সংবাদ শিরোনাম
৭৫ বছর বয়সে কন্যা সন্তানের মা হলেন ভারতীয় নারী  » «   দিরাইয়ে তুহিন হত্যাকাণ্ড: ১০ জনকে আসামি করে মামলা  » «   শায়েস্তাগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত নিহত  » «   রোনালদোর ইতিহাসগড়া ম্যাচে পর্তুগালের হার  » «   সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৪ বনদস্যু নিহত  » «   মেক্সিকোতে অস্ত্রধারীদের গুলিতে নিহত ১৩ পুলিশ  » «   ধামরাইয়ে চার শিশুকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ  » «   টাঙ্গাইলে মা ও মেয়েকে গলাকেটে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার  » «   নবীগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকদের মতবিনিময়  » «   ফেঞ্চুগঞ্জে শাহজালাল সার কারখানায় চুরির অভিযোগে গ্রেফতার ২ কর্মকর্তা  » «   জকিগঞ্জে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে টমটম থেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষন  » «   নগরীর শামীমাবাদ থেকে কুখ্যাত ‘ডাকাত’ জয়নাল গ্রেপ্তার  » «   মাধবপুর নয়াপাড়া ইউনিয়ন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাবেদ বিজয়ী  » «   নবীগঞ্জের দেবপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকা প্রতীক বিজয়ী  » «   হবিগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ১  » «  

‘শুধু স্প্রে ম্যান দিয়ে মশা নির্মূল সম্ভব না’

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেক আগেই অ্যাকশন প্ল্যান দরকার ছিল। কারণ, ফেব্রুয়ারিতে বৃষ্টি হওয়ায় এর বিস্তার এতটা ব্যাপকহারে হয়েছে। আর এডিস মশা নিমূল রাস্তায় স্প্রে ম্যান ওষুধ স্প্রে করলে হবে না। কারণ, এডিস মশা বাসা বাঁধে বাড়ির ভেতরে, জমানো পানির পাত্রে। কাজেই সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি এর সঙ্গে মানুষের সম্পৃক্ততা না থাকলে কোন কিছুতেই সফলতা আসবে না। সামনের দিনে একটি বড় ভয় হচ্ছে এটি ঢাকার বাইরের শহরগুলোতেও ছড়িয়ে যেতে পারে। গতরাতে চ্যানেল আইতের নিয়মিত আয়োজন ‘আজকের সংবাদপত্র’ অনুষ্ঠানে কথাগুলো বলছিলেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ^বিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক, কীটতত্ববিদ ও বাংলাদেশের একমাত্র মশা গবেষক কবীরুল বাশার। মানবজমিন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে তিনি আরও জানিয়েছেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতির ভয়াবহতার নেপথ্যের কথা।

আর এ পরিস্থিতি থেকে বের হতে আশু করণীয়-ই বা কি?

১৯৬৭ সালে ঢাকাতে প্রথম ডেঙ্গু দেখা দেয়। তখন ডেঙ্গুকে বলা হতো ঢাকা ফিভার। এরপর ২০০০ সালে বাংলাদেশে ডেঙ্গু ব্যাপক আকারে দেখা দেয়। ২০০০ সালের পর প্রতিবছরই কম বা বেশি ডেঙ্গু হয়েছে। ডেঙ্গু এডিস মশার কামড়ে হয়। এডিস মশার দুটি প্রজাতি রয়েছে। একটি হচ্ছে এডিস এলবোপিকটাস আর একটা এডিস ইজিপটাই। এই ইজপটাই মশাটিই হচ্ছে ৯৫ শতাংশ ডেঙ্গু রোগের বাহক। আমরা ঢাকা শহরে বিভিন্ন অঞ্চলে গবেষণা বা জরিপ করে দেখেছি যে, অপরিকল্পিত নগরায়নের সঙ্গে এডিস মশার সুন্দর একটা সম্পর্ক আছে। এডিস ইজিপটাই মশাকে গৃহপালিত মশা হিসেবে ধরা হয়। ইংরেজিতে এক ডমিস্টিক মসকিউটো বলা হয়। যে মশা ঘরের আশপাশে থাকতে পছন্দ করে, বিশেষত বাড়ির পাশে, বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানিতে।
কথা হচ্ছে, এবার ডেঙ্গু এতটা ব্যাপক আকারে দেখা গেল কেন? হাসপাতালে জায়গা নেই। এখন এরকম পরিস্থিতি কেনো এ বছর হলো?

