সংবাদ শিরোনাম
জগন্নাথপুরে বিদুৎস্পৃষ্টে এক ব্যক্তির মৃত্যু  » «   প্রথমে ভুয়া সেনাবাহিনীর লোক পরিচয়ে জেল:এবার ইনাতগঞ্জে সিআইডি পরিচয়ে আটক  » «   গোলাপগঞ্জে ঘরের মধ্যে একটি বিষধর সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু  » «   সৎ ও সুন্দর ভাবে ব্যবসা করলে জীবনে প্রতিষ্ঠাপাওয়া সম্ভব-মেয়র আরিফ   » «   জঙ্গিদের টার্গেট ছিল হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার  » «   সিলেটে জঙ্গিদের ট্রেনিং সেন্টার সহ দুটি বাসায় অভিযান, বোমা তৈরীর সরঞ্জাম উদ্ধার  » «   নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকা থেকে ৪ অপহরণ ও চাঁদাবাজকারী আটক  » «   সুনামগঞ্জের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আলাদা একটা দৃষ্টি আছে -পানি মন্ত্রনালয়ের সচিব   » «   জগন্নাথপুরে পুলিশ সদস্য সহ আরোও তিনজন করোনায় আক্রান্ত: মোট আক্রান্ত ১১৯  » «   জগন্নাথপুরে দুর্ধর্ষ চুরি নগদ ৬লক্ষ টাকা সহ ৪ভরি সোনা নিয়ে গেছে চোরেরা  » «   জগন্নাথপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাপড়ের দোকানে ঢুকে পড়ল ট্রলি  » «   গোলাপগঞ্জে গাঁজাসহ এক তরুণীকে আটক  » «   নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিন আজ শেষ দিন:আগামী কাল থেকে বন্ধ  » «   এক অপরাধীর পরিবর্তে টাকার বিনিময়ে কারাগারে আরেক আসামী  » «   জগন্নাথপুরে সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ গ্রেফতার-৬  » «  

বাবরি মসজিদের উপর রাম মন্দির নির্মাণের ঘোষণা!

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ জমির বিবাদ নিয়ে চলা মামলা নিষ্পত্তির আগেই বাবরি মসজিদের উপর রাম মন্দির নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন বিজেপি নেতা সাক্ষী মহারাজ। এমনকি মসজিদের জায়গায় মন্দির নির্মাণের দিনক্ষণও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির এই সাংসদ। সাক্ষী মহারাজ জানিয়েছেন, আগামী ৬ ডিসেম্বর থেকে ওই স্থানে রামের মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

বহুল আলোচিত ভারতের অযোধ্যার এই জমি নিয়ে মামলার শুনানি শেষ হয়েছে বুধবার। আদালতসূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৭ নভেম্বর এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল রাজেশ গাগৈ। রায় কী হবে, সেই দিকেই বহুদিন ধরে তাকিয়ে আছেন ভারতবর্ষের আপামর জনতা। কিন্তু এতদিন অপেক্ষা করতে মোটেই রাজি নন হিন্দুত্ববাদী নেতা সাক্ষী মহারাজ। শুনানি শেষের আগেই তিনি ঘোষণা করে দিয়েছেন, অযোধ্যায় রাম মন্দিরের নির্মাণ শুরু হবে ডিসেম্বর মাস থেকেই।

বাবরি মসজিদের উপর রাম মন্দির নির্মাণের ঘোষণা!

বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ। ছবিঃ সংগৃহীত।

উল্লেখ্য, ২৭ বছর পূর্বে ভেঙে ফেলার আগে বিরোধপূর্ণ জায়গাটিতে ১৬ শতক আয়তনের বাবরি মসজিদ ছিল। ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে সেটি ভেঙে দেয় শিবসেনার হিন্দু কর্মীরা। এই কাণ্ড ঘটানোর পেছনে তারা যুক্তি দেখায়, ‘অযোধ্যা ভগবান রামচন্দ্রের জন্মভূমি। মসজিদের জায়গাটিতে আগে রামের মন্দির ছিল। পরে মন্দিরের ভগ্নাবশেষের ওপর মসজিদ তৈরি করা হয়েছে।’ মসজিদ ভেঙে ফেলার ঘটনায় পুরো ভারতজুড়ে হিংসার পরিবেশ তৈরি হয় তখন। এই ঘটনা শেষমেষ হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা পর্যন্ত গড়িয়েছিল। হিংসার আঁচ সেসময় ভারতের পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানেও কিছুটা লেগেছিল।

ঘটনাচক্রে, ১৯৯২ সালে অযোধ্যাতে বাবরি মসজিদ যেদিন ভেঙে ফেলা হয়, সেই তারিখটি ছিল ৬ ডিসেম্বর। সেদিকে ইঙ্গিত করে সাক্ষী মহারাজ বলেন, ‘যেদিন এই কাঠামোটিকে(বাবরি মসজিদ) ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, সেই তারিখেই মন্দির নির্মাণ শুরু করা উচিত। এটাই যুক্তিযুক্ত।’

আরও পড়ুনঃ স্বার্থান্বেষী মহল শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে : তথ্যমন্ত্রী

নিজের সংসদীয় এলাকা উন্নাওতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিজেপি নেতা বলেন, ‘এই স্বপ্নটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলেই বাস্তবায়িত হয়েছে।

সবশেষে বাবরকে ‘হানাদার’ তকমা দিয়ে কট্টরপন্থী এই গেরুয়া নেতা আরও বলেন, ‘সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে এই সত্যটি মেনে নিতেই হবে যে, বাবর তাদের পূর্বপুরুষ ছিলেন না, তিনি একজন হানাদার ছিলেন। এই মন্দির নির্মাণে হিন্দু ও মুসলমানদের একসঙ্গে কাজ করা উচিৎ।’

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.