সংবাদ শিরোনাম
সৈয়দ তোহেল এর পিতার মৃত্যুতে অনুসন্ধান কল্যান সোসাইটি সিলেট এর শোক প্রকাশ  » «   করোনা আপডেট:সিলেটে করোনায় আরও ১৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৭ শতাধিক  » «   জালালাবাদ থানা এলাকায় এক নারীর আত্মহত্যা  » «   করোনা আপডেট:সিলেটে বিভাগে আরও ২০ জনের মৃত্যু,সনাক্ত ৭১৫  » «   করোনা আপডেট:সিলেটে মারা গেলেন আরো ১২জন,শনাক্ত হয়েছেন ৭১০  » «   করোনা আপডেট:সিলেট বিভাগে মারা গেছেন আরও ১৪ জন,আক্রান্ত ৮৫৩ সুস্থ হয়েছেন ৪৬৮  » «   সিলেটে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় মামলা জরিমানা  » «   করোনা আপডেট:সিলেটে বিভাগে মারা গেছেন আরও ৯জন,সনাক্ত ৯৯৬  » «   গোয়াইনঘাটে পুলিশের অভিযানে ফেনসিডিলসহ যুবক গ্রেপ্তার  » «   আজ থেকে সীমিত পরিসরে সব ধরনের গণপরিবহন চলবে  » «   দোয়ারাবাজারে শিশু বলাৎকারের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা, এলাকায় তোলপাড়   » «   করোনা আপডেট:সিলেটে আরও ৯জনের মৃত্যু-সনাক্ত ৩৪০  » «   কঠোর লকডাউনে নগরীতে যানবাহনে ২৩টি মামলা, জরিমানা  » «   করোনা আপডেট:আবারো গত ২৪ ঘন্টায় ১৭জনের মৃত্যু-সনাক্ত ৮০২  » «   বাহুবলে আটকে রেখে হাত পা ও মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ-আটক ২  » «  

দুই ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির টাকা দিলেন হবিগঞ্জের এসপি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া ইউনিয়নের মিঠাপুর গ্রামের টিনের দোকানের কর্মচারী সুশান্ত দাশের মেয়ে নিশিতা দাশ। সুযোগপেয়েও অর্থের অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারছিলেন না নিশিতা।

সব প্রতিকূলতাকে জয় করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৪০০তম স্থান অর্জন করে সুযোগ পায় উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে ভর্তির সুযোগ। কিন্তু নিশিতার ভর্তির জন্য এককালীন এত টাকা দেয়া দিনমজুর বাবার পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। খবর পেয়ে নিশিতার পাশে দাঁড়ান হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ উল্ল্যা।

একইভাবে চুনারুঘাট উপজেলার দেওরগাছ গ্রামের ফেরিওয়ালা আব্দুস শহীদের মেয়ে কুলসুমা আক্তার সুযোগ পান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিবিএ ইউনিটে ৮৪তম স্থান অর্জন করেন তিনি। ভর্তির টাকার জন্য হতাশ হয়ে পড়েন কুলসুমা। তার জন্যও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে অফিসে ডেকে নিশিতা দাশ ও কুলসুমাকে ২০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা। একই সঙ্গে তাদেরকে মিষ্টি মুখ করান তিনি। এই টাকা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান দুই ছাত্রী। ভবিষ্যতে তাদেরকে সহায়তা ও পাশে থাকার ঘোষণা দেন পুলিশ সুপার।

হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন, আমি সরকারি চাকরির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কাজে এগিয়ে আসার চেষ্টা করি। তবে সবাই যদি এমন অধম্য মেধাবীদের পাশে দাঁড়ায় তাহলে তারা একদিন প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। দুই দরিদ্র মেধাবী ছাত্রীর পাশে দাঁড়াতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

তিনি বলেন, হবিগঞ্জে পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে যখন কোনো নিয়োগ পরীক্ষা হয় তখন চা শ্রমিকের সন্তান, দরিদ্র ও অনগ্রসর পরিবারের সন্তানদেরকে চাকরিতে অগ্রাধিকার দেই।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.