গত ফেব্রুয়ারি মাসেই বলেছিলাম, এ বছর ডেঙ্গু অনেক বেশি হবে। কোন যুক্তিতে আমি বলেছি? নিশ্চয় তার একটি বৈজ্ঞানিক যুক্তি থাকবে। লক্ষ্য করবেন, ১৯৫৩ সালের পরে এ বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। যেহেতু এই বছর ফেব্রুয়ারিতে হঠাৎ করেই বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে সেহেতু- এডিস মশার বংশ বিস্তারে এটি ভূমিকা রেখেছে। এডিস মশার একটি ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টারেস্টিক আছে- এদের ডিম ধানের বীজের মতো, শুকনা অবস্থায় ৬ মাস থাকতে পারে। ওই ডিমটা নষ্ট হবে না। যখনই আগের বছরের ডিম অর্থাৎ অক্টোবর মাসে যে ডিমটা এডিস মশা ছেড়েছে তার চারমাস পরে যখন ফেব্রুয়ারিতে পানি পেয়েছে তখন এডিস মশার গ্রুপ অব ইপিজটাই ঢাকা শহরে তৈরি হয়ে গেছে। এরপর মার্চ-এপ্রিল মাসে যখন থেমে থেমে বৃষ্টি হলো তখন এডিস মশার বিস্তার বা সংখ্যাটা বাড়তে থাকল। অন্যদিকে ডেঙ্গু ভাইরাস প্রতিবছরই কমবেশি আছেই, এডিস মশার ঘনত্ব যখন অনেক মাত্রায় বেড়ে গেছে তখন এটা ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র।

করণীয় কি? আমাদের দেশে যখন আমরা বিপদে না পড়ি তখন পর্যন্ত আমরা অ্যাকটিভ হই না। সর্বক্ষেত্রেই। শুধূমাত্র এটার ক্ষেত্রে না। আমাদের আগে থেকেই একটা অ্যাকশন প্ল্যান দরকার ছিল। ফেব্রুয়ারি মাসে যখন জানা গেল এরকম পরিস্থিতি হতে পারে, তখন একটা একশন প্ল্যান করার দরকার ছিল। কিভাবে এডিসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।  সেক্ষেত্রে আমাদের এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি থাকে সিটি করপোরেশনের হাতে। সিটি করপোরেশনের উচিৎ ছিল অ্যাকশন প্ল্যান করা- ডেঙ্গু পরিস্থিতি জুন-জুলাইতে অবনতি হলে কিভাবে মোকাবেলা করবে। সেই অ্যকশন প্ল্যানটা হয়তো ওভাবে করা হয় নাই। আর সিটি করপোরেশনের আসলে এক্সপার্টাইজারেরও অভাব আছে। মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য এনটোমোলজিস্ট বা কীটতত্ত্ববিদের দরকার। সিটি করপোরেশনের আসলে কোন কীটতত্ত্ববিদ নেই।

ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আমাকে বহুবার ডেকেছে, সেখানে পরিকল্পনাও দিয়েছি, পরিকল্পনাগুলো শোনা হয় কিন্তু মানা হয় না বা করা হয় না ঠিক মতো। তারাও বলে অনেক সীমাবদ্ধতা তাদের আছে, থাকতেও পারে। আমি বারবার একটা জিনিস জোর দিয়েছি, বাংলাদেশে যেকোন বিষয়ে মনিটরিং এবং ইভেল্যুয়েশনের দরকার পড়ে। একটা প্রোগ্রাম আমি করছি, এই প্রোগ্রামটার সাকসেস রেট আসলে কেমন, সেটা একটা। এর প্রি ইভেল্যুয়েশন হবে আর একটা পোস্ট ইভেল্যুয়েশন হবে। পোস্ট ইভেল্যুয়েশনের পরে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সিটি করপোরেশন মসকিউটো কন্ট্রোলের যে প্রোগ্রামটা করে, তা মূলত কিউরেক্সের জন্য করে। কিউরেক্স মশা যেমন- ড্রেন, ডোবা, নর্দমা, পচা পানিতে হয়। কিন্তু এডিস মশা তো পচা পানিতে হয় না। এখানে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং কিউরেক্স মশার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এক হবে না। এটা আলাদা। যারা মশা নিয়ন্ত্রণের ফিল্ড ওয়ার্কার-স্প্রে ম্যান তারাও বেশিরভাগ পুরনো মানুষ, বৃদ্ধলোক। তারা গতানুগতিকভাবেই জানে আমি যখন ফগার মেশিনটা চালিয়ে যাব, ধোঁয়াটা যখন দিয়ে দেব, রাস্তা দিয়ে দেব। কিন্তু এডিস মশা তো রাস্তায় থাকে না। আমি শুরুতেই বলছি, এডিস মশা হচ্ছে- গৃহপালিত মশা। এখন এই মূহুর্তে রাস্তায় স্প্রে করলে লাভ হচ্ছে না। তাহলে যে স্প্রে ম্যানরা কাজ করছেন তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

