সংবাদ শিরোনাম
চুনারুঘাটে বড় ভাইয়ের দায়ের আঘাতে ছোট ভাই নিহত:আটক ২  » «   বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: ময়ূর-২ এর মালিক গ্রেপ্তার  » «   সিলেটে অনলাইনে পশুর হাট: বর্ণনা দেখে ক্রেতারা উৎসাহী হলে খামারে কিংবা বাড়িতে গিয়েই কিনতে পারবেন  » «   যাত্রীর মধ্যে করোনা ভাইরাস পাওয়ায়:বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ইতালির ‘ক্র্যাক ডাউন’  » «   সিলেটের হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা না পেয়ে অনেক রোগী মারা যাচ্ছে  » «   বৃটেনে বর্ষসেরা বাংলাদেশি ফারজানা  » «   যুক্তরাষ্ট্র একদিনেই দেশটিতে ৬০ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত  » «   বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর স্বাস্থ্য বিভাগের সেবাদানে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা  » «   সিলেট সুনামগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় কেড়ে নিয়েছে চারজনের প্রাণ  » «   করোনায় আরো ৪৬ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৪৮৯  » «   স্বামীর জন্মদিনে তরতাজা সেলফি পোস্ট করে গুঞ্জনে আবারও জল ঢেলে দিলেন সিলেটি বধু মাহি  » «   নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের টার্নওভার কর সনদপত্র নিজ ব্যবসায়িক কার্যালয়ে টানিয়ে রাখতে  » «   বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ  » «   ভারতে-নেপালের দ্বন্দ্বে এক সুন্দরীর নাম  » «   ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত  » «  

করোনা পরিস্থিতিতে মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়েছে গর্ভবতীদের: এখন গর্ভধারণ না করার পরামর্শ

রাবেয়া বেবী::গর্ভবতী মা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া, সংক্রমণের ভয়ে চিকিত্সকদের রোগী দেখতে অনীহা, চিকিত্সকদের প্রাইভেট প্রাকটিস বন্ধ থাকা, টিকা না দেওয়া, অপর্যাপ্ত প্রসব সেবা, যাতায়াত ব্যবস্থার সমস্যা— এমন নানা কারণে বেড়েছে গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়ের মৃত্যুঝুঁকি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে—বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত নারীর দুই শতাংশই গর্ভবতী। এ কারণে এই সময়ে গর্ভধারণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা।

বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ এ সময়ে গর্ভধারণ না করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, গর্ভবতী মায়ের নিয়মিত চেকআপ করতে না পারাটা যেমন বিপজ্জনক, তেমনি গর্ভবতী মা করোনায় আক্রান্ত হলে বিপদ আরো বেশি। করোনায় আক্রান্ত মায়ের সন্তান জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মাতে পারে। আবার মৃত সন্তানও প্রসব করতে পারে।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট আইইডিসিআর এর পরিচালক মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত নারীর দুই শতাংশই গর্ভবতী।

এদিকে ইউনিসেফ বলছে—করোনার জন্য মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা প্রায় ১৯ শতাংশ কমেছে। আর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০১৯ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বরের তুলনায় ২০২০ সালের জানুয়ারি-মার্চে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে মায়েদের গর্ভকালীন স্বাস্থ্যসেবা নেওয়ার প্রবণতা কমেছে। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে সন্তান জন্মদানের হার ঐ একই সময়ে কমেছে ২১ দশমিক দুই শতাংশ।

গাইনি ও অবস্ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সংযুক্তা সাহা এ সময়ে গর্ভবতী মায়েদের বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ব্যবহারের সব কিছু আলাদা করা, সম্ভব হলে আলাদা ঘরে থাকতে হবে। এর পরও আক্রান্ত হলে হেল্প লাইনে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

ইউনিসেফ এর মাতৃ ও কৈশোর স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. এ এস এম সায়াম বলেন, এ সময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব কমেছে ৩১ শতাংশ; যা আশঙ্কাজনক। গর্ভকালে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চারটি চেকআপ নিশ্চিত করা জরুরি। করোনা আক্রান্ত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি; তাই নবজাতককে বুকের দুধ খাওয়ানো, স্বাভাবিক প্রসবের ছয় ঘণ্টা ও অপারেশন হলে দুই দিনের মধ্যে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ত্যাগ করার গাইড লাইন দিয়েছে ইউনিসেফ।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ শরিফ বলেন, গর্ভবতী মা যেন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসে সে ব্যাপারে আমরা কাজ করছি। হাইকোর্টের নির্দেশ আছে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সকল হাসপাতাল গর্ভবতী মায়ের চিকিৎসাসেবা দিতে বাধ্য। তাই করোনা আক্রান্ত বলে গর্ভবতী ও প্রসূতি মাকে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.