সংবাদ শিরোনাম
আজ হেমন্ত: খুব নীরবে শুরু হলো ফসলের ঋতু  » «   বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা: মাঠ পর্যায়ের আন্দোলনের ইতি  » «   হাগিবিসে বিধ্বস্ত জাপান, নিহত বেড়ে ৭৪  » «   পাবিপ্রবি’তে বিক্ষোভ, ডীনসহ ৩ শিক্ষক অবরুদ্ধ  » «   নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশী ২ বিধবার মানবিক আবেদন  » «   কূটনীতিকরা শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   সোনাগাজীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩৭ মামলার আসামি নিহত  » «   মেক্সিকোতে অস্ত্রধারীদের গুলিতে নিহত ১৩ পুলিশ  » «   অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিবাদের নামে নগ্নতা  » «   সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের স্থলে এখন রাশিয়া!  » «   হবিগঞ্জে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক  » «   রবিবারে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা আর সোমবারে ৪৫০ কোটি টাকার অভিযোগে মামলা  » «   তুহিনের হত্যাকারী তার বাবা, চাচা এবং চাচাতো ভাই আরও একটি হত্যাসহ দুটি মামলার আসামি  » «   পাষন্ড বাবা কোলে করে নিয়ে যান’ চাচা ও চাচাতো ভাই’ তুহিনকে খুন করে  » «   তুহিনের খুনিদের পক্ষে আদালতে দাড়াবেননা কোন আইনজীবি  » «  

পরিমাণ বাড়ানো নয়, কৃষক চায় কম সুদে ঝামেলামুক্ত ঋণ

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর চেয়ে কৃষকের হাতে কম সুদে ঝামেলামুক্ত ঋণ বিতরণই চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। এ লক্ষ্যে নতুন কৃষিঋণ নীতিমালায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তারা। প্রান্তিক চাষিদের জন্য শর্তহীন ঋণ দেয়ার দাবি কৃষক প্রতিনিধিদের।
২০০৯ সাল থেকে কৃষিঋণ নীতিমালা প্রকাশ করে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। উদ্দেশ্য ছিলো ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে কৃষি খাতের ঋণ প্রবাহ বাড়ানো। পাশাপাশি ফসলের ওপর ঋণ দিয়ে প্রান্তিক চাষিকে সহায়তা করা। গেল পাঁচ বছরের পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিবছরই বেড়েছে ঋণ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা। বেড়েছে বিতরণের অংক। তবে, অনেক ব্যাংকই সরাসরি ঋণ না দিয়ে এনজিওর মাধ্যমে বিতরণ করে। এতে সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ থেকে যায় কৃষকের।
একজন কৃষক বলেন, কৃষি ঋণটা তো আমরা পাই না। আজকে এই কাগজ, তো কালকে সে কাগজ। এছাড়া ঘুষ দিতে হয়।
নতুন নীতিমালায়, এনজিও নির্ভরতা কমাতে ব্যাংকের শাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। সিআইবি রিপোর্ট ছাড়াই কৃষককে ঋণ দিতে চায় আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত। সঠিক সময় ঋণ কৃষকের হাতে পৌঁছতে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ঋণ ইস্যু করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রমের সঠিক বাস্তবায়নের দাবি কৃষক নেতাদের।
কৃষক নেতা আহসানুল হাবিব বলেন, চাষিদের কৃষিঋণটা মওকুফ করতে হবে। তাদের নতুন করে কৃষিঋণের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। সহজ শর্তে বিনা সুদে ঋণ দিতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ১০ দিনের মধ্যে ঋণ নিষ্পত্তিতে ছোট অংকের ঋণ বিতরণে ইতিবাচক ফল আনলেও বড় অংকের ঋণের ক্ষেত্রে কিছুটা বেগ পেতে হতে পারে।
অর্থনীতিবিদ ড. এম আসাদুজ্জামান বলেন, লোনের খরচটা কৃষকদের জন্য অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। ২০ শতাংশ যদি লোনের খরচ হয় তবে মিনিমাম রিটার্ন ২০ শতাংশ হতে হবে। কারণ ২৫ থেকে ২৬ শতাংশ রিটার্ন কি ধানে হয়?
বন্যার পরে আগামী মৌসুমের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই কৃষককে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে মাঠ পর্যায়ে সহায়তা পৌঁছে দেয়ার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.