সংবাদ শিরোনাম
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম  » «   দক্ষিণ সুরমায় পলাতক ৪জন আসামীকে গ্রেফতার  » «   ঝড়ের কবলে পড়ে ঢাকা থেকে সিলেটমুখী একটি ফ্লাইট  » «   বিয়ানীবাজারে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১২  » «   পাঁচ বছর ধরে জগন্নাথপুরে কৃষকের টাকায় পাকা হচ্ছে নলুয়ার হাওরের সড়ক  » «   সুনামগঞ্জে বিজিবি- চোরাকারবারী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ১ আহত এক  » «   এবার কুটনৈতিক বিদ্রোহের সামনে পড়ল মিয়ানমারের সামরিক জান্তা  » «   শ্রীরামপুরে স্ত্রী লাকি হত্যাকারী পাষন্ড স্বামী শাহিদ গ্রেফতার  » «   নগরীতে থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল কোম্পানীগঞ্জ থেকে উদ্ধার  » «   মাধবপুরে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত  » «   সিলেটে নতুন করে আরও ১৭ জন করোনায় আক্রান্ত  » «   আজ বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়  » «   বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ: এক কালজয়ী অধ্যায়  » «   জগন্নাথপুরে ধসে পড়া সেতুপরিদর্শন করলেন সচিব নজরুল ইসলাম  » «   সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাব”এর কমিটি গঠন উপলক্ষে আলোচনা সভা  » «  

ধর্ষণ রোধে সৌদির মতো প্রকাশ্য শাস্তি চান কঙ্গনা

  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    5
    Shares

সিলেটপোস্ট ডেস্ক::ধর্ষণ, উপমহাদেশের নারীদের এক ভয়াল দুঃস্বপ্নের নাম। উপমহাদেশের বৃহত্তম দেশ ভারতেও সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে গেছে একের পর ন্যক্কারজনক ধর্ষণের ঘটনা। নারীদের ওপর এই বীভৎস নিপীড়ন বন্ধে সরকারকে আরো কঠোর হতে হবে বলে মনে করেন আলোচিত বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ধর্ষকদের উপযুক্ত সাজা হল ফাঁসি।’ এর এক্ষেত্রে তিনি উদাহরণ টানেন সৌদি আরবের। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে অপরাধীদের প্রকাশ্যে শিরোশ্ছেদের শাস্তি প্রচলিত। ওই দেশের মতোই ভারতেও ধর্ষকদের চৌরাস্তায় এনে ফাঁসি কার্যকরের আহ্বান জানান তিনি।

‘ধক্কড়’ সিনেমার শুটিংয়ের জন্য বর্তমানে ভোপালে আছেন কঙ্গনা। সেখানে অবস্থানকালে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি। পরেই ধর্ষণ প্রসঙ্গে এমন প্রস্তাব করেন এই অভিনেত্রী।

কঙ্গনা আরও বলেন, ‘অনেক নারী নিজেদের কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন। এ কারণে অনেক যৌন হেনস্থার ঘটনা আমরা জানতেও পারি না।’

এ ছাড়া নির্যাতিত নারীদের চুপ থাকার একটা বড় কারণ হিসেবে দেশের আইন ব্যবস্থার প্রতিও আঙ্গুল তোলেন তিনি। সেই সাথে কঙ্গনা প্রশ্নবিদ্ধ করেন সমাজব্যবস্থাকেও।

তার মতে, ‘ধর্ষকরা জানে যে তারা ঠিক আইনের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যেতে পারবে। বছরের পর বছর নির্যাতিত নারীদের কেবল প্রশ্নের উত্তর নয়, পুলিশ ও আইনের হাতেও হেনস্থার শিকার হতে হয়।’

আরো বলেন, ‘বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা একটা বড় কারণ। আমাদের দেশের আইনের ফাঁক গলে অপরাধীরা বেরিয়ে যায়। বছরের পর বছর এভাবে নারীরা পুলিশ আর অপরাধীদের কাছে হেনস্তার শিকার হয়ে আসছে।’

কঙ্গনার ভাষ্য, “একজন নারী ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর সমাজ দ্বারা আবারো বার বার নির্যাতিত হয়। কারণ সমাজের নানা স্তরে তাকে বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। মামলা করতে গেলে পুলিশের হাজারো প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। যেভাবে পুলিশ একজন নির্যাতিতার কাছে প্রশ্ন করে সেটা খুবই অপমানজনক—‘কোথায় হাত দিয়েছিল? বুকে, নাকি হাতে, নাকি ঊরুতে?‘ এভাবে বছরের পর বছর তাদের প্রমাণ করতে হয় যে আদতে তাদের হেনস্থা করা হয়েছে।”

পাঁচ-ছয়টি ধর্ষণের কঠোর শাস্তি প্রকাশ্যে দেয়া গেলে ধর্ষণের হার কমে আসবে বলেও মনে করেন তিনি।

facebook sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
pinterest sharing button
sharethis sharing button

 


  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    5
    Shares

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.