সংবাদ শিরোনাম
প্রথমে ভুয়া সেনাবাহিনীর লোক পরিচয়ে জেল:এবার ইনাতগঞ্জে সিআইডি পরিচয়ে আটক  » «   গোলাপগঞ্জে ঘরের মধ্যে একটি বিষধর সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু  » «   সৎ ও সুন্দর ভাবে ব্যবসা করলে জীবনে প্রতিষ্ঠাপাওয়া সম্ভব-মেয়র আরিফ   » «   জঙ্গিদের টার্গেট ছিল হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার  » «   সিলেটে জঙ্গিদের ট্রেনিং সেন্টার সহ দুটি বাসায় অভিযান, বোমা তৈরীর সরঞ্জাম উদ্ধার  » «   নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকা থেকে ৪ অপহরণ ও চাঁদাবাজকারী আটক  » «   সুনামগঞ্জের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আলাদা একটা দৃষ্টি আছে -পানি মন্ত্রনালয়ের সচিব   » «   জগন্নাথপুরে পুলিশ সদস্য সহ আরোও তিনজন করোনায় আক্রান্ত: মোট আক্রান্ত ১১৯  » «   জগন্নাথপুরে দুর্ধর্ষ চুরি নগদ ৬লক্ষ টাকা সহ ৪ভরি সোনা নিয়ে গেছে চোরেরা  » «   জগন্নাথপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাপড়ের দোকানে ঢুকে পড়ল ট্রলি  » «   গোলাপগঞ্জে গাঁজাসহ এক তরুণীকে আটক  » «   নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিন আজ শেষ দিন:আগামী কাল থেকে বন্ধ  » «   এক অপরাধীর পরিবর্তে টাকার বিনিময়ে কারাগারে আরেক আসামী  » «   জগন্নাথপুরে সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ গ্রেফতার-৬  » «   ওসমানীনগরের বেগমপুর-জগন্নাথপুর সড়ক মরণ ফাঁদ:জনদুর্ভোগ চরমে  » «  

বৃটেনে প্রতারণার আশ্রয় নিতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন নাসরিন

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::বৃটেনে প্রতারণার আশ্রয় নিতে গিয়ে ফেঁসে গেছেন নিজেকে ‘বিকলাঙ্গ’ ও ‘সিঙ্গেল’ মা দাবি করা নাসরিন আক্তার (৫০)। তিনি এমন দাবি করে সরকারের কাছে দুই লাখ ৬০ হাজার পাউন্ড দাবি করেছিলেন। এ দাবির যথার্থতা পরীক্ষা করার জন্য পুলিশ তার ওপর নজর রাখে। এক পর্যায়ে দেখা যায় তিনি বিকলাঙ্গও নন। সিঙ্গেল মা-ও নন। তিনি দাবি করেছিলেন, পুরুষ পার্টনার তাকে ফেলে চলে গেছেন। কিন্তু তাকে পার্টনার সহ এক বিছানায় হাতেনাতে ধরেছে পুলিশ। এ ছাড়া তাকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচতে দেখা গেছে।

সেই নাচ ভিডিও আকারে রয়েছে পুলিশের হাতে। এমন অপরাধে শুক্রবার তাকে দু’বছরের জন্য জেল দিয়েছে আদালত। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ। তবে এতে বলা হয়নি নাসরিন আক্তার বৃটেনেই জন্ম নিয়েছেন কিনা অথবা তিনি কোন দেশের বংশোদ্ভূত। ঘটনাটি পুরনো হলেও তা নতুন করে আলোচনায় এসেছে নাসরিনের জেল হওয়ায়। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ঘটনা ২০০২ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যকার। এ সময়ে নাসরিন আক্তার নিজেকে বিকলাঙ্গ ও সিঙ্গেল মা হিসেবে পরিচয় দেন। বলেন, তিনি চলাচল করতে পারেন না। ফলে এতটাই অসুস্থ যে, কোনো কাজ করার ক্ষমতা নেই তার। তাকে ফেলে গেছেন পার্টনার আক্তার। ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস (সিপিএস) এ কথা জানিয়ে বলেছে, এমন দাবি করে নাসরিন সরকারের কাছে দুই লাখ ৬০ হাজার পাউন্ড সহায়তা দাবি করেন। নাসরিন আক্তারের বসবাস ওল্ডহ্যামে। সেখানে ২০১২ সালে তার ওপর ছদ্মবেশী নজরদারি শুরু করে ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার্ক অ্যান্ড পেনশনস (ডিডব্লিউপি) বিষয়ক তদন্তকারীরা। সিপিএস বলেছে, এক পর্যায়ে পুলিশ পরের বছরই তার বাড়ি ঘেরাও করে। তখন নাসরিনের পার্টনার আক্তার দাবি করেন, তার সঙ্গে এক বিছানা শেয়ার করেন না নাসরিন। তিনি কাজ করতে পারেন না, চলাচল করতে পারেন না। তার দেখাশোনার জন্য অন্যের সাহায্য প্রয়োজন- এমন দাবি করা হলেও তাকে দেখা যায় এক বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচতে। এসব ঘটনা ধরা পড়ার পর নাসরিন আক্তার তার বিরুদ্ধে সাত দফা প্রতারণার অভিযোগ স্বীকার করে নেন। ফলে ম্যানচেস্টার ক্রাউন কোর্ট শুক্রবার তাকে দু’বছরের জেল দেয়। সিপিএসের প্রতারণা বিষয়ক ইউনিটের সিমন টুনিক্লিফ বলেছেন, নাসরিন আক্তারকে বিচারের আওতায় আনতে তাদের ও ডিডব্লিউপির তিনটি বছর সময় লেগেছে। তিনি আরো বলেন, এমন অন্য ঘটনাগুলোর মধ্যে এটি একটি ব্যতিক্রমী ব্যাপার। তার বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয় ২০১৭ সালে। তারপর এমন তথ্য সংগ্রহ করতে হয়েছে সিপিএস এবং ডিডব্লিউপি’কে। তার ভাষায়, আমরা এ বছরের শুরুর দিকে নাসরিন আক্তারের বিরুদ্ধে অধিক পরিমাণে প্রমাণ হাতে পাই। সেই প্রমাণ দেখে বিচারক সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি সুস্থ এবং যথেষ্ট ভালো আছেন। তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। এ বছর ৭ই অক্টোবর বিচার শুরুর আগের প্রস্তুতিমূলক শুনানিতে নাসরিন আক্তার তার বিরুদ্ধে সাত দফা প্রতারণার অভিযোগ স্বীকার করে নেন।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.