সংবাদ শিরোনাম
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের শনির হাওর থেকে এক নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার  » «   জগন্নাথপুরে আরো ২জন মহিলা করোনায় পজেটিভ, মোট আক্রান্ত ৯৮: সুস্থ ৮৩  » «   জগন্নাথপুর ২য় দফা বন্যা,পানিবন্দী হাজার হাজার মানুষ  » «   সিলেটে ট্যাঙ্ক লরি শ্রমিক নেতা খুন  » «   সিলেটে বন্যা:দ্বিতীয় দফায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অর্ধলক্ষাধিক মানুষ  » «   সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি বিপদ সীমার ৫৪ সেঃ মিটার ও ছাতকে ১৬৬ সেন্টিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে  » «   ইতালিফেরত ১৪৭ জন হজক্যাম্পে কোয়ারেন্টিনে  » «   করোনা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে আসা ব্যক্তি জ্বর-কাশি নিয়ে ইতালি ঘুরে বেড়ান!  » «   সাহারা খাতুনের মরদেহ আসছে, দাফন শনিবার  » «   খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিদেশেই বেশি প্রয়োজন: ফখরুল  » «   পাহাড়ি ঢলে গোয়াইনঘাটে তৃতীয় দফায় বন্যায় নিম্নঞ্চল প্লাবিত  » «   দিরাইয়ের ঘূর্নিঝড়ে ৯টি পরিবারের বসতঘড় লন্ডভন্ড,১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি  » «   জাফলংয়ে বাল্কহেডের ধাক্কায় বালুবোঝাই নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ ২  » «   আওয়ামী লীগকে বারবার ক্ষমতায় আনতেই এমন উদ্যোগ নেয় ইসি’  » «   একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে’  » «  

জগন্নাথপুরে রাতের আধারে পাঠাগারের সাইন বোর্ড ভাঙচুর

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি::সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নে খামড়াখাই গ্রামের জামে মসজিদের পাশে পাঠাগারের নাম ফলক রাতের আধারে কেউ বা কারা ভেঙ্গে ফেলেছে। এ নিয়ে আলোচনার সমালোচনা ঝড় বইছে।

স্থানীয়রা জানান, খামড়াখাই গ্রামের মৃত ইন্তাজ উল্লার ছেলে দানবীর হাজী আব্দুল রহিম দীর্ঘ দিন ধরে অত্র অঞ্চলে বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ঐতিহ্যবাহী জয়নগর খামড়াখাই দারুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসায় তিনতলা ভবন নিজ অর্থায়নে নিমার্ণ করে দেন। প্রাচিন শান্তিগঞ্জ বাজারের একটি মসজিদ নিমার্ণ করে দেন। বিগত দিনে বন্যা ও করোনার সময় ত্রান সামগ্রী বিতরণ সহ প্রত্যেক মাসে গ্রামের প্রায় ৩৪ জন দরিদ্র লোকদের বয়স্ক ভাতা প্রদান করেন। এ মানবতার ফেরীওয়ালা বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনের বেতন দিয়ে যাচ্ছেন। খামড়াখাই জামে মসজিদে নিজ অর্থায়ানের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন করেন। বর্তমান ভার্চুয়াল জগতে দিন দিন গ্রামের শিক্ষার্থী সহ সকল জনসাধারন চলে যাওয়ায় সেখান থেকে ফিরে আনতে গ্রামের মসজিদের পাশে পাঠাগার নিমার্ণ করেন দানবির হাজী আব্দুল রহিম। তিনি নিজের অর্থায়ানে একটি ভবনটি নিমার্ন করে বই থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া সকল জনসাধরনকে আবার বইয়ের কাছে নিয়ে আসার চেষ্টার করেন। ভবনে কাজ প্রায় শেষে দিকে ছিল। রবিবার  দিবাগত রাতে কে বা কারা পাঠাগারের নাম ফলক ভেঙ্গে ফেলে।

এ ব্যাপারে হাজী আব্দুল রহিমের ভাতিজা সামসুল ইসলাম ও বাদশা মিয়া জানান, আমাদের চাচা অত্র অঞ্চলে সব সময় গরিব দু:খী মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদ্রাসা মসজিদ সহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে যাচ্ছেন। মানুষদের বই মুখী করতে পাঠাগার প্রতিষ্টার জন্য কাজ করে যাচ্ছিলেন। রাতের আধারে কে বা কারা পাঠাগারের নাম ফলক ভেঙ্গে দিয়েছে। এতে করে আগামী দিনে দানশির চাচা সামাজিক উন্নয়নে আর এগিয়ে না আসার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। এ কাজে আমাদের সকলের ক্ষতি হয়েছে। আমরা এ বিচার চাই।

এ ব্যাপারে জানতে খামড়াখাই জামে মসজিদের মোতায়াল্লি খালিছ মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পাঠাগারের নাম ফলক ভাঙ্গার বিষয়ে সোমবার আমরা পঞ্চায়েত কমিটি বসে আলোচনা করে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। কে বা কারা করছে আমরা জানিনা ভাঙ্গা নাম ফলক পঞ্চায়েত কমিটি নিমার্ণ করে দিব।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো.মাহমদ মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা গ্রাম বাসী বসে নাম ফলক ভাঙ্গার বিষয়টি আলোচনা করে সকলের মতামতে ভিত্তিতে সিন্ধান্ত নিয়েছি ভাঙ্গা নাম ফলক পঞ্চায়েত কমিটি নিমার্ণ করে দিবে।

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.