সংবাদ শিরোনাম
নারী সব পারে:মাত্র দু’দিনে নাতনিকে কোলে নিয়ে নানী,হাতে কলম নিয়ে পরিক্ষায় সেই মা  » «   নগরীর ঘাসিটুলা মোকামবাড়ী এলাকা থেকে গাঁজার চালানসহ মাদক ব্যবসায়ি আটক  » «   জগন্নাথপুরে চোলাইমদ সহ আটক ১  » «   জগন্নাথপুর উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীসভা অনুষ্টিত  » «   জগন্নাথপুরে মোটরসাইকেল এর সাথে এ কেমন শুত্রুতা: আগুনে পুড়িয়ে দিল দুবৃত্তরা !!  » «   ওসমানীনগরে শিশুর ঝুলন্ত লাশ নিয়ে রহস্য  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ কোটি ছাড়িয়েছে  » «   যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম মুসলিম অ্যাটর্নি হচ্ছেন সায়মা  » «   ৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী  » «   শায়েস্তাগঞ্জে ঘরে ঢুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ  » «   ‘এক সময় পোশাক কেনার টাকা ছিল না’  » «   এসএসসির সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ  » «   না ফেরার দেশে চলে গেলেন জগন্নাথপুরের কৃতি সন্তান বিজ্ঞানী প্রফেসর ড.শাহজাহান   » «   নগরীরতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যে সব এলাকায়  » «   ওসমানীনগরে তিন চোরকে ধরে পুলিশে দিল ব্যবসায়ীরা  » «  

জগন্নাথপুরে প্রায় ৫০ বছরের মুক্তিযোদ্ধে শহিদ হওয়া পরিবার সাহায্য থেকে বঞ্চিত

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়াহলদিপুর ইউনিয়নের সালদিগা গ্রামে মুক্তিযোদ্ধের সময় শহিদ হওয়া পরিবারের সদস্য প্রায় ৫০ বছরের সরকারী সাহায্য পায় নাই। পাকহানাদার বাহিনির হাতে নিহত হওয়া স্বামী স্মৃতি নিয়ে ১১৫ বছর ধরে কষ্টে দিনপাত করছেন করফুল নেছা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চিলাউড়াহলদিপুর ইউনিয়নের সালদিগা গ্রামে ১৯৭১ সালে সেপ্টেম্বর স্থানীয় মুক্তিবাহিনির সাথে পাকহানাদার বাহিনির সালদিগা পশ্চিমপাঁড়া মুখোমুখি যুদ্ধ হয়। পাক হানাদার বাহিরি আক্রমনে মুক্তিযোদ্ধারা কৌশলে পিছু হটলেও মুক্তি বাহিনিকে না পেয়ে স্থানীয় সালদিগা গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দেওয়ায় হাজী কলমদর মিয়ার বাড়িতে গোয়াসপুর হতে মিশিনগান দ্বারা গুলি বর্ষন করে এতে কলমদর মিয়া বড় ভাই শহীদ উসমান উল্লা তিনির চাচা মনোহর উল্লা হাকহানাদারের গুলিতে মৃত্যু বরণ করেন। যুদ্ধকালিন সময়ে গোপরাপুর স্কুলে মুক্তিবাহিনির ক্যাম্প ছিল। মুক্তিবাহিরির আঞ্চলিক দায়িত্বে থাকা আব্দুল নুর মাস্টার স্বাধীনতা পক্ষে শক্তি হওয়ায় কলমদর মিয়ার বাড়িতে এসে মুক্তিবাহিনিদের নিয়ে প্রায় সময় খাওয়া দাওয়া করতেন। কলমদর মিয়া ভাগনা ফারুক মিয়া মুক্তিযোদ্ধে ছিলেন বিধায় তাহাদের প্রতি পাক বাহিনির আক্রশ ছিল। তাদের বাড়িতে হামলা চালায় পাক হানাদার বাহিনি, তাদের গুলিতে উসমান উল্লাহ মনহর উল্লাহ শহিদ হন। বেঁচে যান তার ছোট হাজী কলমদর মিয়া। পরে পাক হানাদার বাহিনি চলে গেলে শহিদ উসমান উল্লাহ শহিদ মনহর উল্লাকে গ্রামে দাপন করা হয়। প্রায় ৫০ বছর হয়ে যাচ্ছে এখনো স্মৃতি বিজড়িত স্থানে বসবাস করছেন তাঁর স্ত্রী করফুল নেছা, স্বামী পরিত্যেক্ত অসহায় মেয়ে গুলনেহার বেগম শহিদ মনফর উল্লাহ একমাত্র নাতিন পারভিন বেগম। প্রত্যেক দিন স্মৃতি বলে যান সবার কাছে কিন্তু এই অসহায় পরিবারের দিকে কেউ থাকায় না।

শহিদ ওসমান উল্লাহ স্ত্রী করফুল নেছা জানান, বাবারে দেশ স্বাধীন করতে মুক্তি বাহিনি আমাদের বাড়িতে এসেছিল আমরা তাদের আশ্রয় দান করায় আমার স্বামীকে তারা গুলি হত্যা করে। আমার ছেলে মেয়ে নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিনপাত করতেছি। আজ আমি বড় অসহায় বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধের সহ পক্ষে থাকার পরও এখনো আমাদের পরিবারের দিকে কেউ নজর দেওয়া। বতর্মান সরকারের মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী সহ জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কণ্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি।

ব্যাপারে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা গোয়াসপুর গ্রামের বাসিন্দা শ্রী কৃষ্ণ জানান, সেই সময়ে গোপরাপুর স্কুলে মুক্তিবাহিরি ক্যাম্প আমিও ছিলাম। গোপরাপুরের পাশে সালদিগা গ্রাম থাকায় স্বাধীনতা পক্ষে কাজ করায় মুক্তিবাহিনিদের আশ্রয় দেওয়া তাদের উপর হামলা চালানো হয়। আজ করফুল নেছা পরিবার অসহায় তাদের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া সরকার সহ সকলের প্রতি আহবান জানান।


  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.