সংবাদ শিরোনাম
বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে চক্রান্তের পথ বেছে নিয়েছে : কাদের  » «   অপপ্রচারে কান দেবেন না : প্রধানমন্ত্রী  » «   নগরীর সুরমা মার্কেট এলাকা থেকে একাধিক মামলার আসামি ঝাড়ু গ্রেপ্তার  » «   মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের ফল প্রকাশ  » «   সশস্ত্র বাহিনী দিবস আজ  » «   বুরকিনা ফাসোতে পুলিশি অভিযানে ১৮ জিহাদি নিহত  » «   রাষ্ট্রপতির ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা  » «   সৌদি রাজকন্যা বাসমাহ বিনতে সৌদ নিখোঁজ!  » «   চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ২ শতাধিক শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ  » «   স্বামী বাসর ঘরে ঢুকে দেখলেন স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা  » «   দাবি মানার আশ্বাসে পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত  » «   দুই ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির টাকা দিলেন হবিগঞ্জের এসপি  » «   মহানগর মৎস্যজীবী দলের আহবায়ক কমিটির অনুমোদন  » «   সিলেটের ৭ উপজেলা আ.লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন  » «   জৈন্তাপুরের লালাখাল তুমইর এলাকা থেকে ১৬টি মহিষ আটক  » «  

কলকাতায় দুই বাংলাদেশি পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় নাটকীয় মোড়

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::কলকাতায় দুই বাংলাদেশি পর্যটকের মৃত্যুর জন্য দায়ী জাগুয়ার কান্ড নাটকীয় মোড় নিয়েছে। গত ৫ দিনে জানা গিয়েছিল জাগুয়ার গাড়ির চালক ছিলেন কলকাতার বিখ্যাত বিরিয়ারি চেইনের মালিকের ছোট ছেলে আরসালান পারভেজ। পুলিশও তাতে প্রাথমিকভাবে সিলমোহর দিয়েছিল। যার জেরে আরসালান পারভেজ লকআপে রয়েছেন গত ৫দিন ধরে। তবে বুধবার কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (অপরাধ) মুরলীধর শর্মা জানিয়েছেন. শেক্সপীয়র সরণীতে  ঘাতক জাগুয়ার গাড়ির স্টিয়ারিং ছিল আরসালানের বড় ভাই রাগিব পারভেজের হাতে। অভিযুক্ত তার ছোট ভাই আরসালান পারভেজ নন। প্রশ্ন উঠেছে, কেন আরসালান বিরিয়ানি চেইনের মালিক আখতার পারভেজ তার ছোট ছেলেকে এই ঘটনায় আত্মসমর্পণ করালেন? কোনও কিছু গোপন করতেই কি এই পরিকল্পনা? এদিন লালবাজারে সাংবাদিক বৈঠক করে মুরলীধর শর্মা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে দুর্ঘটনার পর শেক্সপিয়ার সরণিতে কখনও হেঁটে, কখনও দৌড়ে যেতে দেখা গিয়েছিল ওই গাড়ির চালককে। কিন্তু তার মুখ স্পষ্টভাবে ধরা পড়েনি।

পরে ওই উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন গাড়ি থেকে পাওয়া একটি মোবাইলের সূত্র ধরে ওই সময় গাড়ি কে চালাচ্ছিলেন, তা জানা গিয়েছে। কারণ, ওই গাড়িটির সিস্টেমের সঙ্গে মোবাইলের লিঙ্ক করা ছিল। নির্দিষ্ট মোবাইলের সঙ্গে গাড়ির সিস্টেম না মিললে, গাড়ি চলবে না। দুর্ঘটনার আগে যে মোবাইল দিয়ে গাড়িটি চালানো হচ্ছিল, তার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে গত সোমবার। পরে সেই মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপ ডিপি দেখেই চালকের ছবি চিহ্নিত করা হয়েছে। এর পর ওই এলাকার সিসি ক্যামেরা এবং আখতার পারভেজের বাড়ির সামনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে গোয়েন্দারা নিশ্চিত হন, ঘাতক গাড়ির চালক ছিলেন রাগিব। ঘটনার পর দিনই রাগিব দুবাই চলে গিয়েছিলেন। দুদিন আগে তিনি ফিরে এসেছেন। রাগিব আরসালানের মুম্বাই ও দুবাইয়ের ব্যবসা দেখভাল করে। দুবাইয়ে গিয়ে রাগিব জানতে পেরেছিলেন এই ঘটনায় তার ভাইকে আত্মসমর্পণ করানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুবাই থেকে কলকাতা ফিরে নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন রাগিব। সেখান থেকেই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে রাগিবকে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার মামাকেও। তবে, দুর্ঘটনার পর যে পারিবারিক বন্ধু আরসালান পারভেজকে নিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করাতে গিয়েছিলেন, তিনি এদিন বলেন, আমার তো অন্য কারও ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিইনি। আমাদের না জানিয়ে দুবাইয়ে চলে গিয়েছিল রাগিব। যেভাবে ওদের বাবা আখতার পারভেজ ভেঙে পড়েছিল, তা দেখে ছোট ছেলে আরসালান পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। ও বলেছিল, যেভাবে পুলিশ চাপ দিচ্ছে তাতে আমিই ধরা দিই। এর মধ্যে দুবাই থেকে ফিরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে তোমরা দাদাকে বোঝাও। তবে এই বক্তব্যের মধ্যে কতটা সত্যতা আছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অবশ্য আরসালান পারভেজ পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থায় এই ঘটনায় তার দাদা জড়িত রয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু কেন তাকে আত্মসমর্পণ করানো হল, সে বিষয়ে অবশ্য তিনি মুখ খোলেননি।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.