সংবাদ শিরোনাম
অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে মা-মেয়েসহ তিনজনের কারাদন্ড  » «   দেশে ফিরলেন নির্যাতিত সুমিসহ ৯১ নারী  » «   নেপাল থেকে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি  » «   ৯ বছর বয়সেই গ্র্যাজুয়েট!  » «   অভিশংসন ইস্যুতে ট্রাম্পের ‘ঘুষ লেনদেন’ ফাঁস করলেন পেলোসি  » «   পানিতে তলিয়ে গেল ভেনিসের পার্লামেন্ট  » «   আ.লীগের সম্মেলনে বিএনপিকেও দাওয়াত দেওয়া হবে: কাদের  » «   ভোট ছাড়া সংসদ হলে পেঁয়াজ ছাড়া রান্না হবে না কেন?’  » «   সিলেটে দুই দিনে ৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা কর আদায়  » «   প্রেমিকের আঘাতে প্রেমিকার বাবার মৃত্যু!  » «   বদলে যাওয়ার পথও দেখালেন টাইগার কোচ  » «   ছেলের হাতে বাবা খুন  » «   প্রতি পোস্টে হাজার ডলার আয় করেন তারা  » «   তুরস্ক-মিসর থেকে প্লেনে আসছে পেঁয়াজ  » «   সিলেটে ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলার আসামীকে হবিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার  » «  

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উন্নয়ন প্রকল্প শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্রের নিরাপত্তা ও ভৌত সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। চলতি বছর থেকে শুরু করে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ সরকারি খরচে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। গতকাল মঙ্গলবার শেরেবাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ৪ হাজার ৪৪৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রকল্পগুলোর বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

প্রকল্পগুলো বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া বাস্তবায়ন মূল্যায়ন ও পরিবীক্ষণ বিভাগকে (আইএমইডি) নির্দেশ দিয়েছেন যাতে পিপিআর সংশোধন করা হয়। কেননা এখনকার নিয়ম অনুযায়ী বড়ো ঠিকাদাররা কাজ পাচ্ছেন। বড়ো ঠিকাদারের পাশাপাশি দেখতে হবে যাতে ছোটো এবং নতুন ঠিকাদারও যেন কাজ পায়, প্রতিযোগিতা বাড়ে। টেন্ডার ডকুমেন্ট এমনভাবে তৈরি করা যাবে না যেন নির্দিষ্ট কোম্পানি বারবার কাজ পায়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সম্পর্কে পরিকল্পনামন্ত্রী আরো জানান, প্রায়ই আগ্রহ নিয়ে প্রকল্প পাশ করা হয়, দালান-কোঠা নির্মাণ করা হয়। তারপরে আর বাকি কাজ হয় না। জনবল নেই, যন্ত্রবল নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যে আগ্রহ নিয়ে আপনারা প্রকল্পের কাজ শুরু করেন, একই আগ্রহ নিয়ে আপনারা বাকি কাজগুলো করবেন। দেশের নদীগুলোতে অহেতুক সেতু নির্মাণ না করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এমনিতেই নদীগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। তার ওপর যদি অহেতুক সেতু নির্মাণ করা হয় তাহলে আরো সমস্যা হবে। তাই সেতু নির্মাণে সাবধান হতে হবে। ছোটো নদীতে ক্যাবল পদ্ধতিতে ব্রিজ করতে হবে যাতে বেশি পিলার না লাগে। এখন থেকে নতুন রাস্তা করার চেয়ে বিদ্যমান রাস্তাগুলো চার লেন এবং প্রশস্ত করার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সভায় অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হলো—৩৬৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে যশোর (রাজারহাট)-মনিরামপুর-কেশবপুর-চুকনগর আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, ৭১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ফেনী-সোনাগাজী-মুহুরী প্রকল্প সড়কের ৩৯১.৩৪ মিটার দীর্ঘ মুহুরী সেতু এবং বক্তারমুন্সী-কাজিরহাট-দাগনভূঁঞা সড়কের ৫০.১২ মিটার দীর্ঘ ফাজিলাঘাট সেতু নির্মাণ প্রকল্প।

‘প্রতারণা থেকে বিমা গ্রাহকদের রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ বার্তা প্রদান

প্ল্যাটফরম চালু করতে হবে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবকল্যাণে বিমা শিল্পকে ব্যবহার করার জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, প্রতারণা থেকে বিমা গ্রাহকদের রক্ষা করতে একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা প্রদান প্ল্যাটফরম চালু করতে হবে। বিমা কোম্পানিগুলো মানবকল্যাণে এবং উত্পাদন ও ঝুঁকিমুক্ত অর্থনীতি গড়ে তুলতে তাদের বীমা কোম্পানি ব্যবহার করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। গতকাল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত বিমা সংক্রান্ত ১৫তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্যের অপ্রাপ্যতা বিমা গ্রাহকদের জন্য বড়ো সমস্যা। বিমা শিল্পে গ্রাহকদের আস্থার অভাব রয়েছে। কারণ তারা যতগুলো বিমা কিস্তি জমা দিয়েছে, তার সবগুলো কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আদৌ জমা হয়েছে কি না, সে ব্যাপারে অন্ধকারেই থেকে যায়। তিনি বলেন, ‘এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা প্রদান প্ল্যাটফরম চালুর প্রক্রিয়া চলছে।

মিউনিক রি ইন্সুরেন্স এবং মাইক্রোইন্স্যুরেন্স নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। ৪২টি দেশের প্রায় চার শতাধিক বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিনিধি এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স ডেভেলপমেন্ট রেগুলেটরি অথরিটির চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারী প্রমুখ বক্তৃতা করেন। মিউনিখ রি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান টমাস লোস্টার এবং মাইক্রোইন্সুরেন্স নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান ডবল চেম্বারলিনও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। বিআইএ সভাপতি শেখ কবির হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সংগঠনের সহসভাপতি রুবানা হামিদ স্বাগত বক্তৃতা করেন।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.