা। প্রান্তিক চাষিদের জন্য শর্তহীন ঋণ দেয়ার দাবি কৃষক প্রতিনিধিদের।
২০০৯ সাল থেকে কৃষিঋণ নীতিমালা প্রকাশ করে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। উদ্দেশ্য ছিলো ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে কৃষি খাতের ঋণ প্রবাহ বাড়ানো। পাশাপাশি ফসলের ওপর ঋণ দিয়ে প্রান্তিক চাষিকে সহায়তা করা। গেল পাঁচ বছরের পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিবছরই বেড়েছে ঋণ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা। বেড়েছে বিতরণের অংক। তবে, অনেক ব্যাংকই সরাসরি ঋণ না দিয়ে এনজিওর মাধ্যমে বিতরণ করে। এতে সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ থেকে যায় কৃষকের।
একজন কৃষক বলেন, কৃষি ঋণটা তো আমরা পাই না। আজকে এই কাগজ, তো কালকে সে কাগজ। এছাড়া ঘুষ দিতে হয়।
নতুন নীতিমালায়, এনজিও নির্ভরতা কমাতে ব্যাংকের শাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। সিআইবি রিপোর্ট ছাড়াই কৃষককে ঋণ দিতে চায় আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত। সঠিক সময় ঋণ কৃষকের হাতে পৌঁছতে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ঋণ ইস্যু করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রমের সঠিক বাস্তবায়নের দাবি কৃষক নেতাদের।
কৃষক নেতা আহসানুল হাবিব বলেন, চাষিদের কৃষিঋণটা মওকুফ করতে হবে। তাদের নতুন করে কৃষিঋণের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। সহজ শর্তে বিনা সুদে ঋণ দিতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ১০ দিনের মধ্যে ঋণ নিষ্পত্তিতে ছোট অংকের ঋণ বিতরণে ইতিবাচক ফল আনলেও বড় অংকের ঋণের ক্ষেত্রে কিছুটা বেগ পেতে হতে পারে।
অর্থনীতিবিদ ড. এম আসাদুজ্জামান বলেন, লোনের খরচটা কৃষকদের জন্য অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। ২০ শতাংশ যদি লোনের খরচ হয় তবে মিনিমাম রিটার্ন ২০ শতাংশ হতে হবে। কারণ ২৫ থেকে ২৬ শতাংশ রিটার্ন কি ধানে হয়?
বন্যার পরে আগামী মৌসুমের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই কৃষককে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে মাঠ পর্যায়ে সহায়তা পৌঁছে দেয়ার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.