সংবাদ শিরোনাম
সিলেট নগরী ,বড়লেখা ও বিয়ানীবাজার থেকে র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩  » «   তাহিরপুরে ইয়াবাসহ র‍্যাবের কাচাঁয় আটক এক  » «   মাধবপুরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে যুবকের ‘আত্মহত্যা’  » «   গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মোগলাবাজার থানা পুলিশ  » «   বাবরি মসজিদ কি অবৈধ?’ প্রশ্ন তুললেন ওয়াইসি  » «   নিজের অপসারণ নিয়ে মুখ খুললেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ  » «   চীনে মুসলিম পুরুষরা আ’ট’ক, তাদের স্ত্রীরা যৌ’নদা’সী।  » «   মুসলিমদের ৫ একর জমি দেওয়া হল কেন: প্রশ্ন তসলিমার  » «   ভারতে গরুর কাঁচা গোবর ছোঁড়াছুড়ির উৎসব  » «   মোদিকে নিইয়ে সমালোচনা করে ভারতীয় নাগরিকত্ব হারালেন সাংবাদিক  » «   বুলবুল আসার সাথেই ঘর জুড়ে এলো বুলবুলি  » «   ১ স্ত্রী’কে নিয়ে ২ স্বা’মীর টা’নাটানি  » «   সব মুসলমানদের মসজিদের জন্যও লড়তে হবে: এমপি ওয়াইসি  » «   লিটন সৌম্য আমাকে হতাশ করেছে, বললেন পাপন  » «   কেটে গেছে বিপদ, সমূদ্রবন্দরগুলো থেকে সংকেত প্রত্যাহার  » «  

রবিবারে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা আর সোমবারে ৪৫০ কোটি টাকার অভিযোগে মামলা

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::হুন্ডির মাধ্যমে দেশ থেকে ৪৫০ কোটি টাকা ভারতে পাচার এবং সাড়ে ৪ কোটি টাকা ঘুষ আদায়ের মাধ্যমে ভারতীয় চোরাই ও চোরাচালানের গবাদিপশুর হাট বসিয়ে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে সিলেটের আলোচিত ওসি আহাদসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

গতকাল সোমবার সিলেটের স্পেশাল জজ আদালতে এ মামলা করেন এম মঈনুল হক বুলবুল নামে এক আইনজীবী। তার অভিযোগ, আদালত আমলে নিয়ে সিলেট দুর্নীতি দমন কমিশনকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতসূত্র জানায়, ১০ ও ১৩ অক্টোবর মামলার দুদফা শুনানি শেষে সোমবার সিনিয়র স্পেশাল জজ এবং সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ মো. বজলুর রহমান এ মামলা আমলে নিয়ে দুদক সিলেটের উপপরিচালককে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন। মামলার আসামিরা হলেন- কানাইঘাটের দীঘিরপাড় পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল, দর্পনগর পশ্চিম গ্রামের তাজিম উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম জহির, মো. আবু রায়হান পাভেল, মুসলিম উদ্দিন, মাছুগ্রাম গ্রামের এম মামুন উদ্দিন, দক্ষিণ কুয়রেরমাটি গ্রামের শাহাব উদ্দিন এবং কানাইঘাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ ও গোয়াইনঘাট থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. আবদুল আহাদ।

এ বাজারে ভারত থেকে গবাদিপশু চোরাইভাবে আনতে বাংলাদেশি ৪৫০ কোটি টাকা আলী হোসেন কাজল ও তাজিম উদ্দিন তাদের নিযুক্ত লোকজন দিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচার করেন। টাকা পাচার ও চোরাচালানের পশুর হাট পরিচালনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নামে সাড়ে ৪ কোটি টাকা এ অবৈধ বাজার থেকে আদায় করা হয়।

মামলার বাদী এম মঈনুল হক বুলবুল জানান, গত ১ আগস্ট এ বাজারে কোরবানির পশু কিনতে গেলে তার কাছেও আসামিরা পুলিশের লাইনের (ঘুষ) নামে ৮০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটি হলে বিষয়টি ওসি মো. আবদুল আহাদকে জানালে তিনি এর কোনো প্রতিকার না করে ম্যানেজ করে নেওয়ার পরামর্শ দেন। এর পরই বিশাল দুর্নীতির বিষয়টি তার নজরে এলে তিনি ১৮ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে আদালতে মামলা করেন।

বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুব হুসাইন জানান, এটি একটি বড় দুর্নীতির মামলা। এ মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বড় চোরাচালনের গরুর হাট এটি। প্রতিদিন শত শত ট্রাকে এ বাজার থেকে সিলেট ও দেশের বিভিন্ন স্থানে চোরাচালানের গরু সরবরাহ করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে ওসি আবদুল আহাদ আমাদের সময়কে বলেন, আদালত কী আদেশ দিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তি কী তা আপনাদের যাচাই করে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। যে অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। বাদীর সঙ্গে আমার একটু দূরত্ব রয়েছে। আমি যদি ৪৫০ কোটি টাকা পাচার করে থাকি, তা হলে এখনই আমাকে নজরবন্দি করা উচিত।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.