সংবাদ শিরোনাম
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের শনির হাওর থেকে এক নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার  » «   জগন্নাথপুরে আরো ২জন মহিলা করোনায় পজেটিভ, মোট আক্রান্ত ৯৮: সুস্থ ৮৩  » «   জগন্নাথপুর ২য় দফা বন্যা,পানিবন্দী হাজার হাজার মানুষ  » «   সিলেটে ট্যাঙ্ক লরি শ্রমিক নেতা খুন  » «   সিলেটে বন্যা:দ্বিতীয় দফায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অর্ধলক্ষাধিক মানুষ  » «   সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমার ৫৪ সেঃ মিটার ও ছাতকে ১৬৬ সেন্টিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে  » «   ইতালিফেরত ১৪৭ জন হজক্যাম্পে কোয়ারেন্টিনে  » «   করোনা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে আসা ব্যক্তি জ্বর-কাশি নিয়ে ইতালি ঘুরে বেড়ান!  » «   সাহারা খাতুনের মরদেহ আসছে, দাফন শনিবার  » «   খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিদেশেই বেশি প্রয়োজন: ফখরুল  » «   পাহাড়ি ঢলে গোয়াইনঘাটে তৃতীয় দফায় বন্যায় নিম্নঞ্চল প্লাবিত  » «   দিরাইয়ের ঘূর্নিঝড়ে ৯টি পরিবারের বসতঘড় লন্ডভন্ড,১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি  » «   জাফলংয়ে বাল্কহেডের ধাক্কায় বালুবোঝাই নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ ২  » «   আওয়ামী লীগকে বারবার ক্ষমতায় আনতেই এমন উদ্যোগ নেয় ইসি’  » «   একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে’  » «  

স্টেশনেই মরে পড়ে আছে মা, জাগাতে চেষ্টা করছে শিশু!

সিলেটপোস্ট ডেস্ক::করোনা পরিস্থিতিতে যত দিন এগোচ্ছে ততই যেন এক একটি মর্মান্তিক দৃশ্য ভেসে উঠছে চোখের সামনে।এর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি হৃদয়বিদারক দৃশ্য সামনে এলা। স্টেশনে নিঃসাড় হয়ে পড়ে আছে মৃত মা, আর অবুঝ শিশুটি মায়ের গায়ের উপর দেওয়া কাপড়টি একবার করে তুলে মাকে জাগাবার চেষ্টা করছে। আর পরক্ষণেই মাকে আবার সেই কাপড় দিয়ে ঢেকে দিচ্ছে। বছর দেড়েকের শিশুটি বুঝতেও পারছে না কী হারালো সে!

তাঁদের বাড়ি ফেরাতে ভারতীয় রেলের তরফ থেকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালানো হলেও তাতে চরম অব্যবস্থার খবর প্রায় প্রতিদিনের রিপোর্টে উঠে আসছে। আর তেমনই এক পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন এক পরিযায়ী শ্রমিক পরিবারের মহিলা সদস্য। বাড়ি ফেরার জন্যে গুজরাট থেকে ট্রেনে উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু ট্রেনের মধ্যেই গরম এবং খিদে-তেষ্টায় অসুস্থ হয়ে পড়েন মহিলা। বিহারের মুজফফরপুরের একটি স্টেশনে ট্রেনটি ঢোকার আগেই মারা যান তিনি।

ভিডিও ক্লিপটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। বিহারের মুজাফফরপুরের ওই স্টেশনেই পড়ে আছে মৃতার দেহ। পাশেই ঘোরাফেরা করছে তার অবুঝ সন্তানটি। মা নেই, বোঝার মতো বয়সও হয়নি তাঁর। সে ভাবছে, মা বুঝি ঘুমোচ্ছে, এই আর একটু পরেই হয়তো মা উঠে কোলে তুলে নেবে তাকে। গত সোমবার পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে একটি বিশেষ ট্রেন ওই স্টেশনে পৌঁছলে, সেখানেই নামানো হয় মহিলার দেহ।

এখানেই শেষ নয়, ওই একই স্টেশনে দু’বছরের একটি শিশুও মারা গেছে। শিশুটির পরিবার রবিবার দিল্লি থেকে বিশেষ ট্রেনে বাড়ি ফেরার জন্যে ওঠে, কিন্তু খাবারের অভাবে ও অসহ্য গরমে মারা যায় শিশুটি।

এর আগেও দেখা গেছে, লকডাউনের মধ্যেই প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ঘরে ফিরতে চেয়ে বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন অসংখ্য পরিযায়ী শ্রমিক। বহু শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন বিভিন্ন দুর্ঘটনায়। ঘরে ফেরার টানে অগুণতি শ্রমিককে দেখা গেছে তল্পিতল্পা নিয়ে রাজপথ ধরেই হাঁটা শুরু করেছেন গন্তব্যের দিকে। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে করতে মুখ থুবড়ে পড়ে পথের মধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন অনেক অসহায় পরিযায়ী।

পোস্ট রিপোর্ট

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.