সংবাদ শিরোনাম
ওসমানীনগরে গৃহবধুর মৃত্যু: থানায় অপমৃত্যুর মামলা রুজু  » «   সুনামগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর উপহার: নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা বিতরণ  » «   চুল পড়ে যেসব কারণে  » «   রমজানে পাপ ও অপচয়ের কুফল  » «   ঈদের ৫ জামাত বায়তুল মোকাররমে  » «   অন্ধ্র প্রদেশে অক্সিজেনের অভাবে ১১ রোগীর মৃত্যু  » «   রাশিয়ার একটি স্কুলে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ১১  » «   সৌদিতে ঈদ বৃহস্পতিবার  » «   ৯ দিনেই প্রবাসী আয় এসেছে ৯১ কোটি ৯০ লাখ ডলার  » «   আজ খোলা থাকবে ব্যাংক  » «   সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ: জি এম কাদের  » «   সাজাপ্রাপ্ত আসামির বিদেশে যাওয়ার নজির আছে: ফখরুল  » «   খালেদার বিদেশে চিকিৎসার নতুন পথ খুঁজছে বিএনপি  » «   সালমার কণ্ঠে ১০ লাখ ছাড়ালো ‘নয়া দামান’  » «   কিমের নামে গরুর নামকরণ  » «  

এবারো কোনো ব্যতিক্রম হলো না চামড়ার ব্যাবসায়ীদের গালে হাত আর হতাশ..

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিলেটপোস্ট ডেস্ক::গত কয়েক বছরে এটা নিয়মিত দৃশ্যপট। এবারো কোনো ব্যতিক্রম হলো না। যদিও দাম নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছিল। ঘোষণা দেয়া হয়েছিল রপ্তানির। কিন্তু আদতে এর কোনো প্রভাবই পড়েনি। গরুর চামড়া ১৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে ১০ টাকায়। বহু জায়গায় আবার কোনো ক্রেতাই পাওয়া যায়নি।

বিক্রি করতে না পেরে অনেকে চামড়া মাটিতে পুতে ফেলেন। কোথাও অবিক্রিত চামড়া পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
গতবারের চেয়ে এবার চামড়ার দাম অনেক কম ধরা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে বিক্রি হয়েছে তার চেয়েও অনেক কম দামে।

সিলেটের বিভিন্ন জায়গায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক কমে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি হতে দেখা গেছে।
একজন ক্রেতা বলেন, বড় গরুর চামড়া ২০০-৩০০ ও মাঝারি গরুর চামড়া ১০০-১৫০ টাকায় কিনেছেন। আর ৪ পিছ ছাগলের চামড়া কিনেছেন ১০ টাকায়।
সিলেটে আজ সকালেও রাস্তার ধারে অবিক্রিত চামড়া পড়ে থাকতে দেখা গেছে। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব চামড়া নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু সেগুলো এখনো বিক্রি হয়নি।
এবার লবণযুক্ত গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুট ৩৫ থেকে ৪০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল সরকার, যা গত বছর ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকার মধ্যে ছিল। ছাগলের চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ১৩ টাকা। কিন্তু বাস্তবে চামড়ার দাম ছিল আরো অনেক কম।
অনেকেই পশুর চামড়া মাদরাসায় দান করে থাকেন। এবছর মাদরাসাগুলো চামড়া পাচ্ছে কম। যা পেয়েছে তাও খুব দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।সিলেটের সিদ্দিকীয় হাফিজিয়া মাদ্রসার হিসাব রক্ষক আতিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, গত বছর ঈদের দিন দুপুর ৫০০ টাকা করে ২০০টি চামড়া বিক্রি করেছিলেন তারা। তবে সব বিক্রি করতে পারেননি। এবারের পরিস্থিতি বলতে গেলে তার চেয়েও খারাপ। এবার ২১০টা চামড়া হাতে এসেছে। কিন্তু কোনো ফড়িয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পানির দামে চামড়া বিক্রি করতে হয়েছে। একজন ২১০ টাকা করে চামড়াগুলো নিয়ে গেছেন। তিনি ফড়িয়া নন, হয়ত কারও মাধ্যমে বিক্রি করবেন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.