মশা মারার ওষুধের আয়ু শেষ হয়ে গেছে- এটা একটা ভুল তথ্য। সায়েন্টিফিক্যালি বলি- সিটি করপোরেশন সাউথ এবং নর্থ দুইটা পার্টে তিনটা ‘ইনসেক্টিসাইড’ একটা কমিউনিকেশন ব্যবহার করে। টেট্্রামেট্্িরন, পেলেথ্রিন এবং পরমাথ্রিন। তিনটা ইনসেক্টিসাইডের একটা কম্বিনেশন ব্যবহার করে। এই তিনটা ইনসেক্টিসাইডের তিন ধরনের কার্যকারিতা আছে। একটা হচ্ছে নগডাউন এজেন্ট- যেটা মশাকে ফেলে দেবে, আরেকটা হচ্ছে কিলিং এজেন্ট- যেটা মশাকে মেরে ফেলবে, আরেকটা এক্টিভিজিং মশা- যেটা মশাকে এক্টিভ করবে, এক্টিভেট করলে ইনসেক্টিসাইডটা সহজে মশার বডিতে ঢোকে। তিনটির তিন ধরনের কার্যকারিতা। এই তিনটা অস্ত্র একসঙ্গে সিটি করপোরেশন ব্যবহার করে এবং এটা কাজ করার কথা। এটা রিকমেন্ড করা হয়েছে। সেটা সিটি করপোরেশন ব্যবহার করছে।
একটা তথ্য নিয়ে তোলপাড় হয়ে যাচ্ছে, সেটা হলো- আইসিসিডিআরবি একটা গবেষণা করেছে, সেই গবেষণার ম্যাথেডোলজিটা ভিন্ন। তারা এই তিনটা উপাদানের মধ্যে একটা উপাদান কিলিং এজেন্ট নিয়ে টেস্ট করেছে, যেটা মশাকে মেরে ফেলে। সেটাকে তারা অকার্যকর করতে পেরেছে। এবং তারা ঘোষণা দিয়েছে, সিটি করপোরেশনের মশা মারার যে ওষুধ সেটা অকার্যকর। আমি একজন মশা গবেষক হিসেবে ওটাকে পুরোপুরি একসেপ্ট করতে পারি না। যুক্তিটা হচ্ছে তিনটার যে ককটেল সিটি করপোরেশন ব্যবহার করে, সেই তিনটাকে একসঙ্গে করা হয় নি। তিনটা উপাদান একসঙ্গে দিলে কাজ করবে বেশি। এজন্য উচিৎ ছিল তিনটা উপাদানের সম্মিলিত কীটনাশককে টেস্ট করা। একটা টেস্ট করেই এই মূহুর্তে মিডিয়ার কাছে বলে দেয়াটা ঠিক হয় নি।

ব্যর্থতা বা মশা বাড়লো কেন? মশা দুইভাবে কন্ট্রোল হয়। একটা হয় পানিতে। মশা ডিম পাড়ে পানিতে, সেখানে লার্ভ হয়, তারপর পিউপা হয়। পিউপা পর্যন্ত সে পানিতে থাকে। এই পিউপা দশা পর্যন্ত সেটাকে পানিতে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। সেটা একধরনের ইনসেক্টিসাইড। যখন মশাটা উড়ন্ত হয়ে যায় তখন সেটাকে আরেকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। এই দুটো নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিকে একসঙ্গে চালাতে হবে।

একটা উড়ন্ত মশাকে মরার পর একঘন্টা পর আবার পানি থেকে আরেকটা মশা চলে আসছে। আমরা যদি দুটো পদ্ধতিই একসঙ্গে যুগপথভাবে একসঙ্গে চালিয়ে না নিই তাহলে মশা নিয়ন্ত্রণ হবে না।

