সংবাদ শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন  » «   লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণার বিকল্প নেই: সিকৃবি ভিসি ড.মতিয়ার  » «   দলের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহব্বান এড.আনোয়ারের  » «   ওসমানীনগরে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম মনগড়া পরিচালনা কমিটি  » «   সুনামগঞ্জ পুলিশের উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ  » «   জগন্নাথপুরে নলজুর নদী খনন না কি খাল খনন!  » «   জগন্নাথপুরে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ জাতীয় দিবস উদযাপন  » «   শিশুদের মক্তবমুখী করতে ‘BUWF’র সুন্নাহ সামগ্রী বিতরন    » «   সুনামগঞ্জে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন অনুষ্ঠিত  » «   সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ  » «   কাউন্সিলর সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও উপশহরে খেলার মাঠে মেলা বন্ধে মানববন্ধন  » «   গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের আনন্দ উৎসব  » «   গোয়াইনঘাটে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন  » «   শাবি ছাত্রীর গোসলের ভিডিও ধারণ  » «   সিলেট সরকারি অগ্রগামী স্কুল এন্ড কলেজের পুরস্কার বিতরণ  » «  

মায়ের দুধে করোনা সংক্রমণ হয় না

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেটপোস্ট ডেস্ক::যথাযথভাবে মায়েরা শিশুকে দুধ খাওয়ালে করোনাভাইরাস সংক্রমণ হয় না। গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস বিষয়ে নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘যে মায়েরা সন্তানকে দুগ্ধদান করে থাকেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে, দুগ্ধদানের মাধ্যমে কোন ভাইরাস ট্রান্সমিট বা ভাইরাসের সংক্রমণ হয় না। কাজেই আপনারা যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে মায়েরা মুখে মাস্ক পরে বুকের দুধ দিতে পারেন। দেয়ার আগে স্তন ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নেবেন। হাত ভালোভাবে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নেবেন। হাত ও স্তন পরিষ্কারের পরই বাচ্চাকে দুগ্ধ দান করতে পারেন।’

নাসিমা সুলতানা আরও বলেন, ‘আপনারা সবাই স্বাস্থ্য নিয়মগুলো মেনে চলুন। যারা বয়োজ্যেষ্ঠ আছেন, যাদের অন্যান্য অসুখ আছে যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হার্টের, ফুসফুসের, কিডনির অসুখ বা অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি অসুখে যারা ভুগছেন, তারা অত্যন্ত সাবধানে থাকবেন। পরিবারের সদস্যরাও যাদের এই সমস্যাগুলো আছে, তাদের দিকে খেয়াল রাখবেন।’

সবাইকে মানসিকভাবে উজ্জীবিত থাকার পরামর্শ দিয়ে নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘শিশুরাও যেন এ নিয়মগুলো মেনে চলতে অভ্যস্ত হয়, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন। সবক্ষেত্রেই মানসিকভাবে উজ্জীবিত থাকলে, আক্রান্ত ব্যক্তি নিজের মনোবল দৃঢ় রাখলে, যিনি আক্রান্ত হননি, তিনিও মানসিকভাবে উজ্জীবিত থাকবেন। মানসিক মনোবল দৃঢ় রাখা ও মানসিকভাবে উজ্জীবিত থাকা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়ার একটি মাপকাঠি।’


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.