সংবাদ শিরোনাম
জগন্নাথপুরে হাওর থেকে এক অঞ্জাতনামা ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার  » «   জগন্নাথপুরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১ ব্যক্তি: মোট ১০, সুস্থ ৬, আইসোলেশনে ৪  » «   দোয়ারাবাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১০  » «   সিলেটে দক্ষিণ সুরমায় দু’দল বাস শ্রমিকের মধ্যে দেড় ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ  » «   করোন:এক দিনে ৯৩ জন আক্রান্ত সিলেট বিভাগে:মোট ১০৪০ জন  » «   ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবিতে নিহত ৩৬: এ মামলার প্রধান আসামি রফিকুল গ্রেফতার  » «   সিলেট থেকে বাস চলাচল শুরু  » «   ছাতকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক ঔষধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু  » «   সুনামগঞ্জে চেয়ারম্যানের অপসারনের দাবীতে অভিযোগ দায়ের  » «   সুনামগঞ্জে র‍্যাব ক্যাম্পের ১৬ জন সদস্যসহ মোট ২১ জন করোনায় আক্রান্ত  » «   জগন্নাথপুরে মানসিক রোগী দীর্ঘ এক বছর পর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ফিরে পেল পরিবার  » «   রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ১৯-২০ বছরের উন্মুক্ত বাজেট পেশ  » «   জগন্নাথপুরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে আরেক জন  » «   জগন্নাথপুরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা জরিমানা আদায়  » «   গোয়াইনঘাটে এসএসসিতে পাশের হার ৭৯.২৭ জিপিএ ৪৫ জন  » «  

ওসমানীনগরে আপেলের চেয়ে পিয়াজের দর বেশি

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::সিলেটের ওসমানীনগরে প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় বেড়েই চলেছে পিয়াজের দাম। বাজারে প্রতি কেজি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৫০ টাকা। অন্যদিকে প্রতি কেজি আপেল বিক্রি হচ্ছে ১শ’ থেকে ১১০ টাকা দরে। আপেলের চেয়ে ২০-৩০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে পিয়াজ। যেখানে একজন গরিব মানুষ বছরে এক কেজি আপেল ক্রয় করে খাওয়ার সাধ্য নেই সেখানে পিয়াজ খাবে কি করে? তাইতো গরিবের রান্নাঘরে পিয়াজ এখন সোনার চেয়েও দামি। জানা যায়, ভারতীয় পিয়াজ আমদানি বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে ওসমানীনগরে পিয়াজের মূল্য একরাতে ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। বিষয়টি একাধিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পেলে অভিযানে নামে প্রশাসন। কিন্তু অভিযানে অসাধু ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ব্যবসায়ীরা পিয়াজের মূল্য বাড়িয়েই চলেছেন।

তাই সাধারণ মানুষ এ অভিযানকে ‘লোক দেখানো’ অভিযান বলে অভিহিত করেছেন।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, শনিবার ৯০-১০০ টাকা মূল্যে পেয়াজ বিক্রি হয়েছে কিন্তু গতকাল এক সাথে কেজিতে ৩০-৫০ টাকা দর বৃদ্ধি পেয়েছে। পেয়াজের দর বৃদ্ধির পরপর শহরে টিসিবির মাধ্যমে ৪৫ টাকা দরে পেয়াজ বিক্রি করলেও মফস্বল এলাকার মানুষ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। পেয়াজের ঊর্ধ্ব মূল্যের কারণে গরিব অসহায় জনসাধারণ চরম বিপাকে পড়েছেন। সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ উপজেলার প্রতিটি বাজারে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পেয়াজের উচ্চ মূল্য ধরে রেখেছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তাই পেয়াজের খুচরা বাজার অস্থিতিশীল।
গোয়ালাবাজারের পাইকারি পেয়াজ ব্যবসায়ী রায় ট্রেডার্সের সুমন রায় বলেন, বর্তমানে পাইকারী বাজারে ১১৫-১২০ টাকা কেজি দরে পেয়াজ বিক্রি করছি আমরা। সবখানে পেয়াজের মূল্য বাড়তি থাকায় আমাদের উচ্চ মূল্য দিয়েই কিনে আনতে হচ্ছে।
ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তাহমিনা আক্তার বলেন, পেয়াজের বাজারে সর্বত্র অস্তিরতা বিরাজ করছে। তারপরও আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছি। কোন ব্যবসায়ীকে অধিক মুনাফা লাভের সুযোগ দেয়া হবে না।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.