সংবাদ শিরোনাম
জগন্নাথপুরে হাওর থেকে এক অঞ্জাতনামা ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার  » «   জগন্নাথপুরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১ ব্যক্তি: মোট ১০, সুস্থ ৬, আইসোলেশনে ৪  » «   দোয়ারাবাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১০  » «   সিলেটে দক্ষিণ সুরমায় দু’দল বাস শ্রমিকের মধ্যে দেড় ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ  » «   করোন:এক দিনে ৯৩ জন আক্রান্ত সিলেট বিভাগে:মোট ১০৪০ জন  » «   ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবিতে নিহত ৩৬: এ মামলার প্রধান আসামি রফিকুল গ্রেফতার  » «   সিলেট থেকে বাস চলাচল শুরু  » «   ছাতকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক ঔষধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু  » «   সুনামগঞ্জে চেয়ারম্যানের অপসারনের দাবীতে অভিযোগ দায়ের  » «   সুনামগঞ্জে র‍্যাব ক্যাম্পের ১৬ জন সদস্যসহ মোট ২১ জন করোনায় আক্রান্ত  » «   জগন্নাথপুরে মানসিক রোগী দীর্ঘ এক বছর পর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ফিরে পেল পরিবার  » «   রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ১৯-২০ বছরের উন্মুক্ত বাজেট পেশ  » «   জগন্নাথপুরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে আরেক জন  » «   জগন্নাথপুরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা জরিমানা আদায়  » «   গোয়াইনঘাটে এসএসসিতে পাশের হার ৭৯.২৭ জিপিএ ৪৫ জন  » «  

পলিথিনে ভরে সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দেন বাবারা!

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::ভিয়েতনামের একটি গ্রামে বিপজ্জনক নদী পার করে সন্তানদের স্কুলে পৌঁছে দিতে কল্পনাতীত কাজ করছেন শিশুদের অভিভাবকরা। প্রতিদিন শিশুদের প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে তাদেরকে নদী পার করে দেন বাবারা। স্কুল শেষ হলে একই উপায়ে নদী পার করে আনেন।
সংবাদ মাধ্যম মিরর জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম ভিয়েতনামের হুওউ হাই গ্রামের ৫০ জন শিশুকে ‘নাম মা’ নদী পার করে প্রতিদিন এভাবে স্কুলে পৌঁছে দেন তাদের বাবারা।
সাধারণত এসব বাচ্চারা বাঁশের ভেলা ও রশি দিয়ে বানানো বিশেষ এক পদ্ধতিতে নদী পার হয়। এসময়ও বাবারা বাচ্চাদের ভেলার ওপর রেখে রশি টেনে নদী পার করেন।
তবে বর্ষাকাল শুরু হওয়ায় ভারী বর্ষণে বন্যায় নদীর পানি অসম্ভব বেড়ে গেছে এবং বিপজ্জনক রূপ ধারণ করেছে। এ কারণে বাঁশের ভেলায় বাচ্চাদের নদী পার করার বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। এরপরই বাবারা তাদের বাচ্চাদের প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নদী পার করার পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন।
একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বড় একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে স্কুল ব্যাগ, জামা-কাপড় ও বাচ্চাকে ভরে নিয়ে মুখ আটকে দেন বাবারা। এরপর প্লাস্টিকের ব্যাগ নদীতে ভাসিয়ে নিয়ে সাঁতরে নদী পার হন তারা।
এই পদ্ধতিকে বিপজ্জনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রধান। না সাং সম্প্রদায়ের চেয়ারম্যান ভাং এ পো বলেন, প্লাস্টিকের ব্যাগে করে বাচ্চাদের পারাপারের বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়েছে। তবে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁশের ভেলা ভেসে যাতে পারে এজন্য তারা এই পদ্ধতি বেছে নিতে হয়েছে।

স্থানীয় মৌয়ং ছা জেলার চেয়ারম্যান হুয়েন মিনহ হু বলেন, প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে বাচ্চাদের নদী পার করার পদ্ধতি এই অঞ্চলে স্বাভাবিক। তবে যখন বাঁশের ভেলা ব্যবহার বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়ায় তখনই কেবল এমন পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়।

যদি এসব ছেলে-মেয়ে এভাবে নদী পার না হয় তবে স্বাভাবিক ভাবে সেতু দিয়ে নিরাপদে তাদের স্কুলে যেতে ৫ ঘণ্টা সময় লাগবে। অনেক সময় শিশুরা স্কুলেই থাকে, সপ্তাহান্তে তারা বাড়িতে যায়।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.