সংবাদ শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজের গাইডলাইন প্রকাশ  » «   করোনা: বিশ্ব কাঁপানো মার্কিন রণতরী থেকে বাঁচার আকুতি  » «   ভারতে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ২৪০ জন  » «   ছুটি বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি, অফিস খুলবে ১২ এপ্রিল  » «   করোনা:সিলেটে নতুন করে ৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে  » «   জগন্নাথপুরে করোনা সংক্রামন রোধে পুলিশের বিভিন্ন বাজারে প্রচারণা  » «   ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড়ো পরীক্ষা করোনা’  » «   যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে রেকর্ড ৮৬৫ জনের মৃত্যু  » «   করোনা: ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের ঋণের কিস্তি পরিশোধে চাপ দিতে পারবেনা  » «   শৈশবে দেয়া বিসিজি টিকা বাঁচাবে করোনা থেকে!  » «   দিরাইয়ে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা অসুস্থ অজ্ঞাত এক ব্যক্তি উদ্ধার  » «   নগরীর খাসদবীরে মাসুকের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন শুরু  » «   ওসমানীনগরে মানা হচ্ছে না নিরাপদ দূরত্ব: প্রশাসনের নিরব ভূমিকা  » «   করোনা:জগন্নাথপুরে প্রত্যেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার অনুরোধ সহকারী পুলিশ সুপারের  » «   জগন্নাথপুরে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে সচেতনামূলক প্রচারনা  » «  

করোনা : ইতালিতে একদিনে ২৫০ জনের মৃত্যু

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) গত ২৪ ঘণ্টায় ইতালিতে ২৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে করে দেশটিতে এ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ২৬৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১৭ হাজার ৬৬০ জন। এমন খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

দেশটিতে কভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ার পর একদিনে এত মৃত্যু আগে হয়নি বলে জানায় ইতালিয়ান সিভিল প্রোটেকশন এজেন্সি।

চীনের হুবেই প্রদেশ থেকে এই ভাইরাসটি ছাড়িয়ে পড়ে। সেই হুবেইতে আক্রান্ত বা মৃতের সংখ্যা দিনে দিনে কমে আসছে। গত শুক্রবার ১৩ জন মারা যায় এবং ১১ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়। আক্রান্তের চারজন হুবেই প্রদেশের এবং যে ১৩ জন মারা গেছেন তারাও একই প্রদেশের।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) সর্বশেষ খবরে জানায়, শুক্রবার পর্যন্ত পৃথিবীজুড়ে ভাইরাসটিতে মারা গেছেন ৪ হাজার ৯৫৫ জন। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের সূত্র উল্লেখ করে জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ৪০০ জন।

প্রসঙ্গত, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে চিকিৎসা নিলেই এই রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এটি মোড় নিতে পারে নিউমোনিয়া, রেসপিরেটরি ফেইলিউর বা কিডনি অকার্যকারিতার দিকে। এ ভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। লক্ষণগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো। অনেকের ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও দেখা দিতে পারে।

শুরুতে জ্বর হয়, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। সাধারণ ফ্লুর মতই হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এ রোগের ভাইরাস।

তাই যতটা সম্ভব জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে এবং ঘন ঘন হাত ধুতে হবে। প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। মাস্কের অবশ্য বাধ্যবাধকতা নেই। ডাক্তাররা জানান, আক্রান্ত রোগী এবং তার যারা সেবা করছেন তাদেরই মূলত মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.