বর্তমান পরিস্থিতি একটা ক্রাইসিস। এই ক্রাইসিস পরিস্থিতিতে কমপ্লিট যুদ্ধে নামতে হবে। এই যুদ্ধে শুধুমাত্র সিটি করপোরেশনের সৈনিক হলে হবে না, এখানে জনগণকে অংশ নিতে হবে। এডিস মশা যেহেতু বাড়িতে হয়, সেহেতু নগরবাসী সচেতন না হলে এটা নিয়ন্ত্রণ হবে না। সিটি করপোরেশনকে একদম ক্রাস প্রোগ্রাম করতে হবে। যে মশাগুলো উড়ন্ত অবস্থায় আছে, যে মশাগুলো ডেঙ্গু ভাইরাস ক্যারি করছে, সেগুলোকে ফেলে দিতে হবে। আগে যেভাবে রাস্তাতে, ড্রেনে স্প্রে করা হতো সেখানে স্প্রে করা যাবে না। মানুষের ঘরবাড়ির ভেতরে ঢুকে, বাড়ির চারপাশে স্প্রে করে দিতে হবে। এটা করে ইনফেক্টেড মশাটা মেরে দিতে হবে। আর জনগণের কাজ হচ্ছে, প্রত্যেকে তার বাড়ির চারপাশে চেক করতে হবে। যদি ঘরের বা বাড়ির চারপাশে কোথাও পানি জমে থাকে, সেখানে পোকা হচ্ছে কিনা। যদি পোকা হয় সেটা উল্টে দিতে হবে। যদি কাল সকাল বেলা নগরবাসী একযোগে আধাঘন্টা সময় তার বাড়িটা একটু চেক করে তাহলে ফিফটি পারসেন্ট মশা ডাউন হয়ে যাবে এমনিতেই। আর সিটি করপোরেশন যদি উড়ন্ত মশা মারতে ক্রাস প্রোগ্রাম চালায়, দরকার হলে লোক ভাড়া করে, আরও ফগার মেশিন কিনে উড়ন্ত মশা ফেলে দিতে হবে।

মশা নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ না, তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে আমরা বিভিন্ন জায়গায় এডিস মশার জরিপ করছি, ঘনত্ব নির্ণয় করছি, জনগণকে সচেতন করছে, ডাক্তারদের জন্য গাইড লাইন তৈরি করেছি। হসপাতালগুলোতে কিভাবে ডেঙ্গু রোগীর ম্যানেজমেন্ট করবে, সেটা নিয়ে তারা কাজ করছে। সেটা নিয়ে খুব বেশি গাফিলতি দেখি না। ইভেন এখন ডাক্তাররাও ভালোভাবে ট্রেইন্ড।

ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে পড়বে ডেঙ্গু। কারণ এসিড মশা সব শহরেই আছে। ঢাকা থেকে অন্য শহরের মানুষের র‌্যাপিড মুভমেন্ট করছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভাইরাস এক শহর থেকে আরেক শহরে নিয়ে যায়। সেখানে এডিস মশা রয়েছে। সবচেয়ে বড় ঝুঁকি রয়েছে সামনে ঈদে। এ সময়ে বড় একটা কমিউনিটি ঢাকা থেকে অন্যান্য শহরে যাবে। এখন থেকে অন্য শহরের মেয়রদেরকেও অ্যাকশন প্ল্যানে যেতে হবে। তা না হলে ঢাকা থেকে রোগী যাবে, সেখানে এডিস মশা আছে এবং ভাইরাস ট্রান্সপ্রিট করবে। ফলে তাদের এখনই উদ্যোগী হতে হবে।

আরেকটি মজার তথ্য হলো, মশা কিন্তু রক্ত খায় না। স্ত্রী মশা রক্ত খায় তাও যখন তার পেটে ডিম আসে। কারণ রক্ত না খেলে তার ডিম থেকে বাচ্চাতে রূপান্তরিত হয় না। এজন্য বাচ্চা ফুটার জন্য মা মশা রক্ত খায়। তার পেটে গড়ে ১৫০-২০০ ডিম থাকে। যখন সে মনে করবে এই ডিমের ব্লাড প্রোটিন ফুল হয়েছে তখন সে রক্ত নেয়া বন্ধ করে দেবে।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.