সংবাদ শিরোনাম
সিলেটে বন্যা:নগরীর উপশহরসহ অনেক এলাকা বাসাবাড়ি পানিতে নিমজ্জিত  » «   সূচকে আরো দুই ধাপ পেছালো বাংলাদেশি পাসপোর্টের মান  » «   সিলেটে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে  » «   ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে মিথ্যাবাদী বললেন রাহুল গান্ধী  » «   অবশেষে মাস্ক পরলেন ট্রাম্প  » «   অবৈধ ভারতীয় বিড়ি নিয়ে সমঝোতা বিড়িসহ ইউপি সদস্য আটক  » «   সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক শিশুর মৃত্যু  » «   সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের শনির হাওর থেকে এক নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার  » «   জগন্নাথপুরে আরো ২জন মহিলা করোনায় পজেটিভ, মোট আক্রান্ত ৯৮: সুস্থ ৮৩  » «   জগন্নাথপুর ২য় দফা বন্যা,পানিবন্দী হাজার হাজার মানুষ  » «   সিলেটে ট্যাঙ্ক লরি শ্রমিক নেতা খুন  » «   সিলেটে বন্যা:দ্বিতীয় দফায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অর্ধলক্ষাধিক মানুষ  » «   সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমার ৫৪ সেঃ মিটার ও ছাতকে ১৬৬ সেন্টিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে  » «   ইতালিফেরত ১৪৭ জন হজক্যাম্পে কোয়ারেন্টিনে  » «   করোনা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে আসা ব্যক্তি জ্বর-কাশি নিয়ে ইতালি ঘুরে বেড়ান!  » «  

পরিমাণ বাড়ানো নয়, কৃষক চায় কম সুদে ঝামেলামুক্ত ঋণ

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর চেয়ে কৃষকের হাতে কম সুদে ঝামেলামুক্ত ঋণ বিতরণই চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। এ লক্ষ্যে নতুন কৃষিঋণ নীতিমালায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তারা। প্রান্তিক চাষিদের জন্য শর্তহীন ঋণ দেয়ার দাবি কৃষক প্রতিনিধিদের।
২০০৯ সাল থেকে কৃষিঋণ নীতিমালা প্রকাশ করে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। উদ্দেশ্য ছিলো ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে কৃষি খাতের ঋণ প্রবাহ বাড়ানো। পাশাপাশি ফসলের ওপর ঋণ দিয়ে প্রান্তিক চাষিকে সহায়তা করা। গেল পাঁচ বছরের পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিবছরই বেড়েছে ঋণ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা। বেড়েছে বিতরণের অংক। তবে, অনেক ব্যাংকই সরাসরি ঋণ না দিয়ে এনজিওর মাধ্যমে বিতরণ করে। এতে সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ থেকে যায় কৃষকের।
একজন কৃষক বলেন, কৃষি ঋণটা তো আমরা পাই না। আজকে এই কাগজ, তো কালকে সে কাগজ। এছাড়া ঘুষ দিতে হয়।
নতুন নীতিমালায়, এনজিও নির্ভরতা কমাতে ব্যাংকের শাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। সিআইবি রিপোর্ট ছাড়াই কৃষককে ঋণ দিতে চায় আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত। সঠিক সময় ঋণ কৃষকের হাতে পৌঁছতে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ঋণ ইস্যু করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রমের সঠিক বাস্তবায়নের দাবি কৃষক নেতাদের।
কৃষক নেতা আহসানুল হাবিব বলেন, চাষিদের কৃষিঋণটা মওকুফ করতে হবে। তাদের নতুন করে কৃষিঋণের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। সহজ শর্তে বিনা সুদে ঋণ দিতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ১০ দিনের মধ্যে ঋণ নিষ্পত্তিতে ছোট অংকের ঋণ বিতরণে ইতিবাচক ফল আনলেও বড় অংকের ঋণের ক্ষেত্রে কিছুটা বেগ পেতে হতে পারে।
অর্থনীতিবিদ ড. এম আসাদুজ্জামান বলেন, লোনের খরচটা কৃষকদের জন্য অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। ২০ শতাংশ যদি লোনের খরচ হয় তবে মিনিমাম রিটার্ন ২০ শতাংশ হতে হবে। কারণ ২৫ থেকে ২৬ শতাংশ রিটার্ন কি ধানে হয়?
বন্যার পরে আগামী মৌসুমের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই কৃষককে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে মাঠ পর্যায়ে সহায়তা পৌঁছে দেয়ার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.