সংবাদ শিরোনাম
সাংবাদিক বাবলুর মাতার মৃত্যুতে সিলেট বিভাগীয় অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক  » «   সিলেট বিভাগে নতুন করে আরও ৭৯ জনের করোনা শনাক্ত-মোট ১২৩৮  » «   জগন্নাথপুরে ৫০০ মসজিদে প্রধানমন্ত্রী সহায়তার চেক বিতরণ  » «   সুনামগঞ্জে র‍্যাবের ১৪ সদস্যসহ একদিনে ৩৯ জন করোনায় আক্রান্ত রেকর্ড,এ নিয়ে মোট ২১৩  » «   জগন্নাথপুরে হাওর থেকে এক অঞ্জাতনামা ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার  » «   জগন্নাথপুরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১ ব্যক্তি: মোট ১০, সুস্থ ৬, আইসোলেশনে ৪  » «   দোয়ারাবাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১০  » «   সিলেটে দক্ষিণ সুরমায় দু’দল বাস শ্রমিকের মধ্যে দেড় ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ  » «   করোন:এক দিনে ৯৩ জন আক্রান্ত সিলেট বিভাগে:মোট ১০৪০ জন  » «   ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবিতে নিহত ৩৬: এ মামলার প্রধান আসামি রফিকুল গ্রেফতার  » «   সিলেট থেকে বাস চলাচল শুরু  » «   ছাতকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক ঔষধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু  » «   সুনামগঞ্জে চেয়ারম্যানের অপসারনের দাবীতে অভিযোগ দায়ের  » «   সুনামগঞ্জে র‍্যাব ক্যাম্পের ১৬ জন সদস্যসহ মোট ২১ জন করোনায় আক্রান্ত  » «   জগন্নাথপুরে মানসিক রোগী দীর্ঘ এক বছর পর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ফিরে পেল পরিবার  » «  

করোনার ভ্যাকসিন প্রায় তৈরি, দাবি চীনা প্রতিষ্ঠানের

সিলেটপোস্ট ডেস্ক::করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের খোঁজে তোলপাড় চলছে গোটা বিশ্বে। অন্তত ৮০টি জায়গায় স্বতন্ত্র গবেষণা চলছে। অনেকেই দাবি করছেন, তারা প্রায় সেরে ফেলেছেন গবেষণা। তাদের সবার থেকে এগিয়ে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভাক। তারা বলছে, এখন শুধু গণ উৎপাদনের ছাড়পত্রের অপেক্ষা। তাদের গবেষণাগারে তৈরি ভ্যাকসিনই করোনা ঠেকাতে সাহায্য করবে।

এই মুহূর্তে বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২ লাখ ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। তাই আর দেরি না করে গণহারে উৎপাদন করতে চায় এই চীনা প্রতিষ্ঠান। সিনোভাকের দাবি, বানরের শরীরে অভুতপূর্ব সাফল্য মিলেছে এই ভ্যাকসিনের। তবে গণহারে উৎপাদন করার জন্যে এখনো অনেকগুলো ধাপ পেরোনো বাকি তাদের।

করোনার এই দুঃসময়ে যে চারটি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদন দিয়েছে চীন, তার একটি পরিচালনা করছে সিনোভ্যাক বায়োটেক। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস রোধে পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিনটির ব্যাপক উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। ভ্যাকসিনটি সদ্যই মানব শরীরে পরীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, করোনা প্রতিরোধের জন্য প্রতি বছরে ১০ কোটি ডোজ উৎপাদন করতে তারা প্রস্তুত। একটি নিষ্ক্রিয় প্যাথোজেনের ওপর ভিত্তি করে এই ভ্যাকসিনের হাজারো শট সাদা-কমলা রঙের একটি প্যাকেজে সজ্জিত করা হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে করোনাভ্যাক। এই ভ্যাকসিনটি প্রায় তৈরি হয়ে গেছে।

ভ্যাকসিনটির অনুমোদন পেতে আরো দীর্ঘ পথ পারি দিতে হবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুমোদিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কম্পানিটিকে এটাও দেখাতে হবে যে, তারা বৃহৎ পরিসরে ভ্যাকসিনটি উৎপাদন করতে সক্ষম। তবে এর আগে সোয়াইন ফ্লু’র ভ্যাকসিনও গণ হারে উৎপাদন করেছিল সিনোভাক। তাই ধারণা করা হচ্ছে, এই সংস্থাটি করোনার ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে পারবে।

সিনোভ্যাক চীনের পূর্ব জিয়াংসু প্রদেশে এপ্রিল মাসে একশ ৪৪ জন স্বেচ্ছাসেবীর ওপর ভ্যাকসিনটি পরীক্ষা চালিয়েছে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালগুলোর প্রথম দুটি পর্যায়ের পরে জুনের শেষ নাগাদ ভ্যাকসিনটির আশাব্যাঞ্জক ফল পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী কম্পানিটি।

পরীক্ষার তৃতীয় ধাপ সম্পন্ন হলেই নির্ধারণ করা যাবে ভাইরাসের বাহকের মধ্যে ভ্যাকসিনটি কার্যকর কি-না। তবে সিনোভাক তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার জন্য প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছে। কারণ, চীনে ভাইরাসটির সংক্রমণ কমে যাওয়ায় ভ্যাকসিন পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক তারা পাচ্ছে না।

সিনোভ্যাক নামক এই সংস্থাটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক পরিচালক মেং উইং বলেন, বর্তমানে আমরা ইউরোপ ও এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে কথা বলছি। তৃতীয় ধাপের জন্য কয়েক হাজার লোকের প্রয়োজন হবে। তবে ভ্যাকসিন পরীক্ষার জন্য কোন দেশ থেকে এই পরিমাণ স্বেচ্ছাসেবী পাওয়া সহজ নয়। পরবর্তী ধাপে সাফল্য পেলেও সিনোভ্যাক পুরো বিশ্বের জনগণের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত টিকা তৈরি করতে সক্ষম হবে।

সিনোভ্যাকের এই আন্তর্জাতিক বিষয়ক পরিচালক বলেন, ব্যাপক হারে ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে সংস্থাটি বিদেশি অংশীদারদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছে। গবেষণা কাজের পাশাপাশি সিনোভ্যাক ব্যাপক উৎপাদনের জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা দিনরাত কাজ করছি। আমাদের কর্মীরা তিন শিফটে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছেন। ভ্যাকসিনটি তৈরির জন্য আমরা এক মিনিটও অপচয় করি না।

সূত্র: দ্য স্টার অনলাইন।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.