সংবাদ শিরোনাম
যুক্তরাজ্যে তিন দিনে ৩ বাংলাদেশি খুন  » «   লন্ডনে বিয়ানীবাজারের এক যুবক ও জগন্নাথপুর দাওরাই গ্রামের সাবিনা নিহত  » «   সুনামগঞ্জের ছাতকের ব্যবসায়ী আখলাদ হত্যাকান্ডের ঘটনায় ২ জন গ্রেপ্তার  » «   ওসমানীনগরে ব্যাংকের বুথ ভেঙে টাকা লুট: ৪ ডাকাতের ৫ দিনের রিমান্ড  » «   মাধবপুরে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু  » «   নগরীর মজুমদারী এলাকায় বাসার ছাদের পিলারে দুই বোনের ঝুলন্ত লাশ  » «   সিলেটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো রবিবার থেকে চার ঘন্টা করে বন্ধ  » «   দোয়ারাবাজারে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে  » «   সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, দাদা-নাতি নিহত, আহত ৪  » «   জগন্নাথপুরে ত্রান সামগ্রী বিতরন করল অনুসন্ধান কল্যান সোসাইটি সিলেট  » «   সিলেট সিটির ৮৩৯ কোটি ২০ লাখ ৭৬ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা মেয়র আরিফের  » «   সোবহানীঘাট মা ও শিশু হাসপতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু  » «   জগন্নাথপুরে পৃথক দু’টি লাশ উদ্ধার  » «   সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসপিয়া আর নেই,বিভিন্নজনের শোক প্রকাশ  » «   ১১বছর পর জানাগেল অপহরণ নয়; আত্মগোপনে ছিলেন ওই নারী  » «  

১১বছর পর জানাগেল অপহরণ নয়; আত্মগোপনে ছিলেন ওই নারী

সিলেটপোস্ট ডেস্ক::হবিগঞ্জে এক নারীকে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এগারো বছর ধরে আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন চার ব্যক্তি। জেল খাটতে হয়েছে তিনজনকে। অথচ এগারো বছর পর জানা গেল মামলাটি মিথ্যা। অপহরণ নয়; আত্মগোপনে ছিলেন ওই নারী।

জহুরা খাতুন শিমু নামে ওই নারীকে নারায়নগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে হবিগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) শিমুকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সদর উপজেলার রতনপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

পুলিশ জানায়, শিমুকে অপহরণ করা হয়েছে বলে ২০১২ সালের ১১ নভেম্বর একটি মামলা দায়ের করেন তার মা আমেনা খাতুন। রতনপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ, সুরাব আলী, আব্বাস মিয়া ও হারুন মিয়াকে এ মামলায় আসামী করা হয়। এরপর আদালতে আত্মসমর্পন করলে তিনজনকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন বিচারক। পরে অবশ্য চারজনই উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। কিন্তু নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন তারা।

এরপর হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে আদালত ওই নারীকে উদ্ধারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিলে শিমুর সন্ধানে নামে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে শিমুকে গ্রেফতার করেন থানাটির উপ পরিদর্শক (এসআই) সনক কান্তি দাশ।

এসআই সনক বলেন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শিমু জানিয়েছেন, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। পরিবারের পরামর্শে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য তিনি সিদ্ধিরগঞ্জে ১১ বছর আত্মগোপনে ছিলেন ও সেখানে একটি কাপড়ের কারখানায় চাকরী করতেন। নিয়মিত পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হতো। বাড়িতে টাকাও পাঠাতেন।

তিনি আরও জানান, মামলাটি মিথ্যা উল্লেখ করে আদালতে দুইবার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। কিন্তু বাদীপক্ষের নারাজীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। অবশেষে জানা গেছে মামলাটি মিথ্যা। অপরাধ না করেই ভুক্তভোগী হয়েছেন তিন আসামী।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.