সংবাদ শিরোনাম
র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম স্ত্রীসহ করোনা আক্রান্ত  » «   করোনায় আক্রান্ত ছয় হাজার পুলিশ, মৃত্যু ১৯  » «   ভারতে ফের একদিনে রেকর্ড ৯,৯৭১ আক্রান্ত  » «   সিলেটে নতুন করোনায় আক্রান্ত আরো ৪ চিকিৎসক  » «   বালাগঞ্জে বজ্রপাতে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু  » «   ধেয়ে আসছে তিন দৈত্যাকার গ্রহাণু  » «   অধ্যাপক গোলাম রহমানের পুরো পরিবার করোনা আক্রান্ত  » «   লকডাউনে হেয়ার কাট, জরিমানা দিতে হল নয় লাখ টাকা!  » «   নিষিদ্ধ হচ্ছে পুলিশের হাঁটু দিয়ে গলা চেপে ধরা  » «   ট্রাম্পকে হারাতে নির্বাচনী লড়াইয়ে মনোনয়ন পেলেন বাইডেন  » «   মার্কিন তরুণীকে পাকিস্তানি মন্ত্রীর ধর্ষণ, হাত তোলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   যুক্তরাজ্যে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে দ্বিতীয় বিশেষ ফ্লাইট  » «   অসুস্থ মাকে হাসপাতালের গেটে ফেলে ছেলে উধাও  » «   নাসিমের অবস্থা সংকটাপন্ন, মেডিকেল বোর্ড গঠন  » «   রবিবার থেকে নতুন নিয়মে লকডাউন  » «  

ওসমানীনগরে মানা হচ্ছে না নিরাপদ দূরত্ব: প্রশাসনের নিরব ভূমিকা

শিপন আহমদ, ওসমানীনগর::করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে প্রশাসন সামাজিকভাবে নিরাপদ দূরত্বে থাকার জন্য গণবিজ্ঞপ্তি প্রচার করলেও সিলেটের ওসমানীনগরে তা মানা হচ্ছে না। গনপরিবহন বন্ধ থাকার নির্দেশ থাকলেও ছোট ছোট যানবাহন সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই এক গাড়িতে ৫ জনের অধিক যাত্রী যাতায়েত করছেন।
এদিকে বাজার মনিটরিং এর নামে উপজেলা প্রশাসন সেলফি তুলেৈত ব্যস্ত সময় পার করছেন। একটি বাজারে মনিটিরিং করতে গেলে একাধিক ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন বলে সূত্রে জানা গেছে। বাজার মনিটিরিং না করায় বিক্রেতারাও অধিক দামে পূন্য বিক্রি এবং অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলা রেখে নিয়মিত ব্যবসা পরিচালনা করে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার সিলেট -২ আসনের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান নিজ অর্থায়নে ত্রান বিতরণে নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রেখেই উপজেলা পরিষদের সামনে জনসমাগম করে এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েও জনসাগম করে ত্রান বিতরন করারও অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন জনগুরুত্বর্পূণ স্থানে নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রেখে নিত্যপণ্য কিনছেন অনেকেই। এমনকি বিক্রেতারা মাস্ক পর্যন্ত ব্যবহার করছেন না। বাজারগুলোয় সরকারি নির্দেশনা একেবারে উপেক্ষিত। এ ছাড়া ওষুধের দোকানগুলোয় সামাজিকভাবে দূরত্ব বজায় না রেখেই অনেককে ওষুধ কিনতে দেখা গেছে। উপজেলার বানিজ্যিক প্রাণ কেন্দ্র গোয়রাবাজারসহ উপজেলার বিভিন বাজার এলাকা ও গ্রাম পর্যায়ে দিন ব্যাপি দোকানে চা, পান ও সিগারেট বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে করোনা সংক্রমণের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে যে সব মানুষ।
সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদে গিয়ে দেখা গেছে, হাত ধূয়ার জন্য প্রথম দিন যে পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে সেই পানির ড্রামটিও সেখানে নেই। ফলে উপজেলা পরিষদে যারা আসছেন তারা হাত না ধূয়েই প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহন করছেন। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ইউনিয়ন পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে না হওয়ার নির্দেশনা দিলেও সেটি উপেক্ষিতি। এ নির্দেশনা না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে না। এদিকে, করোনা ভাইরাস কে পূজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীও দাম বাড়িয়ে পণ্য বিক্রিকরার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: তাহমিনা আক্তার বলেন, এমপি সাহেব যখন ত্রান বিতরণ করছেন তখন আমি উপস্থিত ছিলাম না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে মাঠে কাজ করছি। বাজারও মনিটরিং চলছে।

 

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.