সংবাদ শিরোনাম
অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে মা-মেয়েসহ তিনজনের কারাদন্ড  » «   দেশে ফিরলেন নির্যাতিত সুমিসহ ৯১ নারী  » «   নেপাল থেকে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি  » «   ৯ বছর বয়সেই গ্র্যাজুয়েট!  » «   অভিশংসন ইস্যুতে ট্রাম্পের ‘ঘুষ লেনদেন’ ফাঁস করলেন পেলোসি  » «   পানিতে তলিয়ে গেল ভেনিসের পার্লামেন্ট  » «   আ.লীগের সম্মেলনে বিএনপিকেও দাওয়াত দেওয়া হবে: কাদের  » «   ভোট ছাড়া সংসদ হলে পেঁয়াজ ছাড়া রান্না হবে না কেন?’  » «   সিলেটে দুই দিনে ৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা কর আদায়  » «   প্রেমিকের আঘাতে প্রেমিকার বাবার মৃত্যু!  » «   বদলে যাওয়ার পথও দেখালেন টাইগার কোচ  » «   ছেলের হাতে বাবা খুন  » «   প্রতি পোস্টে হাজার ডলার আয় করেন তারা  » «   তুরস্ক-মিসর থেকে প্লেনে আসছে পেঁয়াজ  » «   সিলেটে ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলার আসামীকে হবিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার  » «  

কোনো জায়গাই চিরস্থায়ী নয় আল-আমিন

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::বিসিবি একাডেমিতে জিম করছিলেন আল-আমিন হোসেন ও মুস্তাফিজুর রহমান। জাতীয় লিগে খুলনা বিভাগীয় দলে খেলেন এই দুই পেসার। এক সাংবাদিক বলে উঠলেন, তারা চলে আসায় খুলনার পেস আক্রমণের ধার অনেকখানি কমে গেল।

সঙ্গে সঙ্গেই আল-আমিনের জবাব, কিছুটা তো হবেই। রুবেল আছে, জিয়া ভাই (জিয়াউর রহমান) আছে। তবে দ্বিতীয় রাউন্ডে যে দলটা আমরা খেলছি, পুরো এনসিএলে এমন থাকলে খুলনাকে হারানো কঠিন হতো।

আল-আমিন এখন বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছেন। প্রায় সাড়ে তিন বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন ডানহাতি এই পেসার। যদিও ২০১৩ সালে অভিষেকের পর বাংলাদেশ দলে বেশ অপরিহার্য ছিলেন তিনি। আসন্ন ভারত সফরের টি-২০ দলে ডাক পাওয়া আল-আমিন এবার মুখিয়ে আছেন, অনেকদিন পর আসা সুযোগটা কাজে লাগাতে।

জাতীয় দলের বাইরে থাকার সময়টা ২৯ বছর বয়সি এই পেসারকে শিখিয়েছে, বাস্তবতা অনেক কঠিন। আল-আমিন তাই এখন আর অত উত্ফুল্ল নন। মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, কোনো জায়গাই চিরস্থায়ী নয়। তাই খুব ভাবনা নেই তার। শুধু মাঠে নিজের সামর্থ্যটা তুলে ধরতে চান।

জাতীয় দলের বাইরে থাকার কষ্ট সম্পর্কে জানতে চাইলে গতকাল আল-আমিন বলেছেন, ‘না, আসলে কষ্ট পাওয়ার তো কিছু নেই। কোনো জায়গাই চিরস্থায়ী নয় দুনিয়াতে, কারণ আপনি জাতীয় দল বলেন বা এনসিএল বলেন আপনি যখন ভালো খেলবেন তখন খেলবেন আর যখন খারাপ খেলবেন তখন খেলবেন না।’

সামনে আসা সুযোগটা কাজে লাগানোর দিকেই মনোযোগ দিতে চান আল-আমিন। তিনি বলেছেন, ‘জাতীয় দলে যারা আমাকে সুযোগ দিয়েছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই যে, আরেকটি সুযোগ আমাকে দিয়েছে। এখন দায়িত্ব আমার সুযোগটি কাজে লাগানোর।’

আল-আমিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শেষবার খেলেছিলেন ২০১৬ সালে ভারতের মাটিতে। আবারও ভারত সফরের দল দিয়েই ফিরছেন তিনি। ভারত সফর চ্যালেঞ্জিং হলেও ডানহাতি এই পেসার সুযোগ হিসেবেই বিবেচনা করছেন।

গতকাল ঝিনাইদহের এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘আসলে ভারতের সঙ্গে খেলা সবমিলিয়ে বড়ো একটি চ্যালেঞ্জ বলতে পারেন। কারণ ওরা অন্যতম সেরা একটি দল যতগুলো দল আছে এর মধ্যে। চ্যালেঞ্জ যদি সেভাবে নেওয়া যায় যে ভালো করব, ভালো খেলতে হবে তাহলে এটা অনেক বড়ো চ্যালেঞ্জ। আর আপনি যদি মনে করেন যে একটি সুযোগ এসেছে, আমি যদি ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারি তাহলে ভালো কিছু হবে।’

বাংলাদেশের বিপক্ষে এই তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে নাও খেলতে পারেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তারপরও ভারতের ব্যাটিং লাইন বেশ শক্তিশালী। আর নিজেদের মাটিতে তারা সবসময় দুর্দান্ত। ভারতীয় দলে কে খেলবে, কে খেলবে না তা নিয়ে ভাবতে চান না আল-আমিন। বরং নিজের সেরাটা দেওয়ার দিকেই মনোযোগী এই পেসার। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘দেখুন কোহলি খেলবে কিনা, কিংবা ভারত দলে কে খেলবে না খেলবে এগুলো কিন্তু আমাদের অধিনায়ক আছে, ম্যানেজমেন্ট আছে তারা চিন্তা করবে। আমাকে একজন খেলোয়াড় হিসেবে সুযোগ দিলে আমি সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।’

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.