সংবাদ শিরোনাম
জগন্নাথপুর উপজেলার পৌরসভার মেয়র পদে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা  » «   সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাঁচায় মাদক কারবারি গ্রেপ্তার  » «   জগন্নাথপুরের পাটলী সাতহাল গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিনের ইন্তেকাল  » «   বিয়ানীবাজারের জিরো পয়েন্টের চরিয়ার রাস্তায় গাছ ফেলে দুধর্ষ ডাকাতি  » «   চীনে দাড়ি, বোরকা জন্য মুসলিমদের বন্দি  » «   আয়রন ম্যানের মতো আকাশে উড়ে গেলেন ভিন্স রেফেট  » «   উনিশের যুবারাই রাঙালো প্রস্তুতি ম্যাচ  » «   জগন্নাথপুরে টমটমের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে এক বৃদ্ধা মহিলার মৃত্যু  » «   তাপস পালের মৃত্যুতে শোকস্তদ্ধ টলিউড  » «   অভিনেতা তাপস পাল মারা গেছেন  » «   করোনায় আক্রান্ত চিকিৎসাকর্মীদের সংখ্যা নিয়েও মিথ্যা বলছে চীন?  » «   চীনে পানি সমস্যায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা!  » «   পাকিস্তানে বিষাক্ত গ্যাস লিক, নিহত ৮  » «   প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ৭ হাজার ১৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়  » «   বিএনপি-জামায়াতের ঘাড়ে সওয়ার ড. কামালরা জনবিচ্ছিন্ন  » «  

ভারতের নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের প্রয়োজন ছিল না: হাসিনা

সিলেটপোস্ট ডেস্ক::ভারতের নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের প্রয়োজন ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে গালফ নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতে পাড়ি দেয়া কেউ বাংলাদেশে ফিরে এসেছে, এমন ঘটনা ঘটেনি। তবে ভারতে তাদের অনেকে সমস্যার মধ্যে আছেন।’

তিনি আরও বলেন, তারপরও এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশ সব সময়ই সিএএ এবং এনআরসিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মনে করে আসছে।

‘ভারত সরকারও সব সময় তাদের পক্ষ থেকে বলে আসছে, এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ব্যক্তিগতভাবে গত বছরের অক্টোবর মাসে নয়াদিল্লি সফরকালে আমাকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।’

শেখ হাসিনার মতে, যেকোনো বৃহত্তর ক্ষেত্র বিবেচনায় বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সর্বোচ্চ সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে।

গত বছরের ১১ ডিসেম্বর ভারতের পার্লামেন্টে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) পাস হয়।

বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে নিপীড়নের মুখে ভারতে পালিয়ে যাওয়া হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পারসি ও খ্রিষ্টানদের নাগরিকত্ব নিশ্চিতে এই আইন সংশোধন করে ভারত।

বিতর্কিত এই আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশজুড়ে সরব হয়েছে একাধিক রাজনৈতিক দল।

আইনটি বাতিলের দাবিতে ভারতজুড়ে এখনও বিক্ষোভ চলমান। এতে বেকায়কায় রয়েছে নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার।

সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সঙ্কটসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, এই সমস্যার শুরুটা যেহেতু মিয়ানমারে, সেহেতু তাদেরই সমাধান করতে হবে।

মিয়ানমারে নিপীড়নের স্বীকার হয়ে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে। তাদের ফেরতের উদ্যোগ নেয়া হলেও নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা থেকে তারা ফিরতে চাইছে না।

প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে মিয়ানমারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কটের অবসান না হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দেবে।

বাংলাদেশ কয়লা বিদ্যুতের দিকে মনোযোগ বাড়ালেও এক্ষেত্রে পরিবেশের সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে বলে জানান শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ এতদিন গ্যাসের উপর নির্ভর করত। কিন্তু গ্যাস ফুরিয়ে আসায় উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে এখন কয়লাসহ অন্য উৎসের দিকে নজর দিতে হচ্ছে।

বিশাল জনসংখ্যার দেশে প্রাকৃতিক সম্পদের উপর চাপ বাড়ার বিষয়টি তুলে ধরেই সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে কীভাবে উন্নয়ন করে যাচ্ছেন, তাও গালফ নিউজকে তুলে ধরেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.