সংবাদ শিরোনাম
জগন্নাথপুরে হাওর থেকে এক অঞ্জাতনামা ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার  » «   জগন্নাথপুরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১ ব্যক্তি: মোট ১০, সুস্থ ৬, আইসোলেশনে ৪  » «   দোয়ারাবাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১০  » «   সিলেটে দক্ষিণ সুরমায় দু’দল বাস শ্রমিকের মধ্যে দেড় ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ  » «   করোন:এক দিনে ৯৩ জন আক্রান্ত সিলেট বিভাগে:মোট ১০৪০ জন  » «   ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবিতে নিহত ৩৬: এ মামলার প্রধান আসামি রফিকুল গ্রেফতার  » «   সিলেট থেকে বাস চলাচল শুরু  » «   ছাতকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক ঔষধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু  » «   সুনামগঞ্জে চেয়ারম্যানের অপসারনের দাবীতে অভিযোগ দায়ের  » «   সুনামগঞ্জে র‍্যাব ক্যাম্পের ১৬ জন সদস্যসহ মোট ২১ জন করোনায় আক্রান্ত  » «   জগন্নাথপুরে মানসিক রোগী দীর্ঘ এক বছর পর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ফিরে পেল পরিবার  » «   রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ১৯-২০ বছরের উন্মুক্ত বাজেট পেশ  » «   জগন্নাথপুরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে আরেক জন  » «   জগন্নাথপুরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা জরিমানা আদায়  » «   গোয়াইনঘাটে এসএসসিতে পাশের হার ৭৯.২৭ জিপিএ ৪৫ জন  » «  

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ: ফেসবুকে ভিডিও ছড়ালেন চাচা

সজল মিয়া

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::সরাইলে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় ধর্ষণ করেছে সজল (২৫) নামের বখাটে। আর ধর্ষণের দৃশ্য খুব মজা করে আরাম আয়েশে ভিডিও চিত্র ধারণ করেছে সহযোগী সাজল (২৪)। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজি। ধর্ষক সজল আব্দুল আওয়াল মিয়ার ছেলে। আর সামছুল আবেদ আবেদ আলীর ছেলে। উভয়ের বাড়ি বিশুতারা গ্রামে। ধর্ষণের সেই ভিডিও চিত্র এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে সামছুল। ছাত্রীর পরিবারের সকলেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।

গত ৯ই আগস্ট ধর্ষিতা বাদী হয়ে ধর্ষকের মা বাবা সহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। স্পর্শকাতর এ ঘটনার মামলাটি নথিভুক্ত হওয়ার ৪ দিন পর বাদী পক্ষের সহযোগিতায় কুট্টাপাড়া এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে সামছুলকে। ঘটনার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও মূল আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। উল্টো ধর্ষক সজলের পিতা আবদুল আওয়াল এলাকায় ঘুরে ঘুরে হাস্যরসের আলাপচারিতা করছেন। মামলা, ধর্ষিতার পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীটি নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেত। বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার পথে প্রায়ই তাকে উত্ত্যক্ত করত সামছুল। সামছুল সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের বিশুতারা গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে সামছুল। বিষয়টি সামছুলের অভিভাবকদের একাধিকবার জানালেও তারা গুরুত্ব দেননি। উল্টো ধমক শুনতে হয়েছে ছাত্রীর পরিবারকে। পেশায় মাইক্রো চালক সামছুলের উত্ত্যক্তের কারণে এক সময় ছাত্রীর বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। গত ১লা আগস্ট বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সজল ও সামছুল ওই ছাত্রীর বসত বাড়িতে যায়। ঘরের বাইর থেকে প্রথমে সজল ছাত্রীর বাবার নাম ধরে ডাকতে থাকে। ছাত্রী ঘরের দরজা খুললে কিছু বুঝে ওঠার আগেই বখাটে সজল ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের ভয় দেখায়। পরে তাকে ধর্ষণে লিপ্ত হয় সজল। আর পাশে দাঁড়িয়ে ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে সামছুল। ধস্তাধস্তির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। সামছুল নিজেকে রক্ষা করে পালিয়ে গেলেও ধর্ষক সজলকে আটক করে ফেলে লোকজন। সজলের পিতা আব্দুল আওয়াল ও মা রেজিয়া বেগম এসে কৌশল অবলম্বন করেন। তারা সজলের সঙ্গে ওই ছাত্রীর বিয়ের কথা বলে প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে ঠাণ্ডা করেন। সেই সাথে ছেলেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। পরবর্তীতে বেঁকে বসেন সজলের মা-বাবা। বখাটে সামছুল ধর্ষণের সকল ভিডিও চিত্র ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। গত ৯ই আগস্ট ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে সজল ও তার মা বাবা সহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত ধর্ষককে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহাদাৎ হোসেন টিটো বলেন, ছেলেটিকে ধরে তারা বিয়ের আশ্বাস পেয়ে ছেড়ে দিয়েছে। তাদের মূল টার্গেট বিয়ে। মেডিকেল রিপোর্টে কিশোরীর কোন ক্ষতি হয়নি। ভাইরাল হয়েছে বললেও তারা ভিডিও দেখাতে পারছেন না। পুলিশের অজান্তে তারা ছেলের পক্ষের সাথে গোপনে বৈঠকও করছেন।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.